গ্রামীণফোনের সিম বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করেছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। এখন থেকে সিম বিক্রি করতে পারবে গ্রামীণফোন।গতকাল সোমবার (২ জানুয়ারি) এ–সংক্রান্ত বিটিআরসি কর্তৃক একটি চিঠি গ্রামীণফোনকে পাঠানো হয়েছে। এমনই তথ্য জানিয়েছেন গ্রামীণফোনের হেড অব কমিউনিকেশন খাইরুল বাশার।গত ২৯ জুন সেবার মান নিয়ে প্রশ্ন তুলে বিটিআরসি গ্রামীণফোনের সিম বিক্রির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে। এ নিষেধাজ্ঞার ফলে অপারেটরটি প্রতিদিন গড়ে ৪০ হাজারের মতো সিম বিক্রি থেকে বঞ্চিত হয়। এ ছাড়া গ্রাহক হারিয়েছে ৩৫ লাখের মতো।বিটিআরসির হিসাবে, গত অক্টোবর মাস শেষে গ্রামীণফোনের সক্রিয় সিম সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮ কোটি ১৪ লাখের কিছু বেশি, যা গত মে মাসের তুলনায় প্রায় ৩৫ লাখ কম। নতুন সিম বিক্রি করতে না পারলে অপারেটরগুলোর গ্রাহক কমে যায়। কারণ, সাধারণত সক্রিয় সিমের একটি অংশ নিয়মিত নিষ্ক্রিয় হয়।নিষেধাজ্ঞার পর গ্রামীণফোন ৩৫ লাখ গ্রাহক হারিয়েছে।এ বিষয়ে গ্রামীণফোন কর্তপক্ষ জানান, সেবার মান বাড়াতে যা যা করণীয়, তার সবই তারা করছে। তরঙ্গ কিনে তার একাংশ নেটওয়ার্কে স্থাপন করেছে। বাকিটা স্থাপনে কাজ চলছে। নতুন নতুন টাওয়ার বসানো হচ্ছে। টাওয়ারগুলো অপটিক্যাল ফাইবার কেব্ল দিয়ে সংযুক্ত করা হচ্ছে।অপারেটরটির দাবি, এসব পদক্ষেপের ফলে তাদের সেবার মান বেড়েছে। আসলেই মান বেড়েছে কি না, তা পরীক্ষা করা ও সিম বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার জন্য বিটিআরসিকে চিঠিও দিয়েছিল গ্রামীণফোন।গত রবিবার (৩ জানুয়ারি) এ বিষয়ে ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেন, ‘আমার কাছে বিটিআরসির কাছ থেকে রিপোর্ট এসেছে। আমি দেখেছি, গত ছয় মাসে গ্রামীণফোন অবকাঠামোগত যে উন্নতি করেছে, সেটা উল্লেখযোগ্য।’ তিনি আরো বলেন, ‘গ্রাহকসেবার মান বাড়াতে আমরা তাদের সিম বিক্রি বন্ধ করেছিলাম, যাতে আরো গ্রাহক তৈরি করে ভোগান্তি না বাড়ে। আমাদের দেখার বিষয় ছিল, তারা কী কী অবকাঠামোগত উন্নয়ন করছে। আজকে যেটা দেখেছি, সেটা মোটামুটি সন্তোষজনক।’
পরিচালনা পরিষদঃ ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: আরিফুল ইসলাম সাব্বির নির্বাহী সম্পাদক: রেদোয়ান হাসান বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ রফিক কমপ্লেক্স (২য় তলা), ৬৪/১, শিমুলতলা, সিআরপি রোড, সাভার, ঢাকা-১৩৪০ ফোন: ০১৫৭৬৪৬২৭০১ ই-মেইল: ajkerpost.news@gmail.com
Copyright © 2026 Ajkerpost. All rights reserved.