বুধবার, ২৪ জুলাই ২০২৪, ০৯:২৫ পূর্বাহ্ন

আরো ৮ দিন অপরিবর্তনীয় থাকবে তাপপ্রবাহ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট : শুক্রবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৩
  • ১০৮ বার পড়া হয়েছে /

আজ গরম আরও বাড়তে পারে। বর্তমানে মৃদু থেকে মাঝারি পর্যায়ের তাপপ্রবাহ আছে। এটা সর্বোচ্চ মাঝারি পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে। পাশাপাশি গরমের এই ঊর্ধ্বমুখী পরিস্থিতি ২১ এপ্রিল পর্যন্ত একইরকম বিরাজ করতে পারে।আবহাওয়া অধিদপ্তরের এক সূত্র থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

বিএমডির আবহাওয়াবিদ মো. ওমর ফারুক বলেন, এবার বাতাসে আর্দ্রতা স্বাভাবিকের তুলনায় ৩০ শতাংশ কম। গতকাল বৃহস্পতিবার (১৩ এপ্রিল) সন্ধ্যায় ঢাকার বাতাসের আর্দ্রতা ছিল মাত্র ২২ শতাংশ। বুধবার এটা ছিল ৫৩ শতাংশ। অথচ এই সময় এটা ৭০ থেকে ৮৫ শতাংশ পর্যন্ত হয়ে থাকে।

কিন্তু তাপপ্রবাহ শুরুর পর থেকে আর্দ্রতার পরিমাণ কমে গেছে। বাতাসে জলীয় বাষ্প খুবই কম। এর ফলে ঠোঁট ফাটা আর শরীর জ্বলার সমস্যা দেখা দিচ্ছে। সংস্থাটি জানায়, বৃহস্পতিবারও দেশের ৭ বিভাগ-রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যায়। শুধু রংপুর বিভাগের ৮ জেলায় তাপমাত্রা ছিল তাপপ্রবাহের নিচে।

বিএমডি দেশের ৪২ স্টেশনে তাপমাত্রা পরিমাপের তথ্য প্রকাশ করে থাকে। বৃহস্পতিবার রাতে প্রকাশিত বুলেটিনে দেখা যায়, উল্লিখিত কোনো স্টেশনেই বৃষ্টিপাতের রেকর্ড নেই। আগামী তিন দিন এমনই বৃষ্টিশূন্য থাকতে পারে দেশ। ১৭ এপ্রিল দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চল বা সিলেট-ময়মনসিংহের দিকে সামান্য বৃষ্টি হতে পারে। কিন্তু অর্থপূর্ণ বৃষ্টির দেখা মিলতে পারে ঈদের পর ২৪ এপ্রিলের দিকে। কিন্তু তা কালবৈশাখি আকারে আসতে পারে। তবু সেই বৃষ্টি প্রাণ-প্রকৃতিকে শীতল করতে পারে।

আবহাওয়াবিদ মো. ওমর ফারুক মনে করেন, বর্তমান এই পরিস্থিতির জন্য সবচেয়ে বড় দায় পশ্চিমা লঘুচাপের। এর প্রভাবে ভারতের রাজস্থানের মরুভূমি থেকে তপ্ত বায়ু ধেয়ে আসছে। তা সাধারণত বিহার পর্যন্ত বিস্তৃত থাকে। কিন্তু ওই লু হাওয়ার ঝাপটা পশ্চিমবঙ্গ হয়ে বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল ও পশ্চিমাঞ্চলকেও উষ্ণ করে তোলে। সেই বায়ু বিস্তার লাভ করেছে বাংলাদেশের অন্তত ৭টি বিভাগে।
কিন্তু তাপপ্রবাহ শুরুর পর থেকে আর্দ্রতার পরিমাণ কমে গেছে। বাতাসে জলীয় বাষ্প খুবই কম। এর ফলে ঠোঁট ফাটা আর শরীর জ্বলার সমস্যা দেখা দিচ্ছে। সংস্থাটি জানায়, বৃহস্পতিবারও দেশের ৭ বিভাগ-রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যায়। শুধু রংপুর বিভাগের ৮ জেলায় তাপমাত্রা ছিল তাপপ্রবাহের নিচে।

