রবিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৬, ১১:০৫ অপরাহ্ন
লীড
বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক বিরাজ করছে তাঁর শৈশবের শহর দিনাজপুরে। এই জেলার বালুবাড়ি এলাকার ‘তৈয়বা ভিলা’তেই কেটেছে তাঁর শিশু ও কৈশোরের সোনালী দিনগুলো। পরিবারের কাছে তিনি ছিলেন আদরের ‘পুতুল’। আজ মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) দেশনেত্রীর মৃত্যুর খবর দিনাজপুরে পৌঁছালে স্মৃতিবিজড়িত সেই বাড়ি ও তাঁর প্রিয় বিদ্যালয়ে শোকের ছায়া নেমে আসে। শৈশবের আঙিনা ‘তৈয়বা ভিলা’ পৌর শহরের বালুবাড়ি এলাকায় বেগম জিয়ার মায়ের নামে নামকরণ করা ‘তৈয়বা ভিলা’ বর্তমানে একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টার হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। তবে ভবনের দ্বিতীয় তলায় বেগম খালেদা জিয়া এবং তাঁর বাবা-মায়ের ব্যবহৃত কক্ষগুলো আজও সংরক্ষিত হিসেবে তালাবদ্ধ রয়েছে। দীর্ঘদিনের কেয়ারটেকার কারিনা বেওয়া অশ্রুসিক্ত কণ্ঠে বলেন, “আমি উনার বাবা-মাকে দেখাশোনা করেছি। তাঁরা খুব ভালো মানুষ ছিলেন। আজ তাঁর মৃত্যুর সংবাদে মনটা অনেক ভারী হয়ে আছে।” গর্বিত বিদ্যাপীঠ বেগম খালেদা জিয়া ১৯৫৪ সালে দিনাজপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে চতুর্থ শ্রেণিতে ভর্তি হন এবং ১৯৬০ সালে এখান থেকেই মেট্রিক (এসএসসি) পাস করেন। বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নাজমা ইয়াসমিন বলেন, “দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আমাদের গর্ব। তিনি এই স্কুলেরই শিক্ষার্থী ছিলেন। তাঁর প্রয়াণে আমাদের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মাঝে শোকের মাতম চলছে।” প্রতিবেশীদের স্মৃতিচারণ খালেদা জিয়ার শৈশবের প্রতিবেশী ৭৮ বছর বয়সী মোস্তা হাসানুর স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে বলেন, “পুতুল আপা আমার চেয়ে দুই-তিন বছরের বড় ছিলেন। আমরা পাশাপাশি বাড়িতে থাকতাম। তিনি আমাকে অনেক স্নেহ করতেন। আজ তাঁর চলে যাওয়ার খবর মেনে নেওয়া কঠিন।প্রয়াণের এই মুহূর্তে দিনাজপুরের সর্বস্তরের মানুষের কাছে খালেদা জিয়া কেবল একজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব নন, বরং ‘দিনাজপুরের মেয়ে’ হিসেবেই হৃদয়ে অমলিন থাকবেন।” খালেদা জিয়ার খালাতো ভাই আবু তাহের আবু বলেন, “জিয়াউর রহমানের সঙ্গে বিয়ের পর তিনি চলে যান। তাঁর মা আমার মায়ের ছোট বোন ছিলেন। তাঁর মৃত্যুতে আমরা গভীরভাবে শোকাহত।”

খালেদা জিয়ার শৈশব-কৈশোরের সেই ‘তৈয়বা ভিলা’

বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক বিরাজ করছে তাঁর শৈশবের শহর দিনাজপুরে। এই জেলার বালুবাড়ি এলাকার ‘তৈয়বা ভিলা’তেই কেটেছে তাঁর শিশু ও কৈশোরের

