
বিএনপি গণতন্ত্রকে ধ্বংস করেছে, আওয়ামী লীগ তা মেরামত করছে বলে মন্তব্য করেছেন দলটির সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।আজ সোমবার (১৯ ডিসেম্বর) সকালে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশনে আওয়ামী লীগের জাতীয় কাউন্সিল উপলক্ষে স্বেচ্ছাসেবক ও শৃঙ্খলা উপকমিটির প্রস্তুতি সভায় তিনি এসব কথা বলেন।ওবায়দুল কাদের বলেন,বঙ্গবন্ধুকে বাদ দিয়ে বিজয় কল্পনাও করা যায় না। জাতির সর্বশ্রেষ্ঠ বীর, যার নামে বাংলাদেশের ইতিহাসের দরজা খুলে যায় তিনি বঙ্গবন্ধু। বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার কাছ থেকে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের অনেক কিছু শেখার আছে।আওয়ামী লীগ আবারো দেশের দায়িত্ব নিতে প্রস্তুত- উল্লেখ করে তিনি বলেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে চাই। শৃঙ্খলা না থাকলে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব না। তাই স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে শৃঙ্খলা রাখতে হবে।আওয়ামী লীগের সম্মেলন প্রসঙ্গে দলের সাধারণ সম্পাদক বলেন, সম্মেলন সাদামাটা হলেও নেতাকর্মী কমবে না। সম্মেলনে নেতাকর্মীদের ঢল নামবে। দেশের মানুষ কষ্ট আছে ভেবেই এবার সম্মেলনে সাজসজ্জা করা হয়নি।তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা দেশের মানুষকে নিয়ে ভাবেন। দেশের মানুষের কথা ভেবেই এবারের সম্মেলনে সাদামাটা করা হচ্ছে।বিএনপির সমালোচনা করে ওবায়দুল কাদের বলেন, যারা রাষ্ট্রকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গেছে তারা কী করে দেশের মেরামত করে। দেশ মেরামত করেছেন শেখ হাসিনা। বিএনপির আমল থেকে এখন সব কিছু ভালো আছে। দেশের মধ্যে যা মেরামত, তা আওয়ামী লীগইতিনি বলেন, বাংলাদেশে জোটের কোনো অভাব নেই। বাম-প্রগতি আর প্রতিক্রিয়াশীল, সবার লক্ষ্য শেখ হাসিনাকে হটানো।আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য এবং স্বেচ্ছাসেবক ও শৃঙ্খলা উপকমিটির আহ্বায়ক আবুল হাসনাত আবদুল্লাহর সভাপতিত্বে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন- দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য অ্যাড. জাহাঙ্গীর কবির নানক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জি. আব্দুস সবুর, যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামশ পরশ, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মেসবাহুল হক সাচ্চু, সাধারণ সম্পাদক আফজালুর রহমান প্রমুখ।প্রসঙ্গত, আগামী ২৪ ডিসেম্বর (শনিবার) রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আওয়ামী লীগের ২২তম জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দার কথা বিবেচনায় রেখে এবারের সম্মেলন জাঁকজমক না করার সিদ্ধান্ত দিয়েছে দলটি।এছাড়া প্রতিবার দুই দিনব্যাপী সম্মেলন হলেও এবার একদিনেই শেষ হবে সব আয়োজন। সকালে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান, বিকেলে কাউন্সিল অধিবেশন এবং সন্ধ্যায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান থাকবে। করছে।