তুরস্ক এবং সিরিয়ায় আঘাত হানা বিধ্বংসী ভূমিকম্পে মৃত্যুর মিছিল কোথায় গিয়ে থামবে, কারো কাছে এর উত্তর নেই। প্রতিটি মুহূর্ত একটি করে পরিবারের কপালে পড়ছে ভাজ। তাদের আর্তনাদে কাঁদছে পুরো বিশ্ব।
তুরস্ক ও সিরিয়ায় ভয়াবহ ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা পাঁচ হাজার ছাড়িয়েছে। সর্বশেষ তথ্য মতে, দুই দেশে ৫ হাজার ২১ জন মারা গেছেন। তুরস্কে ৩ হাজার ৪১৯ জন আর সিরিয়ায় এক হাজার
শতাব্দীর সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্পের আঘাতে বিধ্বস্ত তুরস্কে ফের আঘাত হেনেছে মাঝারি মাত্রার একটি ভূমিকম্প। দেশটির মধ্যাঞ্চলে আঘাত হানে এটি। মঙ্গলবার (৭ ফেব্রুয়ারি) স্থানীয় সময় ভোর ৩টা ১৩ মিনিটের দিকে ৫
পেরুতে অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতের কারণে ভূমিধসের সৃষ্টি হয়েছে। এতে কমপক্ষে নিহত হয়েছেন ৩৬ জন। গতকাল সোমবার (৬ ফেব্রুয়ারি) দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের চামানা প্রদেশের মিসকি নামক এলাকায় ভূমিধসের ঘটনা ঘটে। বার্তাসংস্থা এপির এক
তুরস্ক-সিরিয়া সীমান্ত অঞ্চলে সোমবার ভোরে ৭ দশমিক ৮ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানার ২২ ঘণ্টা পর ধ্বংসস্তূপ থেকে এক নারীকে উদ্ধার করা হয়েছে। বৈরি আবহাওয়ার মধ্যে উদ্ধারকারী দল রাতভর অভিযান চালিয়েছে।
ভয়াবহ ভূমিকম্পে তছনছ হয়ে গেছে তুরস্কের অন্তত ১০টি শহর। প্রায় দুই হাজারের মতো ভবন ধসে পড়েছে। এখনও ধ্বংসস্তূপে চাপা পড়া লোকজনকে উদ্ধারে অভিযান চলছে। সোমবার ভোরে ৭ দশমিক ৮ মাত্রার
তুরস্কের দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রদেশ খাহরামানমারাসের ভূমিকম্পে দুই বাংলাদেশি নিখোঁজ রয়েছেন। তারা হলেন নূরে আলম ও রিংকু। তারা দুজনই শিক্ষার্থী। তারা যে ভবনে থাকতেন সেটি বিধ্বস্ত হয়েছে। তাদের সঙ্গে কোনও যোগাযোগ করা
স্মরণকালের ভয়াবহ ভূমিকম্পে বিপর্যস্ত তুরস্ক-সিরিয়ায় এখন চলছে শোকের মাতম। সোমবার (৪ ফেব্রুয়ারি) ভোরের দিকে রিখটার স্কেলে ৭ দশমিক ৮ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে তুরস্ক ও সিরিয়ায় মৃতের সংখ্যা ইতোমধ্যে দেড় হাজার
তুরস্কের দক্ষিণাঞ্চল ও সিরিয়ার সীমান্তবর্তী এলাকায় শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে প্রায় ৩ হাজার ৩০০ জনে দাঁড়িয়েছে। তাদের মধ্যে তুরস্কে প্রায় ১৫শ জন এবং সিরিয়ায় ৮১০ জন মারা গেছেন। এ
শক্তিশালী ভূমিকম্পে তুরস্ক ও সিরিয়ায় প্রাণহানির সংখ্যা ১ হাজার ৩০০ জন ছাড়িয়ে গেছে। কেবল তুরস্কেই ৯০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান। বাকিরা সিরিয়ায়