বিস্তারিত

বিএনপি চেয়ারপারসন ও তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে তাঁর পৈতৃক জনপদ ফেনী জেলাজুড়ে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া। আজ মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) ভোরে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর শেষ নিশ্বাস ত্যাগের খবর পৌঁছালে জেলাজুড়ে এক হৃদয়বিদারক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। সংবাদটি পাওয়ার পর থেকেই ফুলগাজী উপজেলার দক্ষিণ শ্রীপুর গ্রামের মজুমদার বাড়ির পৈতৃক নিবাসে ভিড় করতে শুরু করেন স্বজন, রাজনৈতিক কর্মী ও সাধারণ মানুষ। প্রিয় নেত্রীর আত্মার মাগফিরাত কামনায় সেখানে শুরু হয়েছে পবিত্র কোরআন খতমের আয়োজন। দলীয় নেতাকর্মীরা জানান, ফেনীর সঙ্গে বেগম জিয়ার ছিল নাড়ির টান। রাজনৈতিক যেকোনো কর্মসূচিতে জেলায় এলেই তিনি ছুটে যেতেন পৈতৃক ভিটায়। তাঁর মৃত্যুতে পুরো জেলা আজ অভিভাবক হারানোর বেদনায় মূহ্যমান। বেগম খালেদা জিয়ার চাচাতো ভাই শামীম হোসেন মজুমদার আবেগপ্লুত কণ্ঠে বলেন, “এ বাড়ির প্রতিটি কোণায় তাঁর স্মৃতি জড়িয়ে আছে। আমরা আশা করেছিলাম তিনি সুস্থ হয়ে আবারও এই বাড়ির আঙিনায় পা রাখবেন, কিন্তু একটি খবর আমাদের সব আশা ম্লান করে দিল।” উল্লেখ্য, বেগম খালেদা জিয়া ফেনী-১ আসন থেকে মোট পাঁচবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। সর্বশেষ আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও তিনি এই আসনের প্রার্থী ছিলেন। তাঁর মৃত্যুতে ফেনীর রাজনৈতিক অঙ্গন এক অপূরণীয় শূন্যতার সম্মুখীন হলো।

বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোকে স্তব্ধ পৈতৃক নিবাস ফেনী

বিএনপি চেয়ারপারসন ও তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে তাঁর পৈতৃক জনপদ ফেনী জেলাজুড়ে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া। আজ মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) ভোরে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায়

বিস্তারিত

এই দেশ ছেড়ে, এই দেশের মানুষকে ছেড়ে আমি কোথাও যাব না। এই দেশই আমার একমাত্র ঠিকানা-হাজারো মানুষের সমাবেশে এমনটাই বলেছিলেন আপসহীন নেত্রী খালেদা জিয়া। সামান্য সমঝোতা করলে আরাম-আয়েশে থাকতে পারতেন, কারাবরণ করতে হতো না। কিন্তু তিনি বেছে নিয়েছিলেন সংগ্রামের পথ। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের অধিকাংশ সময়ই সংগ্রামের মধ্য দিয়ে কাটাতে হয়েছে খালেদা জিয়াকে। ১৯৮১ সালের ৩০ মে সামরিক অভ্যুত্থানে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা এবং তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান নিহত হন। ঠিক সেই সময়ে নেতৃত্বহীন দলে পুনরুজ্জীবন ঘটাতে সামনে আসেন খালেদা জিয়া। দল সংগঠনের পাশাপাশি সামরিক শাসক এরশাদের বিরুদ্ধে গণতান্ত্রিক আন্দোলনেও নেতৃত্ব দেন তিনি। শেষ পর্যন্ত ১৯৯০ সালে তার নেতৃত্বেই স্বৈরশাসকের পতন ঘটে। পরের বছর নির্বাচনে জয়ী হয়ে বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন তিনি। বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ প্রশ্নে তিনি কখনোই আপস করেননি। ভয় বা লোভের কাছে মাথা নত করেননি। ওয়ান ইলেভেনের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে আপস না করায় তাকে কারাবরণ করতে হয়। কারাগারে নির্যাতনের শিকার হন তার দুই ছেলেও। এক সমাবেশে তিনি বলেছিলেন, মইনুদ্দিন–ফখরুদ্দিন আমার সঙ্গে কথা বলেছে, আমাকে দেশের বাইরে পাঠানোর জন্য অনেক চেষ্টা করেছে। আমি যেতে রাজি হইনি বলে আমার সন্তানদের ওপর যে অত্যাচার হয়েছে, আপনারা দেখেছেন। আমাকে বলা হয়েছিল, আপনি না গেলে মামলা দেওয়া হবে, ছেলেদের ধরে নিয়ে যাওয়া হবে। আমি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিলাম, আমি দেশ ছেড়ে, দেশের মানুষকে ছেড়ে কোথাও যাব না। এই দেশই আমার একমাত্র ঠিকানা। দেশের বাইরে আমার কিছু নেই, কোনো ঠিকানাও নেই। আপনাদের ছেড়ে না যাওয়ার কারণেই আমার ছেলেদের ওপর এত নির্যাতন হয়েছে। আমাকে জেলে যেতে হয়েছে, কিন্তু জনগণকে ছেড়ে যাইনি। মইনুদ্দিন–ফখরুদ্দিনের সঙ্গে কোনো আপসও করিনি। বিগত ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলেও পুনরায় কারাবরণ করতে হয়েছে খালেদা জিয়াকে। রায় ঘোষণার কিছুদিন আগে চিকিৎসার জন্য লন্ডনে যান তিনি। তখন তার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষরা দাবি করেছিল, তিনি আর ফিরবেন না। কিন্তু তিনি ফিরেছিলেন। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার ঝড় নামবে জেনেও গ্রেপ্তারি পরোয়ানা মাথায় নিয়ে দেশে ফিরে আসেন। পরে দীর্ঘ তিন বছর কারাগারে থাকতে হয় তাকে। সে সময়ও তাকে নানা প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল বলে জানা যায়। রাজনীতি না করলে বা দেশ ছেড়ে গেলে তাকে শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে না এমন ইঙ্গিতও দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু আপসহীন নেত্রী খালেদা জিয়া কোনো অবস্থাতেই মাথানত করেননি। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) ভোর ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে খালেদা জিয়া ইন্তেকাল করেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮০ বছর।

‘দেশের মানুষকে ছেড়ে আমি কোথাও যাব না’

এই দেশ ছেড়ে, এই দেশের মানুষকে ছেড়ে আমি কোথাও যাব না। এই দেশই আমার একমাত্র ঠিকানা-হাজারো মানুষের সমাবেশে এমনটাই বলেছিলেন আপসহীন নেত্রী খালেদা জিয়া। সামান্য সমঝোতা করলে আরাম-আয়েশে থাকতে পারতেন,

বিস্তারিত

বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া আর নেই। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।দীর্ঘদিন ধরে নানা শারীরিক জটিলতার সঙ্গে লড়াই করে শেষ পর্যন্ত তিনি মৃত্যুবরণ করেছেন। ফেলে গেলেন শোকাবহ দেশ, স্তব্ধ রাজনৈতিক অঙ্গন এবং এক দীর্ঘ সংগ্রামী জীবনের ইতিহাস। দলীয় সূত্র জানায়, খালেদা জিয়া কিছুদিন আগে ফুসফুসে সংক্রমণজনিত তীব্র শ্বাসকষ্ট নিয়ে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি হন। প্রথমদিকে তাঁর শ্বাসপ্রশ্বাসের সমস্যা দ্রুত বেড়ে গেলে তাৎক্ষণিকভাবে পরীক্ষা–নিরীক্ষা শেষে চিকিৎসা শুরু করা হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে কেবিন থেকে স্থানান্তর করা হয় করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ)। চিকিৎসকরা জানান, তাঁর ফুসফুসের সংক্রমণের পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে থাকা কিডনি, লিভার, আর্থ্রাইটিস ও ডায়াবেটিস–সংক্রান্ত জটিলতাগুলো আরও জটিল আকার ধারণ করে। একটি রোগের চিকিৎসা দিতে গেলে আরেকটির ওপর বিরূপ প্রভাব পড়ছিল। ফলে সবকিছু মিলিয়ে তাঁর শারীরিক পরিস্থিতি দ্রুত সংকটাপন্ন হয়ে ওঠে। হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর থেকেই দেশি–বিদেশি বিশেষজ্ঞদের নিয়ে গঠিত মেডিকেল বোর্ড তাঁর চিকিৎসায় নিয়োজিত ছিল। তাঁর শারীরিক অবস্থার প্রতিটি ক্ষুদ্র পরিবর্তন ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করছিলেন লন্ডনে অবস্থানরত বড় ছেলে ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং তাঁর স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান। ডা. জুবাইদা রহমান নিজেও মেডিকেল বোর্ডের একজন সদস্য হিসেবে চিকিৎসার অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করছিলেন। ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী শামিলা রহমান সার্বক্ষণিক ছিলেন শাশুড়ির পাশে। দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী, বহুদলীয় গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনা ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনের অন্যতম প্রতীক বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে রাজনৈতিক অঙ্গনসহ সর্বস্তরের মানুষের মাঝে। তাঁর প্রস্থান একটি যুগের অবসান—এক দীর্ঘ সংগ্রামী পথচলার পূর্ণ বিরতি।

