বৃহস্পতিবার, ২৫ জুলাই ২০২৪, ১২:০২ অপরাহ্ন

ঢাকায় পাতাল রেল দিনে বহন করবে ৮ লাখ যাত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট : শনিবার, ২১ জানুয়ারি, ২০২৩
  • ১২৪ বার পড়া হয়েছে /

দেশের প্রথম পাতাল রেল চালু হলে এটি প্রতিদিন ৮০০,০০০ যাত্রী বহন করতে সক্ষম হবে।সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব এবিএম আমিন উল্লাহ নূরী এ কথা জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, ভূগর্ভস্থ মেট্রো লাইনের দুটি অংশ থাকবে। ঢাকা বিমানবন্দর থেকে প্রায় ১৯.৮৭ কিলোমিটার। এরমধ্যে ১৬.৪ কিলোমিটার ভূগর্ভস্থ ও নতুন বাজার থেকে পূর্বাঞ্চল পর্যন্ত প্রায় ১১.৩৬ কিলোমিটার উঁচু করা হয়েছে।

ঢাকা বিমানবন্দর থেকে কমলাপুর যেতে ২৪ মিনিট সময় লাগবে। রুটের ১২টি আন্ডারগ্রাউন্ড স্টেশনে বিরতি ও সাতটি স্টেশনে বিরতিসহ নতুন বাজার থেকে পূর্বাচল যেতে ২০ মিনিট সময় লাগবে।

তিনি আরও বলেন, ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল) ২০২৬ সালের মধ্যে মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২৬ জানুয়ারি এমআরটি লাইন-১ নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করবেন।

ডিএমটিসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম এ এন সিদ্দিক জানান, তারা ভূগর্ভস্থ মেট্রো লাইন উদ্বোধনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছেন।

প্রধানমন্ত্রী রূপগঞ্জ উপজেলার পিতলগঞ্জ এলাকায় এমআরটি লাইন-১ এর ডিপো উদ্বোধন করবেন।
এমআরটি লাইন-১ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে নারায়ণগঞ্জের পিতলগঞ্জ এলাকায় প্রথম রেল ডিপো নির্মাণ করা হবে।

জনতা উচ্চ বিদ্যালয়ের পাশে একটি খালি প্লটে নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
কর্তৃপক্ষ বলছে, এমআরটি লাইন-১ আন্ডারগ্রাউন্ড স্টেশনে তিন তলা থাকবে। টিকিট কাউন্টার ও অন্যান্য সুবিধাগুলো প্রথম বেসমেন্টে থাকবে।

প্ল্যাটফর্মটি হবে দ্বিতীয় স্তরে। এলিভেটেড স্টেশনের টিকিট কাউন্টার ও প্ল্যাটফর্ম হবে তৃতীয় তলায়। এলিভেটেড ও আন্ডারগ্রাউন্ড দুই স্টেশনেই লিফট, সিঁড়ি ও এসকেলেটর থাকবে।

প্রকল্পটির জন্য ডিএমটিসিএল জাপানের টোকিও কনস্ট্রাকশন কোম্পানি লিমিটেড ও বাংলাদেশের ম্যাক্স ইনফ্রাস্ট্রাকচার লিমিটেডের সাথে চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। প্রকল্পটি ১২টি প্যাকেজে বাস্তবায়িত হবে।

এমআরটি লাইন ১ নির্মাণের তদারকির জন্য ২০১২ সালের ২৩ অক্টোবরএ একটি পরামর্শক সংস্থার সঙ্গে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত করেছিল। ডিপো নির্মাণের সাথে সম্পর্কিত প্যাকেজ সিপি-১-এর জন্য ২০২২ সালের ২৩ নভেম্বর আরেকটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল।

এমআরটি-১ এর ডিপো ও ডিপো এক্সেস করিডোর নির্মাণের জন্য নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার পিতলগঞ্জ ও ব্রাহ্মণখালী মৌজায় মোট ১২.৯৭২৫ একর জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে। এতে মোট ১৪০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়েছে।

আরো পড়ুন

এস এন্ড এফ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

Developer Design Host BD