রবিবার, ১৪ জুলাই ২০২৪, ১২:৩৬ পূর্বাহ্ন

জাতীয় নির্বাচন: আলোর দিশারীর খোঁজে নেপাল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট : রবিবার, ২০ নভেম্বর, ২০২২
  • ৯৭ বার পড়া হয়েছে /

নেপালে জাতীয় ও প্রাদেশিক নির্বাচনের ভোটগ্রহণ চলছে। স্থানীয় সময় আজ রবিবার (২০ নভেম্বর) সকাল ৭টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। আজ বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলবে।দ্য কাঠমুন্ডুর এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়।দেশটির নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ফলাফল ঘোষণা হতে দুই সপ্তাহ পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।এদিকে, রবিবার দেশটিতে কর্মদিবস হলেও সরকার ছুটি ঘোষণা করেছে ভোটগ্রহণের জন্য।প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভোটগ্রহণের জন্য নেপালজুড়ে ১০ হাজার ৮৯২টি পোলিং স্টেশন এবং ২২ হাজার ২২৭টি পোলিং সেন্টার স্থাপন করা হয়েছে। একইসাথে অস্থায়ী ১৪১টি বুথ বসানো হয়েছে। ভোটগ্রহণকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।সূত্র জানায়, সকাল থেকেই ভোটকেন্দ্রগুলোতে সাধারণ মানুষের ভিড় দেখা যাচ্ছে। নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছেন, দেশটির প্রায় তিন লাখ নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য।দেশটির এক কোটি ৮০ লাখ ভোটার ২৭৫ সদস্যের পার্লামেন্ট ও ৩৩০ সদস্যের সাতটি প্রাদেশিক পরিষদের জন্য ফার্স্ট-পাস্ট-দ্য-পোস্ট (এফপিটিপি) এবং প্রপোরশনাল রিপ্রেজেন্টেশন- এই দুই পদ্ধতির সংমিশ্রণে ভোট দিচ্ছেন।আশা করা হচ্ছে, এবারের নির্বাচনের পর দেশটিতে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে।৫২ বছর বয়সী এক ভোটার বলছিলেন, ‘আমি ভোট দেবো অর্থনৈতিক উন্নয়ন, চাকরির নিশ্চয়তা, খাদ্য, পোশাক, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতের জন্য।’প্রকাশ থামা নামে ২৫ বছর বয়সী আরেকজন ভোটার বলেন, দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও সরকারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা দরকার।
এবারের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে নেপালের তিনটি প্রধান রাজনৈতিক দল। দলগুলো হলো- নেপালি কংগ্রেস, দ্য কমিউনিস্ট ইউনিফাইড মার্কসিস্ট-লেনিনিস্ট (ইউএমএল) পার্টি এবং মাওবাদী সেন্টার। প্রতিটি পার্টিই অতীতে ভিন্ন ভিন্ন কোয়ালিশনের নেতৃত্ব দিয়েছে। কিন্তু ক্ষমতার দ্বন্দ্ব এবং দলীয় কোন্দলের কারণে কোনো পার্টিই পাঁচ বছর মেয়াদ পূর্ণ করতে পারেনি।উল্লেখ্য, করোনা মহামারির কারণে অর্থনৈতিক গোলযোগের মধ্যে পড়ে নেপাল। এরপর থেকেই দেশটিতে জিনিসপত্রের দাম বাড়া শুরু হয়। দুই বছর পর আবারো ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের কারণে অন্যান্য দেশের মতো নেপালেও বেড়েছে সব পণ্যের দাম। নেপালে ছয় বছরের মধ্যে মূল্যস্ফীতি সর্বোচ্চ আট শতাংশের বেশি।এছাড়া গত কয়েক বছরে পর্যটকদের আনাগোনা কমেছে দেশটিতে। চলতি বছরের প্রথম ১০ মাসে দেশটি ভ্রমণ করেছেন সাড়ে চার লাখ পর্যটক। এই সংখ্যা ২০১৯ সালে করোনা মহামারি শুরুর আগে পর্যটকদের প্রায় অর্ধেক।

আরো পড়ুন

এস এন্ড এফ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

Developer Design Host BD