সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:০০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সাভারে বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত সাভারে জিপার ইন্ডাস্ট্রিজের বিরুদ্ধে জমি দখলের অভিযোগ মিষ্টি না খেলেও হতে পারে শিশুর ডায়াবেটিস প্রতারণার মামলায় বিদিশা এরশাদ গ্রেপ্তার ঈদে মিলাদুন্নবীতে ন্যায় ও মানবিকতার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর পাবনায় সাবেক বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগ খালেদা জিয়ার জন্মদিনে ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদলের দোয়া মাহফিল বিরুলিয়ায় লেগুনা থেকে চাঁদাবাজির অভিযোগ, ভোগান্তিতে যাত্রী-শিক্ষার্থীরা ফিরে দেখা ২০২৩: রাজপথে আমান উল্লাহ আমানের লুটিয়ে পড়া ও একটি রক্তাক্ত দিন পাইপ দিয়ে গোলের লড়াই: সাভারে ‘ফুঁ-বল’ উন্মাদনা

অপরিকল্পিত নগরীতে ‘ছোট্ট ঝাঁকুনি’ গভীর সতর্কবার্তা: আজহারি

ডেস্ক রিপোর্ট
  • সর্বশেষ আপডেট : শুক্রবার, ২১ নভেম্বর, ২০২৫
  • ৬৯ বার পড়া হয়েছে /
অপরিকল্পিত নগরীতে 'ছোট্ট ঝাঁকুনি' এক গভীর সতর্কবার্তা: আজহারি নিজস্ব প্রতিবেদক শুক্রবার (২১ নভেম্বর) সকালে অনুভূত হওয়া ভূমিকম্পের ঝাঁকুনিকে ইসলামিক স্কলার মিজানুর রহমান আজহারি 'দয়াময়ের দয়া' এবং গোটা জনপদবাসীর প্রতি একটি 'গভীর সতর্কবার্তা' হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। একই সাথে তিনি অপরিকল্পিত নগরায়ন, ঝুঁকিপূর্ণ ভবন এবং দুর্বল দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার কঠোর সমালোচনা করে মানুষকে আল্লাহর কাছে তওবা করে ফিরে আসার আহ্বান জানিয়েছেন। মিজানুর রহমান আজহারি তার ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক দীর্ঘ স্ট্যাটাসে এই প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন। ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে তিনি লেখেন, "সকালের ভূমিকম্পে যখন আমাদের বিল্ডিংটা দুলছে, তখন কিছু মূহূর্তের জন্য একেবারে স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিলাম। আতঙ্কে বুকটা কাঁপছিলো।" তিনি সতর্ক করে বলেন, যদি 'আর কয়েকটা ঝাঁকুনি দিতো', তবে ঢাকায় আজকে 'লাশের মিছিল' হতো এবং গোটা শহর 'নিস্তব্ধ এক গোরস্থানে' পরিণত হতে পারত। আজহারি লিখেছেন, "দয়াময় এই যাত্রায় আমাদের রক্ষা করেছেন। প্রভু হে, তুমি বড়ই মেহেরবান!" বাংলাদেশের নগরায়নের ত্রুটি তুলে ধরে তিনি বলেন, এমন অপরিকল্পিত নগরী।সারি সারি ঝুঁকিপূর্ণ ভবন,দূর্বল ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট। তিনি দৃঢ়ভাবে বলেন, "আল্লাহর দয়া ছাড়া বাঁচার কোনো উপায় আমাদের নাই।" এই দুর্যোগকে তিনি শুধুমাত্র প্রাকৃতিক ঘটনা হিসেবে না দেখে এটিকে স্রষ্টার পক্ষ থেকে মানুষের প্রতি একটি 'রিমাইন্ডার' হিসেবে দেখছেন। তিনি লিখেছেন,"গোটা জনপদবাসীকে সামান্য এক ঝাঁকুনি দিয়ে আল্লাহ রিমাইন্ডার দিচ্ছেন। বোঝাতে চাচ্ছেন— বাড়াবাড়ি সীমালঙ্ঘন যা-ই করো না কেন, নাটাই কিন্তু আমার হাতে।" — ফেসবুক স্টাটাসে আরও বুঝিয়েছেন, ভূমিকম্প আমাদের অহংকার মাটির সাথে মিশিয়ে দিতে এবং আমাদের অক্ষমতা দেখিয়ে দিতে আসে। তিনি বলেন, এর মাধ্যমে প্রমাণ হয়, "মহাশক্তিধর, মহাপ্রতাপশালী রাজাধিরাজ আল্লাহর সামনে আমরা কতোটা অসহায় আর নিরুপায়।" আজহারি জীবনের ক্ষণস্থায়ীত্ব নিয়ে গভীর প্রশ্ন তোলেন। তিনি উল্লেখ করেন, জুমার দিনের কতো পরিকল্পনা নিয়ে কিছু লোক ঘর থেকে বেরিয়েছিল, কিন্তু এখন তারা 'না ফেরার দেশে'। তিনি বলেন, "মৃত্যু কি আমাদের জীবনের পরিকল্পনায় থাকে?" জীবনের পরিকল্পনা করার সময় আমরা মৃত্যুকে স্মরণ রাখি না, অথচ মৃত্যুর নির্ধারিত সময় এলে সব ব্যস্ততাই শেষ হয়ে যাবে। আজহারির বলেন, যেহেতু কার মৃত্যু কখন আসবে তা কেউ জানে না, তাই আমাদের উচিত সর্বদা প্রস্তুত থাকা। তওবা করে রবের কাছে ফিরে আসা। একনিষ্ঠভাবে তাঁরই কাছে সমর্পিত হওয়া। শেষে, এই জাগতিক ভূমিকম্পকে কিয়ামত দিবসের 'আসল ভূমিকম্পের' একটি ছোট নমুনা হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি। তিনি পবিত্র কুরআনের সূরা আল-ওয়াকিয়াহ'র ৪-৬ নং আয়াত উদ্ধৃত করেন লেখায়: "যখন জমীন প্রকম্পিত হবে প্রবল প্রকম্পনে। আর পর্বতমালা চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে পড়বে। অত:পর তা বিক্ষিপ্ত ধূলিকণায় পরিণত হবে।" — [সূরা আল ওয়াকিয়াহ, ৪-৬] ফেসবুক স্টাটাসের লিংক-
মিজানুর রহমান আজহারি। ফাইল ছবি