বিএমডি দেশের ৪২ স্টেশনে তাপমাত্রা পরিমাপের তথ্য প্রকাশ করে থাকে। বৃহস্পতিবার রাতে প্রকাশিত বুলেটিনে দেখা যায়, উল্লিখিত কোনো স্টেশনেই বৃষ্টিপাতের রেকর্ড নেই। আগামী তিন দিন এমনই বৃষ্টিশূন্য থাকতে পারে দেশ। ১৭ এপ্রিল দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চল বা সিলেট-ময়মনসিংহের দিকে সামান্য বৃষ্টি হতে পারে। কিন্তু অর্থপূর্ণ বৃষ্টির দেখা মিলতে পারে ঈদের পর ২৪ এপ্রিলের দিকে। কিন্তু তা কালবৈশাখি আকারে আসতে পারে। তবু সেই বৃষ্টি প্রাণ-প্রকৃতিকে শীতল করতে পারে।

আবহাওয়াবিদ মো. ওমর ফারুক মনে করেন, বর্তমান এই পরিস্থিতির জন্য সবচেয়ে বড় দায় পশ্চিমা লঘুচাপের। এর প্রভাবে ভারতের রাজস্থানের মরুভূমি থেকে তপ্ত বায়ু ধেয়ে আসছে। তা সাধারণত বিহার পর্যন্ত বিস্তৃত থাকে। কিন্তু ওই লু হাওয়ার ঝাপটা পশ্চিমবঙ্গ হয়ে বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল ও পশ্চিমাঞ্চলকেও উষ্ণ করে তোলে। সেই বায়ু বিস্তার লাভ করেছে বাংলাদেশের অন্তত ৭টি বিভাগে।তবে বৃষ্টির দেখা মিললে স্বস্তি মিলত। কিন্তু বৃষ্টিশূন্যতা এ তাপপ্রবাহকে আরও প্রভাবিত করেছে। দেশের বেশিরভাগ স্টেশনে তাপমাত্রা আজ আরও বাড়তে পারে। সাধারণত কোনো এলাকার তাপমাত্রা ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস পার হলে সেখানে মৃদু তাপপ্রবাহ শুরু হয়। এটি ৩৮ ডিগ্রি পার হলে তা পরিণত হয় মাঝারি তাপপ্রবাহে। আর ৪০ ডিগ্রি পার হলে সেটাকে তীব্র তাপপ্রবাহ বলা হয়। যদি ৪২ ডিগ্রি পার হয়, সেটা অতি তীব্র তাপপ্রবাহে রূপ নেয়।

গতকাল বৃহস্পতিবার মার্কিন আবহাওয়া চ্যানেল ‘দ্য ওয়েদার চ্যানেল’র ১০ দিনের এক পূর্বাভাসে দেখা যায়, দেশের বিভিন্ন স্থানে আজ তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস থাকতে পারে। কিন্তু ঢাকায় পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটতে পারে। আজ তাপমাত্রা ৪১ ডিগ্রিতে পৌঁছাতে পারে।এই অবস্থা ঢাকায় ১৬ এপ্রিল পর্যন্ত থাকতে পারে। ১৭ এপ্রিল তাপমাত্রা ১ ডিগ্রি কমে ৪০ ডিগ্রি হলেও তা ১৮ থেকে ২০ এপ্রিল ফের ৪১ ডিগ্রি সেলসিয়াস হবে। ২১ এপ্রিল ফের ৪০ ডিগ্রিতে তাপমাত্রা নামতে পারে। এরপর অবশ্য ২৭ এপ্রিল পর্যন্ত তাপমাত্রা নিম্নমুখী থাকতে পারে। ২৩ এপ্রিল থেকে ঝড়ো হাওয়াসহ কালবৈশাখি বয়ে যেতে পারে।

আবহাওয়া বিজ্ঞানীরা মনে করেন, এপ্রিল বাংলাদেশের উষ্ণতম মাসগুলোর একটি। খরতাপে প্রকৃতি পাগলা হাতির মতো নেচে উঠবে-এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু এর মধ্যেও কখনো স্বস্তির বৃষ্টি হবে। এতে শান্তি আর স্বস্তি খুঁজে পাবে মানুষ। কিন্তু দেশের বিভিন্ন অঞ্চল টানা গরমে পুড়ছে। আবহাওয়া বিভাগের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশের ৫৬ জেলার উপর দিয়ে মৃদু থেকে তীব্র তাপপ্রবাহ বইছে।

আরো পড়ুন

এস এন্ড এফ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

Developer Design Host BD