এক মহান নেত্রীকে হারাল দেশ

বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া আর নেই। আজ মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) ভোর ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

বিস্তারিত

মগবাজারে ককটেল বিস্ফোরণে যুবক নিহত

রাজধানীর মগবাজারে ককটেল বিস্ফোরণে একজন নিহত হয়েছেন। বুধবার (আজ) রাত আনুমানিক ৭টা ৩০ মিনিটে মগবাজারের মুক্তিযোদ্ধা গলির সামনে এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হঠাৎ বিকট শব্দে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে

বিস্তারিত

ভারত থেকে ৫০ হাজার মেট্রিক টন চাল আমদানির সিদ্ধান্ত

ভারত থেকে ৫০ হাজার মেট্রিক টন চাল আমদানির সিদ্ধান্ত

সরকার ভারত থেকে ৫০ হাজার মেট্রিক টন চাল আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ ছাড়া বাজারে আতপ চালের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় আরও আতপ চাল আনা হবে বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টা

বিস্তারিত

কলকাতায় বাংলাদেশ উপদূতাবাসের বাইরে হিন্দুত্ববাদীদের বিক্ষোভ-সংঘর্ষ

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিসহ কয়েকটি এলাকার পাশাপাশি এবার কলকাতায় বাংলাদেশ উপদূতাবাসের বাইরে বিক্ষোভ করেছে উগ্র হিন্দুত্বাবাদীরা। এ সময় বিক্ষোভকারীরা পুলিশের ব্যারিকেড ভাঙতে চাইলে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ

বিস্তারিত

আরও ১৩ জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে আরাকান আর্মি

বঙ্গোপসাগরের অদূরে মাছ শিকারে যাওয়া কক্সবাজারের টেকনাফের দুটি ট্রলারসহ ১৩ জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে মিয়ানমারের সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মির (এএ) সদস্যরা। মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে নাফ নদ ও বঙ্গোপসাগরের

