
মুন্সিগঞ্জে যুবদল নেতা শাওন নিহতের ঘটনায় জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, সদর থানার ওসিসহ ৯ পুলিশকে আসামি করে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে বিএনপির পক্ষ থেকে।আজ বৃহস্পতিবার (৬ অক্টোবর) মো. সালাহ উদ্দিন খাঁন বাদী হয়ে মুন্সিগঞ্জ চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করেন। মামলায় আসামিরা হলেন- মুন্সিগঞ্জ সদর থানার পুলিশ সুপার মিনহাজ উল ইসলাম, মুন্সিগঞ্জ সদর থানার অতিরিক্তি এসপি (প্রশাসন) সুমন দেব, মুন্সিগঞ্জ সদর থানার অফিসার্স ইনচার্জ তারিকুজ্জামান, মুন্সিগঞ্জ সদর থানার এসআই মো. ফরিদ উদ্দিন, এসআই মো. আরিফুর রহমান, এসআই সুকান্ত বাউল, মুন্সিগঞ্জ সদর থানার এএসআই নকুল চন্দ্র ধর, এএসআই অজিত চন্দ্র বিশ্বাস ও এএসআই মন্টু বৈদ্য। এছাড়াও মুন্সিগঞ্জ জেলার ৪০-৫০ জন পুলিশ সদস্য ও অজ্ঞাতনামা পরিচয়ে ২০০-৩০০ জন অস্ত্রধারী সিভিল ড্রেসে থাকা সরকার দলীয় সন্ত্রাসী উল্লেখ করে মামলা করা হয়। মামলায় স্বাক্ষী হয়েছেন ৩ জন তারা হলেন- মামলার বাদী মো. সালাহ উদ্দিন খাঁন, মুন্সিগঞ্জ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব কামরুজ্জামান রতন ও শাওনের বাবা হাজী মহিউদ্দিন আহমেদ। মামলা সূত্রে জানা যায়, মামলার ঘটনার পুরো বিবরণ দিয়ে বলা হয় ঘটনার সাথে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সরাসরি জড়িত বিধায় থানায় মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে বাদীর নিরাপত্তার অভাব রয়েছে বিধায় ঘটনাটি আদালতের বিচারিক এখতিয়ারাধীন এলাকায় হওয়ায় ন্যায় বিচারের স্বার্থে আদালতের শরণাপন্ন হইলেন। উল্লেখ্য, বুধবার (২১ সেপ্টেম্বর) রাতে মুন্সিগঞ্জের মুক্তারপুর পুরনো ফেরিঘাট এলাকায় সমাবেশে যাওয়ার পথে বিএনপি নেতাকর্মীদের বাধা দেয় পুলিশ। এতে করে পুলিশের সঙ্গে বিএনপি নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ বাধে।এসময় পুলিশের গুলিতে আহত হন শহীদুল ইসলাম শাওন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আইসিউতে ভর্তি করা হয় তাকে। বৃহস্পতিবার (২২ সেপ্টম্বর) রাত সাড়ে ৮টার সময় তিনি মারা যান।