মঙ্গলবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৪, ০১:২১ অপরাহ্ন

যুক্তরাষ্ট্রকে ভারতের বার্তা প্রসঙ্গে যা বললেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ন্যাশনাল ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট : রবিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৩
  • ১০৮ বার পড়া হয়েছে / ইপেপার / প্রিন্ট ইপেপার / প্রিন্ট

‘বাংলাদেশে শেখ হাসিনা সরকার দুর্বল হলে ভারত এবং আমেরিকা কারো পক্ষেই সুখকর হবে না’- ওয়াশিংটনকে নয়াদিল্লির এমন বার্তা দেওয়ার খবর ঘিরে আলোচনার মধ্যে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন বলেছেন, ভারত সরকার অত্যন্ত পরিপক্ব সরকার। ভারত যদি আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য কিছু বলে থাকে, নিশ্চয় তা এ অঞ্চলের উপকারে আসবে।

রোববার ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ নিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণাল‌য় আয়ো‌জিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তারা (ভারত) একটা শক্তিশালী গণতান্ত্রিক দেশ। তারা যেটা ভালো মনে করেছে, সেটাই করেছে। এটা সম্পর্কে কোনো কিছু বলার নেই।

ওয়াশিংটনকে দিল্লির বার্তা নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ভারতের প্রভাবশালী গণমাধ্যম আনন্দবাজার পত্রিকা। প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশে শেখ হাসিনা সরকার দুর্বল হলে তা ভারত এবং আমেরিকা কারো পক্ষেই সুখকর হবে না বলে মনে করে নয়াদিল্লি। কূটনৈতিক সূত্রের খবর, একাধিক স্তরের বৈঠকে নয়াদিল্লি এ কথা জানিয়েছে বাইডেন প্রশাসনকে। বাংলাদেশের আসন্ন নির্বাচন নিয়ে আমেরিকার বর্তমান ভূমিকায় ভারত যে খুশি নয়, ওয়াশিংটনকে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে সেই বার্তাও।

এ ছাড়া ভারত শেখ হাসিনার পক্ষ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে বার্তা দিয়েছে বলে খবর প্রকাশ করেছে জার্মান সম্প্রচারমাধ্যম ডয়চে ভেলে। তাদের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রকে দেওয়া বার্তায় ভারত বলেছে- বাংলাদেশে শেখ হাসিনার সরকার দুর্বল হয়ে পড়লে ভূরাজনৈতিক দিক থেকে তা ভারত ও যুক্তরাষ্ট্র কারও পক্ষেই সুখকর হবে না। কারণ শেখ হাসিনার সরকার দুর্বল হয়ে পড়লে জামায়াতে ইসলামীর মতো সংগঠনের ক্ষমতা বাড়বে বলে মনে করে ভারত। যুক্তরাষ্ট্র জামায়াতকে একটি রাজনৈতিক সংগঠন হিসেবে দেখে। মুসলিম ব্রাদারহুডের সঙ্গে তুলনা করে। কিন্তু ভারত মনে করে, জামায়াত একটি উগ্র মৌলবাদী সংগঠন। ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের দীর্ঘ স্থলসীমান্ত আছে। বাংলাদেশে জামায়াতের মতো সংগঠন শক্তিশালী হলে ভারতের সীমান্ত নিরাপত্তা সমস্যার মুখে পড়বে। জামায়াতের মতো সংগঠনের সঙ্গে পাকিস্তানের নিবিড় যোগ আছে বলেই মনে করে ভারত।

এই খবরের প্রতিক্রিয়ায় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বাংলাদেশের মানুষের ইচ্ছার বিরুদ্ধে যদি ভারত কোনো পদক্ষেপ নেয়, সেটা হবে অত্যন্ত দুঃখজনক।

বার্তার বিষয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আঞ্চলিক রাজনীতির বিষয়ে এই ভূখণ্ডে ভারত ও আমেরিকার অভিন্ন স্বার্থ রয়েছে। তাই ভারত আমেরিকাকে কিছু বললে তারা তাদের স্বার্থে বলেছে।

আরো পড়ুন

এস এন্ড এফ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

Developer Design Host BD