শনিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৫, ০২:৩৭ অপরাহ্ন
‘ব্লিস আর্ট লাউঞ্জ’ বারে মারধরের ঘটনায় ব্যবসায়ীর মৃত্যু

‘ব্লিস আর্ট লাউঞ্জ’ বারে মারধরের ঘটনায় ব্যবসায়ীর মৃত্যু

‘ব্লিস আর্ট লাউঞ্জ’ বারে মারধরের ঘটনায় ব্যবসায়ীর মৃত্‘ব্লিস আর্ট লাউঞ্জ’ বারে মারধরের ঘটনায় ব্যবসায়ীর মৃত্যু গুলশানের একটি অভিজাত বারে মারধরের ঘটনায় দবিরুল ইসলাম (৫১) নামের এক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। এ বিস্তারিত
পরে তাকে উদ্ধার করে নরসিংদী সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখান থেকে ঢাকার রাজারবাগ পুলিশ হাসপাতালে পাঠানো হয়। আহত আনোয়ার বলেন, সকালে নরসিংদী পৌর শহরে নিহমিত টহল চলছিল। আমি আরশিনগর এলাকা ক্রস করছিলাম। ওই সময় দুজন লোক যানবাহন থেকে টাকা তুলছিল। আমি তাদেরকে জিজ্ঞেস করলাম কিসের টাকা তোলা হচ্ছে। টাকা তুলতে তো হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা আছে বলে জানালাম। এরই মধ্যে ৩০/৩৫ জন লোক অতর্কিতভাবে আমার ওপর হামলা চালায়। তারা আমাকে কিল-ঘুষি মারা শুরু করে। পরে আমাকে লাঠি দিয়ে মাথায় আঘাত করে। আমি সঙ্গে সঙ্গে অচেতন হয়ে পড়ে যাই। পরে সঙ্গে থাকা পুলিশ সদস্যরা আমাকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে নিয়ে আসে। আমি চোখ খুলে দেখি আমি হাসপাতালে। এখানে প্রাথিমিক চিকিৎসা দিয়ে ঢাকার রাজারবাগ পুলিশ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

চাঁদাবাজদের হামলায় সড়কেই ঢলে পড়লেন পুলিশ কর্মকর্তা শামিম

সড়কে চাঁদাবাজির প্রতিবাদ করায় হামলার শিকার হয়েছেন নরসিংদীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আনোয়ার হোসেন। এতে তিনি গুরুতর আহত হয়েছেন। তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছেশনিবার (৪ অক্টোবর) দুপুরে নরসিংদী পৌর শহরের আরশিনগরে এ

বিস্তারিত

সিআইডির ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইমের অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিজ্ঞ সিনিয়র স্পেশাল জজ, মহানগর দায়রা জজ আদালত আজ সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) এ আদেশ প্রদান করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খান। জসীম উদ্দিন খান এক বিজ্ঞপ্তিতে জানান, তৌফিকা করিম সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের বান্ধবী ও সাবেক পিএস। তিনি আইনমন্ত্রীর ক্ষমতার অপব্যবহার করে আদালতে আসামি জামিন, নিয়োগ বাণিজ্য, বদলির তদবিরসহ নানা অপকর্ম করে উপার্জন করেন। উপার্জিত অর্থ দ্বারা ফ্ল্যাট, গাড়ি ও জমি ক্রয় করাসহ বিদেশে অর্থপাচার করে মানিলন্ডারিংয়ের অপরাধ করে মর্মে প্রাথমিকভাবে তথ্য পাওয়া যায়। তার স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নামে পরিচালিত ১১৪টি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট জব্দ করা হয়।

আনিসুল হকের সাবেক পিএস‌ তৌফিকার ৮৭ কোটি টাকা অবরুদ্ধ

সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের সাবেক ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস) তৌফিকা করিম এবং তাদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ১১৪টি ব্যাংক অ্যাকাউন্টের ৮৬ কোটি ৯৮ লাখ ৪০ হাজার ৫৫৬ টাকা ফ্রিজ (অবরুদ্ধ)

