শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬, ০৩:৪০ পূর্বাহ্ন

শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট : সোমবার, ১৭ নভেম্বর, ২০২৫
  • ১৩ বার পড়া হয়েছে /
শেখ হাসিনাকে ফাঁসির আদেশ গত বছর জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত। এই মামলার আরেক আসামি সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকেও মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছে। আর রাজসাক্ষী সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুনের ৫ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। সোমবার (১৭ নভেম্বর) বিচারপতি গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এই রায় ঘোষণা করেন। এই ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী। ৪৫৩ পৃষ্ঠার এই রায়ের মোট ৬টি অংশ রয়েছে। রায়ে শেখ হাসিনা এবং আসাদুজ্জামান কামালের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে জুলাই শহীদদের দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। রায়ে বলা হয়-শেখ হাসিনা, আসাদুজ্জামান কামাল এবং চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুনের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধ প্রমাণিত হয়েছে। আদালত বলেন, চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুনের অপরাধ সর্বোচ্চ সাজার যোগ্য। শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান কামালের পালিয়ে যাওয়াও অপরাধের প্রমাণ বহন করে। এদিকে, পলাতক অবস্থায় এই রায়ের আপিল করতে পারবেন না শেখ হাসিনাসহ আসামিরা। ব্রিফিংয়ে প্রসিকিউটর গাজী মোনাওয়ার বলেন, শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামানের সাজা হলে তারা আপিল করতে পারবেন না। এর কারণ তারা পলাতক। ট্রাইব্যুনাল আইনে পরিষ্কার বলা আছে, রায় দেয়ার ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করতে হবে। তবে আপিলের সুযোগ নিতে হলে সাজাপ্রাপ্ত আসামিকে আত্মসমর্পণ করতে হয়। অথবা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যদি গ্রেফতার করতে পারে, তাহলেও আপিলের সুযোগ পান আসামি।
শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ড

গত বছর জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত। এই মামলার আরেক আসামি সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকেও মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছে। আর রাজসাক্ষী সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুনের ৫ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।

সোমবার (১৭ নভেম্বর) বিচারপতি গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রইব্যুনাল-১ এই রায় ঘোষণা করেন। এই ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী। ৪৫৩ পৃষ্ঠার এই রায়ের মোট ৬টি অংশ রয়েছে।

রায়ে শেখ হাসিনা এবং আসাদুজ্জামান কামালের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে জুলাই শহীদদের দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। রায়ে বলা হয়-শেখ হাসিনা, আসাদুজ্জামান কামাল এবং চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুনের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধ প্রমাণিত হয়েছে। আদালত বলেন, চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুনের অপরাধ সর্বোচ্চ সাজার যোগ্য। শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান কামালের পালিয়ে যাওয়াও অপরাধের প্রমাণ বহন করে।

এদিকে, পলাতক অবস্থায় এই রায়ের আপিল করতে পারবেন না শেখ হাসিনাসহ আসামিরা। ব্রিফিংয়ে প্রসিকিউটর গাজী মোনাওয়ার বলেন, শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামানের সাজা হলে তারা আপিল করতে পারবেন না। এর কারণ তারা পলাতক। ট্রাইব্যুনাল আইনে পরিষ্কার বলা আছে, রায় দেয়ার ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করতে হবে। তবে আপিলের সুযোগ নিতে হলে সাজাপ্রাপ্ত আসামিকে আত্মসমর্পণ করতে হয়। অথবা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যদি গ্রেফতার করতে পারে, তাহলেও আপিলের সুযোগ পান আসামি।

আরো পড়ুন

এস এন্ড এফ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

Developer Design Host BD