বৃহস্পতিবার, ২৫ জুলাই ২০২৪, ০৪:৫৪ অপরাহ্ন

গণমাধ্যমে দুঃখ প্রকাশ করায় সরকারি তহবিল থেকে বঞ্চিত করলো ইউপি সদস্য

গোলাম মাওলা,কাঁঠালিয়া (ঝালকাঠি) প্রতিনিধি
  • সর্বশেষ আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩
  • ৫৪২ বার পড়া হয়েছে /
বা থেকে ভুক্তভোগী বিউটি বেগম ও মহিলা ইউপি সদস্য সাথী ইসলাম

বহু চেষ্টা করেও যারা টেকসই আবাস গড়ে তুলতে পারে না, তাদের সীমাহীন কষ্ট সহ্য করতে হয়। প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় এসব মানুষকে পোহাতে হয় অবর্ণনীয় দূর্ভোগ। দেশের সরকার এমন হতদরিদ্রদের পাশে সব সময়ই থাকে। তবে সেই বিষয় গুলোকে কিছু অসাধু ইউপি সদস্যরা বিতর্কের দিকে ঠেলে দেয়।ঝালকাঠির কাঁঠালিয়া উপজেলা আওরাবুনিয়া ইউনিয়নের একটি প্রকল্পে অসহায় ও গৃহহীন এক পরিবার ঘর না পাওয়ায় সে কথা জানায় গণমাধ্যমে। বাধ সাদে সেখানে।গণমাধ্যমে কথা বলায় ইউপি সদস্য সাথী ইসলাম বিউটি বেগমকে সরকারি তহবিল থেকে বাদ করে দেন।ভুক্তভোগী বিউটি বেগম মুন্সিরাবাদ খান বাড়ির মৃত গহুর খানের স্ত্রী।এ বিষয়ে বিউটি বেগম বলেন, আমার জমি রয়েছে কিন্তু ঘর উঠানোর মতন সামর্থ্য নেই।আমি একবার এ বিষয় গণমাধ্যমে দুঃখ প্রকাশ করি। কারন আমাকে শুধু ১০ কেজি করে চাল দেয়া হয়। এখন অব্দি আর কোন কিছু পাইনি। এরপর আবারও মহিলা ইউপি সদস্য সাথী ইসলামের কাছে গিয়েছিলাম ঘর তুলে দেয়ার জন্য। কিন্তু তিনি আমাকে বলেন,‘সাংবাদিকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছেন তাহলে এখন তাদেরকেই বলেন ঘর তুলে দিতে’। এরপর কথা না বাড়িয়ে ইউনিয়ন চেয়ারম্যানের বরাবর ৩০ কেজি চালের জন্য দরখাস্ত করি।তিনি আরও বলেন, আমি গরিব মানুষ আমি কি সরকারি তহবিল পেতে পারি না নাকি গরিবরা কোন কিছু পাবে না। আমি গণমাধ্যমে কথা বলেছি তো কি এমন অপরাধ করেছি!আজকের পোস্টের প্রতিনিধি এ বিষয়ে সাথী ইসলামের সাথে কথা বললে তিনি পুরোপুরি অস্বীকার করে বলেন, আমি এই কথা বলিনি, আমি বলেছি আপনাকে আমি অনেক কিছু দিয়েছি এগুলো বললেন না কেন। রাস্তার কাজ, কাপড়, ১০ কেজি চাল এরপরও আপনি বলেন কিছু দেইনি।এ বিষয়ে ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মো মিঠু শিকদার বলেন, কিছু দরখাস্ত আমার দেখার বাকি আছে আমি দেখে তারপর ব্যবস্থা নিব।

আরো পড়ুন

এস এন্ড এফ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

Developer Design Host BD