রবিবার, ০৩ মার্চ ২০২৪, ১১:৫১ পূর্বাহ্ন

ভারতের তৈরি কাশির সিরাপ নিয়ে জরুরি সতর্কবার্তা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট : বৃহস্পতিবার, ৬ অক্টোবর, ২০২২
  • ৭৮ বার পড়া হয়েছে / ইপেপার / প্রিন্ট ইপেপার / প্রিন্ট

ভারতের মেডেন ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের তৈরি চারটি সিরাপ খেয়ে পশ্চিম আফ্রিকার দেশ গাম্বিয়ায় ৫৫ শিশুর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। এ মৃত্যুতে ভারতের ওষুধ উৎপাদনকারী কোম্পানিকে দায় করে সতর্ক করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। এমন আশঙ্কায় ওই কোম্পানির তৈরি সিরাপ ব্যবহার না করারও আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি। ভারতের মেডেন ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের তৈরি চারটি সিরাপ হলো-প্রোমেথাজিন ওরাল সলিউশন, কফেক্সমালিন বেবি কফ সিরাপ, মেকফ বেবি কফ সিরাপ এবং ম্যাগ্রিপ এন কোল্ড সিরাপ।বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এক সতর্কবার্তায় জানিয়েছে, ‘‘চারটি পণ্যের আলাদাভাবে নমুনা পরীক্ষা করে বিশ্লেষণ নিশ্চিত হওয়া গেছে যে, এতে দূষক হিসাবে অগ্রহণযোগ্য পরিমাণে ডাইথাইলিন গ্লাইকোল এবং ইথিলিন গ্লাইকোল রয়েছে। এখন পর্যন্ত এই চারটি পণ্য গাম্বিয়াতে চিহ্নিত করা হয়েছে, তবে অন্য দেশ বা অঞ্চলে অনানুষ্ঠানিক বাজারের মাধ্যমে বিতরণ করা হতে পারে।’’এতে বলা হয়, সংশ্লিষ্ট জাতীয় নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষের দ্বারা বিশ্লেষণ না করা পর্যন্ত পণ্যের সমস্ত ব্যাচকে ‘‘অনিরাপদ বলে মনে করা উচিত।’’ভারতীয় গণমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস বুধবার (৫ অক্টোবর) এক প্রতিবেদনে জানায়, ভারতের সর্বোচ্চ ওষুধ নিয়ন্ত্রক সংস্থা-সেন্ট্রাল ড্রাগস স্ট্যান্ডার্ড কন্ট্রোল অর্গানাইজেশন (সিডিএসসিও) গাম্বিয়ায় শিশুদের মৃত্যু সিরাপগুলো সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে বলে জানার পর তদন্ত শুরু করেছে। হরিয়ানার নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষের বরাতে প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, অভিযুক্ত কোম্পানিটি গাম্বিয়াতে সিরাপ তৈরি এবং রপ্তানি করেছে। কোম্পানিটি এখন পর্যন্ত পণ্যটি শুধুমাত্র গাম্বিয়ার কাছেই বিক্রি করেছে।অন্যান্য ভারতীয় সংবাদপত্র এবং টিভি স্টেশনগুলো জানিয়েছে, ডব্লিউএইচও এর মাধ্যমে পরীক্ষা করা ২৩টি নমুনার মধ্যে চারটিতে ডায়থাইলিন গ্লাইকোল বা ইথিলিন গ্লাইকল দূষণ পাওয়া গেছে।ডাইথিলিন গ্লাইকোল এবং ইথিলিন গ্লাইকোল বিষাক্ত প্রভাব সৃষ্টি করতে পারে, যার মধ্যে রয়েছে পেটে ব্যথা, বমি, ডায়রিয়া, প্রস্রাব করতে না পারা, মাথাব্যথা, মানসিক অবস্থার পরিবর্তন এবং কিডনির তীব্র আঘাত যা মৃত্যুর কারণ হতে পারে।ডব্লিউএইচও’র এই সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, নিম্নমানের পণ্যগুলো অনিরাপদ এবং তাদের ব্যবহার, বিশেষ করে শিশুদের ক্ষেত্রে, গুরুতর আঘাত বা মৃত্যু হতে পারে।এতে আর বলা হয়, দেশগুলোকে নিম্নমানের পণ্য শনাক্ত এবং অপসারণের জন্য সরবরাহ চেইনের ওপর নজরদারি বাড়ানো উচিত।

আরো পড়ুন

এস এন্ড এফ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

Developer Design Host BD