বিস্তারিত

জুলাই জাতীয় সনদের বিষয়ে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেন, ‘দীর্ঘ ৯ মাস ধরে সকল রাজনৈতিক দলের সঙ্গে দিনের পর দিন বৈঠক করে এই সনদ তৈরি হয়েছে। এই সনদ দেশের মানুষ পছন্দ করলে দেশ আগামী বহুবছরের জন্য নিরাপদে চলবে বলে আমার দৃঢ় বিশ্বাস। আপনি যদি এই সনদ সমর্থন করেন তবে গণভোটে অবশ্যই হ‍্যাঁ ভোট দিন।’ সোমবার (২২ ডিসেম্বর) জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় ভোটের প্রচারণার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি। এসময় আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে যাত্রা শুরু করেছে সুপার ক‍্যারাভান। সারাদেশে প্রচারণার লক্ষ্যে দশটি ভোটের গাড়ি— ‘সুপার ক্যারাভান’ ফিতা কেটে ভোটের গাড়ির উদ্বোধন করেন তথ‍্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান, সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী, নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ এবং প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভিডিও বার্তায় প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, বাংলাদেশ একটি গুরুত্বপূর্ণ সময় অতিক্রম করছে। সামনে আমাদের জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের ওপর গণভোট। তিনি বলেন, এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে যাত্রা শুরু করেছে ১০টি ভোটের গাড়ি—সুপার ক্যারাভান। এসব গাড়ি দেশের ৬৪টি জেলা ও ৩০০টি উপজেলায় ঘুরে বেড়াবে। তারা মানুষের দুয়ারে দুয়ারে গিয়ে নির্বাচন ও গণভোট সম্পর্কে তথ্য পৌঁছে দেবে, ভোটাধিকার সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করবে এবং গণতন্ত্রের বার্তা ছড়িয়ে দেবে। প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘ভোটাধিকার কারো দয়া নয়—এটি আমাদের সাংবিধানিক অধিকার। এই অধিকার প্রয়োগের মাধ্যমেই আমরা ঠিক করি, আমাদের ভবিষ্যৎ কোন পথে যাবে। একটি অবাধ, সুষ্ঠ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নিশ্চিত করা শুধু সরকারের দায়িত্ব নয়; এটি রাষ্ট্রের প্রতিটি নাগরিকের দায়িত্ব।’ তিনি বলেন, ‘এই সুপার ক্যারাভান কেবল একটি গাড়িই নয়— এটি গণতন্ত্রের আনন্দবাণী বহনকারী বহর। এটি জানিয়ে দেবে, আপনার একটি ভোট কতটা গুরুত্বপূর্ণ। এটা মনে করিয়ে দেবে নিষ্ক্রিয়তা নয়, অংশগ্রহণই গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করে।’ তিনি বলেন, ‘আমি বিশেষভাবে অনুরোধ জানাচ্ছি তরুণ সমাজ, নারী ভোটার এবং প্রথমবারের ভোটারদের প্রতি—আপনারা এগিয়ে আসুন। প্রশ্ন করুন, জানুন, বুঝুন এবং ভোট দিন। আপনার সিদ্ধান্তই গড়ে উঠবে আগামী দিনের বাংলাদেশ—নতুন বাংলাদেশ।’ প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘আমরা এমন একটি নির্বাচন চাই, যেখানে থাকবে না ভয়, থাকবে না বাধা—থাকবে কেবল জনগণের মুক্তও নির্ভীক মতপ্রকাশ। সরকার সেই পরিবেশ নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর।’ তিনি বলেন, ‘আপনি দেশের মালিক। এদেশ আগামী পাঁচ বছর আপনার পক্ষে কে চালাবে সেটা আপনি ঠিক করে দিবেন। আপনার পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিন। সৎ ও সমর্থ প্রার্থী বেছে ভোট দিন। চিন্তা ভাবনা করে ভোটদিন।’ তিনি বলেন, ‘এবারের নির্বাচনে আপনি আরো একটি ভোট দিবেন। জুলাই সনদে ভোট দিবেন। দীর্ঘ ৯ মাস ধরে সকল রাজনৈতিক দলের সঙ্গে দিনের পর দিন বৈঠক করে এই সনদ তৈরি হয়েছে। এই সনদ দেশের মানুষ পছন্দ করলে দেশ আগামী বহুবছরের জন্য নিরাপদে চলবে বলে আমার দৃঢ় বিশ্বাস। আপনি যদি এই সনদ সমর্থন করেন তবে গণভোটে অবশ্যই হ‍্যাঁ ভোট দিন।’ তিনি বলেন, ‘চলুন, আমরা সবাই মিলে এই গণতান্ত্রিক যাত্রাকে সফল করি। চলুন, ভোট দিই—নিজের জন্য, দেশের জন্য, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য, নতুন পৃথিবীর জন্য।’

গণভোটে অবশ্যই ‘হ‍্যাঁ’ ভোট দিন: প্রধান উপদেষ্টা

জুলাই জাতীয় সনদের বিষয়ে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেন, ‘দীর্ঘ ৯ মাস ধরে সকল রাজনৈতিক দলের সঙ্গে দিনের পর দিন বৈঠক করে