শুক্রবার (২১ নভেম্বর) সকালে অনুভূত হওয়া ভূমিকম্পের ঝাঁকুনিকে ইসলামী চিন্তাবিদ মিজানুর রহমান আজহারি ‘দয়াময়ের দয়া’ এবং গোটা জনপদবাসীর প্রতি একটি ‘গভীর সতর্কবার্তা’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। একই সাথে তিনি অপরিকল্পিত নগরায়ন, ঝুঁকিপূর্ণ ভবন এবং দুর্বল দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার কঠোর সমালোচনা করে মানুষকে আল্লাহর কাছে তওবা করে ফিরে আসার আহ্বান জানিয়েছেন।

মিজানুর রহমান আজহারি তার ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক দীর্ঘ স্ট্যাটাসে এই প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন।

ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে তিনি লেখেন, “সকালের ভূমিকম্পে যখন আমাদের বিল্ডিংটা দুলছে, তখন কিছু মূহূর্তের জন্য একেবারে স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিলাম। আতঙ্কে বুকটা কাঁপছিলো।” তিনি সতর্ক করে বলেন, যদি ‘আর কয়েকটা ঝাঁকুনি দিতো’, তবে ঢাকায় আজকে ‘লাশের মিছিল’ হতো এবং গোটা শহর ‘নিস্তব্ধ এক গোরস্থানে’ পরিণত হতে পারত।

আজহারি লিখেছেন, “দয়াময় এই যাত্রায় আমাদের রক্ষা করেছেন। প্রভু হে, তুমি বড়ই মেহেরবান!”

বাংলাদেশের নগরায়নের ত্রুটি তুলে ধরে তিনি বলেন, এমন অপরিকল্পিত নগরী।সারি সারি ঝুঁকিপূর্ণ ভবন,দূর্বল ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট। তিনি দৃঢ়ভাবে বলেন, “আল্লাহর দয়া ছাড়া বাঁচার কোনো উপায় আমাদের নাই।”

এই দুর্যোগকে তিনি শুধুমাত্র প্রাকৃতিক ঘটনা হিসেবে না দেখে এটিকে স্রষ্টার পক্ষ থেকে মানুষের প্রতি একটি ‘রিমাইন্ডার’ হিসেবে দেখছেন। তিনি লিখেছেন,”গোটা জনপদবাসীকে সামান্য এক ঝাঁকুনি দিয়ে আল্লাহ রিমাইন্ডার দিচ্ছেন। বোঝাতে চাচ্ছেন— বাড়াবাড়ি সীমালঙ্ঘন যা-ই করো না কেন, নাটাই কিন্তু আমার হাতে।” —

ফেসবুক স্টাটাসে আরও বুঝিয়েছেন, ভূমিকম্প আমাদের অহংকার মাটির সাথে মিশিয়ে দিতে এবং আমাদের অক্ষমতা দেখিয়ে দিতে আসে। তিনি বলেন, এর মাধ্যমে প্রমাণ হয়, “মহাশক্তিধর, মহাপ্রতাপশালী রাজাধিরাজ আল্লাহর সামনে আমরা কতোটা অসহায় আর নিরুপায়।”

আজহারি জীবনের ক্ষণস্থায়ীত্ব নিয়ে গভীর প্রশ্ন তোলেন। তিনি উল্লেখ করেন, জুমার দিনের কতো পরিকল্পনা নিয়ে কিছু লোক ঘর থেকে বেরিয়েছিল, কিন্তু এখন তারা ‘না ফেরার দেশে’।

তিনি বলেন, “মৃত্যু কি আমাদের জীবনের পরিকল্পনায় থাকে?” জীবনের পরিকল্পনা করার সময় আমরা মৃত্যুকে স্মরণ রাখি না, অথচ মৃত্যুর নির্ধারিত সময় এলে সব ব্যস্ততাই শেষ হয়ে যাবে।

আজহারির বলেন, যেহেতু কার মৃত্যু কখন আসবে তা কেউ জানে না, তাই আমাদের উচিত সর্বদা প্রস্তুত থাকা। তওবা করে রবের কাছে ফিরে আসা। একনিষ্ঠভাবে তাঁরই কাছে সমর্পিত হওয়া।

শেষে, এই জাগতিক ভূমিকম্পকে কিয়ামত দিবসের ‘আসল ভূমিকম্পের’ একটি ছোট নমুনা হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি। এরপর লেখায় জুড়ে দিলেন পবিত্র কুরআনের সূরা আল-ওয়াকিয়াহ’র ৪-৬ নং আয়াত উদ্ধৃত করেন লেখায়:

“যখন জমীন প্রকম্পিত হবে প্রবল প্রকম্পনে। আর পর্বতমালা চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে পড়বে। অত:পর তা বিক্ষিপ্ত ধূলিকণায় পরিণত হবে।”

— [সূরা আল ওয়াকিয়াহ, ৪-৬]

আরো পড়ুন

এস এন্ড এফ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

Developer Design Host BD