বিস্তারিত

কর্মস্থলের নিয়মনীতি লঙ্ঘন এবং শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে ২০০ কর্মীকে চাকরিচ্যুত করেছে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ। একই সঙ্গে ৪ হাজার ৯৭১ জনকে ওএসডি (অন সার্ভিস ডিউটি) করা হয়েছে। ওএসডি হওয়া কর্মীরা বেতন-ভাতা পেলেও আপাতত কোনো দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না। এতে ব্যাংকের অভ্যন্তরে তৈরি হয়েছে নতুন অস্থিরতা। ব্যাংক সংশ্লিষ্ট একাধিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ২০১৭ সালে চট্টগ্রামের প্রভাবশালী ব্যবসায়ী গ্রুপ এস আলম ইসলামী ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর বিপুলসংখ্যক কর্মী সরাসরি সিভি নিয়ে নিয়োগ পান, যেখানে কোনো লিখিত পরীক্ষা হয়নি। নিয়োগপ্রাপ্তদের বড় অংশই ছিলেন চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার বাসিন্দা। ফলে বর্তমানে ব্যাংকের প্রায় অর্ধেক কর্মকর্তা-কর্মচারী ওই অঞ্চল থেকে আগত। একজন সিনিয়র কর্মকর্তা অভিযোগ করে বলেন, “এস আলম গ্রুপের সময়ে অযোগ্য লোকজনকে নিয়োগ দিয়ে ব্যাংকটিকে প্রায় ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেওয়া হয়েছে। এখন আমরা ব্যাংকের স্বার্থে সবাইকে যোগ্যতা যাচাই পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছি।” বাংলাদেশ ব্যাংক এবং হাইকোর্টের নির্দেশনার ভিত্তিতে গত ২৭ সেপ্টেম্বর এই পরীক্ষার আয়োজন করা হয়। পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য ৫,৩৮৫ জন কর্মকর্তাকে বলা হলেও মাত্র ৪১৪ জন অংশ নেন। যারা উপস্থিত হননি, সেই ৪,৯৭১ জনকে পরদিন থেকেই ওএসডি করা হয়। এছাড়া পরীক্ষার আয়োজনকে কেন্দ্র করে বিভ্রান্তি ছড়ানো ও প্রকাশ্যে বিরোধিতা করায় ২০০ কর্মীকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। ওএসডি হওয়া কর্মীদের অভিযোগ, তারা হাইকোর্টে রিট করার পর আদালত নিয়মিত প্রমোশনাল পরীক্ষা চালানোর নির্দেশ দিয়েছিল। কিন্তু ব্যাংক কর্তৃপক্ষ সেই আদেশ অমান্য করে আলাদা যোগ্যতা যাচাই পরীক্ষার আয়োজন করে, যা বেআইনি। তারা পুনরায় আদালতের আশ্রয় নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, “ছাঁটাইয়ের উদ্দেশ্যে এ ধরনের পরীক্ষা দেশে এই প্রথম। সাধারণত পদোন্নতির জন্য ভাইভা নেওয়া হয়, তবে এখানে কর্মীদের মান যাচাইয়ের বিষয়টি নতুন অভিজ্ঞতা।” তিনি আরও বলেন, “ইসলামী ব্যাংক একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান। তাই নিয়োগ বা কর্মী যাচাই তাদের এখতিয়ারভুক্ত বিষয় হলেও তা করতে হবে দেশের প্রচলিত আইন ও নীতিমালার আওতায় থেকে।” ২০১৭ সালে নিয়ন্ত্রণ গ্রহণের পর এস আলম গ্রুপ ইসলামী ব্যাংক থেকে প্রায় ১ লাখ ৩১ হাজার কোটি টাকা তুলে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে ব্যাংকটি গভীর আর্থিক সংকটে পড়ে। ২০২৪ সালের আগস্টে সরকার পরিবর্তনের পর বাংলাদেশ ব্যাংক ইসলামী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদে রদবদল এনে এস আলমের প্রভাব দূর করার পদক্ষেপ নেয়।

২০০ কর্মীকে চাকরিচ্যুত, ৪৯৭১ জনকে ওএসডি করল ইসলামী ব্যাংক

কর্মস্থলের নিয়মনীতি লঙ্ঘন এবং শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে ২০০ কর্মীকে চাকরিচ্যুত করেছে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ। একই সঙ্গে ৪ হাজার ৯৭১ জনকে ওএসডি (অন সার্ভিস ডিউটি) করা হয়েছে। ওএসডি হওয়া কর্মীরা বেতন-ভাতা