বিস্তারিত

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সৎ ও যোগ্য প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি দেশবাসীর উদ্দেশে বলেছেন, ‘আপনি দেশের মালিক। এদেশ আগামী পাঁচ বছর আপনার পক্ষে কে চালাবে সেটা আপনি ঠিক করুন। আপনার পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিন। সৎ ও যোগ্য প্রার্থী বেছে নিন। চিন্তা-ভাবনা করে ভোট দিন।’ আজ সোমবার বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় ‘ভোটের গাড়ি’ শীর্ষক প্রচারণার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টা এসব কথা বলেন। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও ২০২৬ সালের গণভোট সামনে রেখে ভোটারদের সচেতন ও উদ্বুদ্ধ করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নতুন বাংলাদেশ গড়তে তরুণদের সক্রিয় অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়ে অধ্যাপক ইউনূস বিশেষভাবে তরুণ সমাজ, নারী ভোটার ও প্রথমবারের মতো হওয়া ভোটারদের এগিয়ে আসতে বলেন। তিনি বলেন, ‘আমি বিশেষভাবে অনুরোধ জানাচ্ছি তরুণ সমাজ, নারী ভোটার এবং প্রথমবারের ভোটারদের প্রতি- আপনারা এগিয়ে আসুন। প্রশ্ন করুন, জানুন, বুঝুন এবং ভোট দিন। আপনার সিদ্ধান্তে গড়ে উঠবে আগামী দিনের বাংলাদেশ, নতুন বাংলাদেশ।’ ভয়হীন ও মুক্ত পরিবেশে ভোট দেওয়ার সুযোগ নিশ্চিত করার বিষয়ে সরকারের দৃঢ় অঙ্গীকারের কথা জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘আমরা এমন একটি নির্বাচন চাই, যেখানে থাকবে না ভয়, থাকবে না বাধা-থাকবে কেবল জনগণের মুক্ত ও নির্ভীক মত প্রকাশ। সরকার সেই পরিবেশ নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর।’ একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নিশ্চিত করতে দেশের প্রতিটি নাগরিকেরও দায়িত্ব রয়েছে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ভোটাধিকার কারো দয়া নয়- এটি আমাদের সাংবিধানিক অধিকার। এই অধিকার প্রয়োগের মাধ্যমেই আমরা ঠিক করি, আমাদের ভবিষ্যৎ কোন পথে যাবে। একটি অবাধ, সুষ্ঠ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নিশ্চিত করা শুধু সরকারের দায়িত্ব নয়; এটি রাষ্ট্রের প্রতিটি নাগরিকের দায়িত্ব। তিনি আরও বলেন, ‘চলুন, ভোট দিই- নিজের জন্য, দেশের জন্য, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য, নতুন পৃথিবীর জন্য।’ ‘ভোটের গাড়ি’ প্রসঙ্গে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, এই সুপার ক্যারাভান কেবল একটি গাড়ি নয়, এটি গণতন্ত্রের আনন্দ বাণী বহনকারী বহর। এটি জানিয়ে দেবে, আপনার একটি ভোট কতটা গুরুত্বপূর্ণ। এটা মনে করিয়ে দেবে নিষ্ক্রিয়তা নয়, অংশগ্রহণই গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করে। তিনি জানান, এবারের নির্বাচনে ভোটারদের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে হবে। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি জুলাই জাতীয় সনদের ওপর গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। দীর্ঘ নয় মাস ধরে সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা করে এই সনদ প্রস্তুত করা হয়েছে। জনগণ এই সনদে সমর্থন দিলে দেশের ভবিষ্যৎ দীর্ঘমেয়াদে নিরাপদ ও স্থিতিশীল হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। সনদের পক্ষে থাকলে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। অধ্যাপক ইউনূস বলেন, বাংলাদেশ একটি গুরুত্বপূর্ণ সময় অতিক্রম করছে। সামনে আমাদের জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের ওপর গণভোট। এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে যাত্রা শুরু করেছে ১০টি ভোটের গাড়ি- সুপার ক্যারাভান। এসব গাড়ি দেশের ৬৪টি জেলা ও ৩০০টি উপজেলায় ঘুরে বেড়াবে। তারা মানুষের দুয়ারে দুয়ারে গিয়ে নির্বাচন ও গণভোট সম্পর্কে তথ্য পৌঁছে দেবে, ভোটাধিকার সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করবে এবং গণতন্ত্রের বার্তা ছড়িয়ে দেবে। গণতান্ত্রিক এই যাত্রাকে সফল করতে তিনি সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

আগামী নির্বাচনে সৎ ও যোগ্য প্রার্থী বেছে নেওয়ার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সৎ ও যোগ্য প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি দেশবাসীর উদ্দেশে বলেছেন, ‘আপনি দেশের মালিক। এদেশ আগামী পাঁচ বছর

বিস্তারিত

এস এন্ড এফ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

Developer Design Host BD