চাঁপাইনবাবগঞ্জের পদ্মায় পাওয়া যাচ্ছে না ইলিশ। ইলিশ জালে ধরা না পড়ায় দিশেহারা হয়ে পরেছেন জেলেরা। এই জেলার দুই হাজারের বেশি পরিবার পদ্মায় মাছ শিকার করে পরিবারের খরচ নির্বাহ করেন।সাইফুল ইসলাম নামের এক জেলে বলেন, ‘গত দুই বছর ধরে পদ্মা নদীতে ইলিশ পাওয়া যাচ্ছে না। পদ্মায় মা ইলিশ ডিম দেওয়ার সময় নিষেধাজ্ঞা না মেনেই মাছ শিকার করেন জেলেরা। এই পরিস্থিতি রুখতে না পারলে আগামীতে হয়তো এই নদীতে কোনো মাছই পাওয়া যাবে না।’তিনি আরও বলেন, ‘মাছ ধরেই সংসারের খরচ চালাতে হয়। এছাড়া আর উপায় নাই। মাছ ধরতে গেলে এখন লোকসান ছাড়া কিছুই হয় না।’কাশির নামের অপর এক জেলে বলেন, ‘ইলিশের মৌসুমে নদীতে একবার জাল ফেললেই ৩-৪ মণ মাছ উঠতো। কিন্তু এবারের মৌসুমে মাছ পাচ্ছিনা না। গতকাল (রোববার) নদীতে গেছিলাম আড়াই কেজি জাটকা পেয়েছি। এই মাছ ধরে কী হবে, নৌকার তেল খরচই উঠবে না।'তিনি আরও বলেন, ‘তেলের দাম বেড়েছে। ভরা পদ্মায় নৌকায় তেলের খরচও হয় বেশি। মাছ ধরতে গেলে মাছ পাওয়া যায় না, তাই আজ যায়নি।’পদ্মা-গঙ্গার মিলিত স্থানে ভারতের জেলেরা মাছ ধরে নেয়। যার ফলে পদ্মার উজানে আর মাছ পাওয়া যায় না এমনই অভিযোগ করেছেন আরেক জেলে আব্দুল মোমিন। তিনি আরও বলেন, ‘মাছ ধরার টাকা দিয়েই সংসারে খরচ করি। কিন্তু এবার মাছও পাওয়া যাচ্ছে না।’মুরশালিন নামের এক পদ্মা পাড়ের বাসিন্দা বলেন, ‘পদ্মা পাড়ে জাটকা বিক্রি হচ্ছে ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা কেজি দরে। আর ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ৭০০-১২০০ টাকা কেজি পর্যন্ত।’চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘পদ্মা থেকে গত মাসে ১ দশমিক ৭৫ মেট্রিক টন ইলিশ মাছ ধরেছেন জেলেরা। ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা চলাকালীন ২ হাজার জেলেদের মধ্যে খাদ্য সমগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।
পরিচালনা পরিষদঃ ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: আরিফুল ইসলাম সাব্বির নির্বাহী সম্পাদক: রেদোয়ান হাসান বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ রফিক কমপ্লেক্স (২য় তলা), ৬৪/১, শিমুলতলা, সিআরপি রোড, সাভার, ঢাকা-১৩৪০ ফোন: ০১৫৭৬৪৬২৭০১ ই-মেইল: ajkerpost.news@gmail.com
Copyright © 2026 Ajkerpost. All rights reserved.