বিস্তারিত

ছয় বছরের শিশু তাইয়েবা হারানোর পরও পরিবারের ভয়-উৎকন্ঠা থামছে না। থানায় মামলা তুলে নিতে ও নীরবতা বজায় রাখার জন্য বাদী পরিবারকে দফায় দফায় হুমকি দেওয়া হচ্ছে। মামলার প্রধান আসামি বলে পুলিশ অভিযুক্ত করে থাকা আয়েশা বেগমের পরিবারের লোকজন নিহতের পরিবারকে ভয় দেখাচ্ছে—এ কথা জানান নিহতের পরিবার ও প্রতিবেশিরা। সোমবার সকালে তাইয়েবার মা ডলি আক্তার এসব অভিযোগ তুলেছেন। তাইয়েবা টিটু সরদারের মেয়ে। তিনি ভেদরগঞ্জ উপজেলার সখিপুর থানাধীন ছৈয়ালকান্দি গ্রামের দারুণ নাজাত মাদ্রাসার নার্সারির ছাত্রী ছিলেন। গত বুধবার ওই স্কুলছাত্রী নিখোঁজ হন। বহু খোঁজাখুঁজির পর শুক্রবার প্রতিবেশী মেসবাহউদ্দীন মোল্লার বাড়ির সেপটিক ট্যাংক থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ও তদন্ত সূত্রে পুলিশ বলছে—পারিবারিক বিবাদ ও শত্রুতার জেরে অভিযোগভিত্তিক সন্দেহ করা হচ্ছে আয়েশা বেগমই শিশুটিকে হত্যা করেছেন। পুলিশ ঘটনার পর টিটু সরদারের বাদী হওয়া মামলায় চাচি আয়েশা বেগম, প্রতিবেশী নাসিমা ও রংমিস্ত্রি আসিফকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে যায়। আদালত আয়েশা বেগমের দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। অপরদিকে নিহতের পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, রোববার সকালে বাড়িতে এসে মামলা তুলে নিতে অভিযোগের প্রধান আসামি আয়েশার স্বামী সাহান সরদার, ছেলে আকিব সরদার, ননদ রিনা ও রুমা তাদের চাপ দিচ্ছেন। অভিযোগ অনুযায়ী আকিব ও রিনা বলেছে—“মামলা উঠাইয়া না নিলে তোর পোলারে খাইয়া ফালামু; তোর পোলারে শেষ দেখা দেইখা রাখিস। মাইয়ার তো লাশ পাইছোস, পোলার লাশ খুঁজে পাবি না।” এ ছাড়াও বিচার দাবিতে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদেরও নানা হুমকি দেয়া হয়েছে বলে পরিবার ও প্রতিবেশীরা জানায়। ডলি আক্তার কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “আমার মেয়েকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে। আমি ন্যায়বিচার চাই। কিন্তু এখন উল্টো আমাকে মামলা তুলে নিতে বলা হচ্ছে এবং বলা হচ্ছে আমার আরেক সন্তানকেও মেরে ফেলবে—আমি দিনরাত আতঙ্কে আছি। প্রশাসনের কাছে নিরাপত্তা চাই।” টিটু সরদারও বলেন, “আমরা এখন বাড়ি থেকে বের হতে ভয় পাই। ছেলে অনুভব করছে, স্কুলে ও বাড়ির বাইরে যেতে পারছে না। বিচার চাই—মরে গেলেও মেয়ের হত্যার বিচার চাই।” বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী শুক্রবার সকালে প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন ও পরে সখিপুর থানা ঘেরাও করে আসামিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করে। মানববন্ধনে অংশ নেওয়া দশম শ্রেণীর ছাত্রী লামিয়া জানান, আয়েশার স্বামী সাহান সরদার মানববন্ধনরতদের জানায়—“মানববন্ধন করলে লাশ মিলবে না।” তিনি বলেন, “তারা ভিডিও করে নিয়েছে, বলেছে কাউকে স্কুলে আসতে দেওয়া হবে না—তবুও আমরা আতঙ্কে থাকি না, তাইয়েবার হত্যার বিচার চাই।” প্রতিবেশী আবুল কাশেম মিয়া বলেন, “শিশুহত্যার মতো জঘন্য অপরাধের বিচার না হলে সমাজে ভয়ানক দৃষ্টান্ত তৈরি হবে। যদি বাদীকে এইভাবে হুমকি দেওয়া হয়, তাহলে আর কেউই মামলা করার সাহস পাবে না। প্রশাসন দ্রুত তদন্ত করে ঘটনার মূল আসামিদের গ্রেপ্তার করুক।” তিনি আরও যোগ করেন, হুমকিদাতাদেরও আইনের আওতায় আনা উচিত। সখিপুর থানার ওসি মো. ওবায়দুল হক বলেন, “হত্যাকাণ্ডে জড়িত সকল আসামিকে আইনের আওতায় আনা হবে। বাদী পরিবার যদি হুমকির বিষয়ে লিখিত অভিযোগ দেয়, পুলিশ তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেবে। তাদের নিরাপত্তা দেওয়ার ব্যাপারে পুলিশ প্রস্তুত আছে। হুমকিদাতাদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করা হবে।”

‘মাইয়ার তো লাশ পাইছোস, পোলার লাশ খুঁজে পাবি না’

ছয় বছরের শিশু তাইয়েবা হারানোর পরও পরিবারের ভয়-উৎকন্ঠা থামছে না। থানায় মামলা তুলে নিতে ও নীরবতা বজায় রাখার জন্য বাদী পরিবারকে দফায় দফায় হুমকি দেওয়া হচ্ছে। মামলার প্রধান আসামি বলে

বিস্তারিত

এস এন্ড এফ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

Developer Design Host BD