সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ০১:৫৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
খালেদা জিয়ার জন্মদিনে ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদলের দোয়া মাহফিল বিরুলিয়ায় লেগুনা থেকে চাঁদাবাজির অভিযোগ, ভোগান্তিতে যাত্রী-শিক্ষার্থীরা ফিরে দেখা ২০২৩: রাজপথে আমান উল্লাহ আমানের লুটিয়ে পড়া ও একটি রক্তাক্ত দিন পাইপ দিয়ে গোলের লড়াই: সাভারে ‘ফুঁ-বল’ উন্মাদনা আকিজ পাইপসের ‘ফুঁ-বল চ্যাম্পিয়নশিপ’ ঘিরে নতুন উন্মাদনা সাভারে জমি দখল দিতে টাকা দিয়ে লোক ভাড়া করে মানববন্ধন, ভিডিও ভাইরাল সাভারে সোলার লাইট উদ্বোধন ও কৃষি প্রণোদনা বিতরণ বিষমুক্ত নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে সিংগাইরে পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস অনুষ্ঠিত হেমায়েতপুরে রাত জেগে আবর্জনায় ভরা ড্রেনেজ ব্যবস্থা সচল করলো বিএনপি নেতা-কর্মীরা সাটুরিয়ায় সাংবাদিকের বাসায় চুরি
বিশ্ব ডাল দিবস

আমদানিকৃত ডালের পেছনেই ব্যয় ৭ হাজার কোটি

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট : শুক্রবার, ১০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩
  • ২০১ বার পড়া হয়েছে /

দেশে পরিমাণ ডাল উৎপাদন হয় তা দিয়ে অর্ধেক চাহিদাও পূরণ হয় না। অতিরিক্ত চাহিদা পূরণে প্রতি বছর বিদেশ থেকে বিভিন্ন পদের প্রায় ১৩ থেকে ১৪ লাখ টন ডাল আমদানি করতে হয়। এতে ব্যয় হয় প্রায় ৭ হাজার কোটি টাকা। প্রায় ১৬ লাখ টন ডালের কিনতে ব্যয় হয় এই টাকা। আর দেশে উৎপাদিত হয় ১০ লাখ টন। মোট চাহিদা ২৬ লাখ টন।

শুক্রবার (১০ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ব ডাল দিবস উপলক্ষে এক সেমিনারে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

সেমিনারে বক্তারা বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের প্রতিদিন গড়ে ৪৫ গ্রাম ডাল খাওয়ার উচিত। সেখানে আমাদের দেশের মানুষ মাথাপিছু মাত্র ১৭ গ্রাম ডাল খেয়ে থাকেন। যা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই অপ্রতুল।

তারা বলেন, দেশে ক্রমাগতভাবে আবাদি জমির পরিমাণ হ্রাস এবং ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার পুষ্টি নিরাপত্তার জন্য উচ্চ ফলনশীল জাতের ডাল ফসল উদ্ভাবন, একই সঙ্গে এর সম্প্রসারণ ও ব্যবহার বাড়ানো প্রয়োজন।

বক্তারা বলেন, এ লক্ষ্যকে সামনে রেখে ডাল বিজ্ঞানীদের নিরলস প্রচেষ্টায় অনেক আধুনিক উচ্চফলনশীল জাত উদ্ভাবিত হয়েছে। এতে বিভিন্ন শস্যের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় ডাল ফসলের উৎপাদন এলাকা কিছুটা কমে গেলেও আধুনিক উচ্চফলনশীল জাত উদ্ভাবিত হওয়ায় হেক্টরপ্রতি ফলন অনেক বেড়েছে।

সেমিনারে আরও বলা হয়, ধানভিত্তিক শস্য বিন্যাসে ডাল ফসলের আবাদ সম্প্রসারিত করার সুযোগ সীমিত। তবে বৃহত্তর বরেন্দ্র অঞ্চল, চরাঞ্চল, পাহাড়ি অঞ্চল, উপকূলীয় অঞ্চল, রেল সড়ক ও রাস্তার ধারে এবং বসতবাড়ির আঙিনায় উপযুক্ততা বিবেচনায় ডাল ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি ও সম্প্রসারণের যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে।

বক্তারা বলেন, বিভিন্ন মাঠশস্য ও ফল বাগানে (কুল, কলা, পেয়ারা, মাল্টা, আম, লিচু ইত্যাদি) ডাল ফসলকে মিশ্র ফসল ও আন্তঃফসল হিসেবে চাষের মাধ্যমে ডালের উৎপাদন বাড়ানোর যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। উচ্চফলনশীল জাত ও আধুনিক উৎপাদন কৌশল ব্যবহার করে বর্ণিত অঞ্চলসমূহে কৃষক পর্যায়ে আবাদ সম্প্রসারণ করতে পারলে ডালের উৎপাদন উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বাড়বে।

আরো পড়ুন

এস এন্ড এফ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

Developer Design Host BD