
চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলা-র নোয়াপাড়া ইউনিয়ন-এ অবস্থিত এক রাজনৈতিক কর্মীর বাড়ি থেকে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন র্যাব। বৃহস্পতিবার অভিযান চালিয়ে ১১টি বন্দুক, ২৭টি দেশি ধারালো অস্ত্র, ৮টি ক্রিকেট স্টাম্প এবং ১৫টি কার্তুজসহ বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার করেছে। অভিযানে একজন বিএনপি কর্মীসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার নোয়াপাড়া ইউনিয়নের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান খায়েজ আহমদ-এর ছেলে ও বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান (পদ স্থগিত) গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরীরের অনুসারী হিসেবে পরিচিত মুহাম্মদ কামাল (৫০) নামে ওই ইউনিয়নের এক কর্মীর বাড়িতে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত র্যাব অভিযান চালায়। অভিযানে কামাল ছাড়াও তাঁর চাচাতো ভাই মুহাম্মদ সোহেল (৪৮) ও পরিবারের এক কিশোর সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
র্যাব জানায়, অভিযানে বাড়ির আঙ্গিনা, পুকুরপাড় ও আলমারি থেকে গাঁজা ও বিদেশি মদের পাশাপাশি বিপুল পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত অস্ত্রের তালিকায় রয়েছে ১১টি বন্দুক, ২৭টি দেশি ধারালো অস্ত্র, ৮টি ক্রিকেট স্টাম্প ও ১৫টি কার্তুজ।
র্যাব-৭ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. হাফিজুর রহমান বলেন, “সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে আজ সকাল থেকে অভিযান চালিয়ে এসব অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার তিনজনকে থানার মাধ্যমে আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।”
উল্লেখ্য, কামালের বিরুদ্ধে এলাকায় মারামারি ও চাঁদাবাজির তিনটি মামলা রয়েছে এবং গত বছর ৫ আগস্টের পর তিনি রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় হয়েছেন বলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সূত্রে জানা গেছে। অন্যদিকে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিদের পরিবারের দাবি, “তারা কোনো সন্ত্রাসী কার্যক্রমে জড়িত নন; ৫ আগস্টের পর নোয়াপাড়ায় চাঁদাবাজি ও মারামারির বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকার কারণে একটি পক্ষ ষড়যন্ত্র করছে”।