সোমবার, ২০ মে ২০২৪, ০৩:২১ অপরাহ্ন

ইভিএমে কারচুপির অভিযোগ তুললেন আওয়ামী লীগ নেতা

নিজস্ব প্রতিবেদক,
  • সর্বশেষ আপডেট : বুধবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২২
  • ১১৬ বার পড়া হয়েছে / ইপেপার / প্রিন্ট ইপেপার / প্রিন্ট

খুব সহজেই ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোট কারচুপির অভিযোগ বিএনপি ও তাদের সমর্থনকারী দলকে প্রায় বলে আসছে। তবে এবার এক আওয়ামী লীগ নেতা ইভিএমে কারচুপির অভিযোগ তুলেছেন।খুলনা জেলা পরিষদ নির্বাচন পরবর্তী গত সোমবার (১৭ অক্টোবর) রাতে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে আনারস প্রতীকের প্রার্থী আওয়ামী লীগ নেতা বিএমএয়ের সভাপতি ডা. শেখ বাহারুল আলম বলেন, ভোটের আগে আচরণবিধি লঙ্ঘন করে ভোটারদের পেশিশক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে ভীত সন্ত্রস্ত করে তোলা হয়েছে। ফলে ভোটারদের জন্য স্বাধীনভাবে ভোট প্রদানের পরিবেশ ছিল না। তিনি আরো বলেন, এই নির্বাচনে প্রচুর অর্থের প্রভূত অপব্যবহারের মাধ্যমে ভোটের পরিবেশকে বিনষ্ট করা হয়েছে। এসব কারণে এই নির্বাচনকে একেবারেই প্রহসন ও রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস হিসেবে অবহিত করলেও অতিরিক্ত হবে না। সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় এতো সমস্যার পরও ভোটারদের প্রয়োগকৃত ভোটাধিকার ও প্রকাশিত ফলাফলের কোনো মিল নেই। ফলে ইভিএম মেশিনের মাধ্যমে সংঘটিত এ নির্বাচন এই বার্তা দিয়ে গেল যে, ইভিএম মেশিন ভোটার ও প্রার্থী কারো জন্যই বিশ্বস্ত নয়।এদিকে এবার ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন ‘ইভিএম’র মাধ্যমে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ভোটগ্রহণ অবশ্যই ত্রুটিপূর্ণ হয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছেন খুলনা জেলার তেরখাদা উপজেলার তিন আওয়ামী লীগ নেতা। খুলনা জেলা পরিষদ নির্বাচনে তেরখাদা উপজেলাধীন ৮নং ওয়ার্ডের সদস্য প্রার্থী ছিলেন তারা। সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডটিতে ভোট পুনঃগণনাসহ বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি তাদের। গত সোমবার সন্ধ্যায় নির্বাচন কমিশন বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন তারা।তারা হলেন- তেরখাদা উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা মো. আলমগীর হোসেন, বারাসাত ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সম্পাদক খান মোহাম্মদ নূর ইসলাম, উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা শেখ আফজাল হোসেন। আফজাল হোসেন উপজেলা আওয়ামী মহিলা লীগের সভানেত্রী আনজু আরার স্বামী।সূত্রে জানা গেছে, খুলনা জেলা পরিষদ নির্বাচনে ৮নং ওয়ার্ডে ৪ জন প্রার্থী ছিলেন। এরমধ্যে ৩ জন নির্বাচন কমিশনের সচিব বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন।লিখিত অভিযোগপত্রে তারা উল্লেখ করেছেন, ‘১৭ই অক্টোবর ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন-ইভিএম’র মাধ্যমে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ভোটগ্রহণ অবশ্যই ত্রুটিপূর্ণ হয়েছে। এ অবস্থায় তেরখাদা উপজেলাধীন জেলা পরিষদের ৮নং ওয়ার্ডের ভোট পুনঃগণনা ও সমগ্র বিষয় বিচার বিভাগীয় তদন্তের আবেদন তাদের।প্রিজাইডিং অফিসার উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত ৮নং ওয়ার্ডে সদস্য পদে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের ভোট গণনা বিবরণীতে দেখা গেছে, ৪৯ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এমডি মফিজ উদ্দিন। এছাড়া আওয়ামী লীগ নেতা মো. আলমগীর হোসেন তালা প্রতীকে ১২টি, খান মোহাম্মদ নূর ইসলাম ঘুড়ি প্রতীকে ৮টি ও শেখ আফজাল হোসেন অটোরিকশা প্রতীকে ১১টি ভোট পেয়েছেন। এ ওয়ার্ডে একজন অনুপস্থিত থাকায় ৮০ জন ভোটার ভোট দিয়েছেন।

আরো পড়ুন

এস এন্ড এফ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

Developer Design Host BD