শনিবার, ০৯ মে ২০২৬, ০৯:৩৩ অপরাহ্ন

করিমগঞ্জে ‘দুর্নীতি’ ঢাকতে মানববন্ধনে বাধা

নিজস্ব প্রতিবেদক, কিশোরগঞ্জ
  • সর্বশেষ আপডেট : সোমবার, ২২ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ২৭ বার পড়া হয়েছে /
কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাহমিনা আক্তারের বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়ম, দুর্নীতি ও প্রকল্পের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেছে স্থানীয়রা। রোববার (২১ ডিসেম্বর) সকালে উপজেলা প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত এই শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে প্রশাসনের দিয়ে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। প্রত্যক্ষদর্শী ও আন্দোলনকারীরা জানান, সকাল ১১টার দিকে কয়েকশ নারী-পুরুষ ইউএনও’র দুর্নীতির বিরুদ্ধে ব্যানার-ফেস্টুন নিয়ে প্রেসক্লাবের সামনে জড়ো হন। মানববন্ধন চলাকালীন ইউএনও’র দেহরক্ষী ও আনসার সদস্যরা আকস্মিক উপস্থিত হয়ে কর্মসূচিতে বাধা প্রদান করেন। এতে উপস্থিত সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। উপজেলা স্থানীয় বাসিন্দা নূরে আলম রাসেল এই ঘটনার নিন্দা জানিয়ে বলেন, "আমরা কোনো বিশৃঙ্খলা বা 'মব' সৃষ্টি করতে আসিনি। আমরা অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে এসেছি। কিন্তু শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে আনসার বাহিনী দিয়ে বাধা দিয়ে কণ্ঠরোধ করার চেষ্টা করা হয়েছে।" দুর্নীতির পাহাড়সম অভিযোগ মানববন্ধনে বক্তারা ইউএনও তাহমিনা আক্তারের বিরুদ্ধে যোগদানের পর থেকেই বিভিন্ন সেক্টরে লুটপাটের অভিযোগ আনেন। সাবেক কাউন্সিলর সুমন মড়ল বলেন, "২০২৪ সালের ৭ নভেম্বর যোগদানের পর থেকেই ইউএনও নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে টেন্ডার ছাড়াই কোটি টাকার কাজ করেছেন। অনেক ক্ষেত্রে কাজ না করেই বা আংশিক কাজ করে প্রকল্পের পুরো টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে।" পৌরসভার উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়মের চিত্র তুলে ধরে সাবেক নারী কাউন্সিলর বেদেনা আক্তার অভিযোগ করেন, ১নং ওয়ার্ডের ওসমান মিয়ার বাড়ি থেকে আলমগীর হুজুরের বাড়ি পর্যন্ত ২৭৮ মিটার এবং আশুতিয়াপাড়া মেইন রোড থেকে বাবুলের দোকান পর্যন্ত ৩০০ মিটার ড্রেন নির্মাণের কাজ না করেই বিল তুলে নেওয়া হয়েছে। এছাড়া নাগরিক সেবার ফি বহুগুণ বৃদ্ধি করা হলেও পৌরবাসী পর্যাপ্ত সেবা পাচ্ছে না। নিয়োগ বাণিজ্য ও অবৈধ ইজারা বজলুর রহমান অভিযোগ করেন, পৌর প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে ইউএনও সিএনজি স্ট্যান্ডের অবৈধ ইজারা প্রদান এবং নিয়োগ বাণিজ্যের মাধ্যমে প্রায় ৬০ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। সংবাদকর্মী ও রাজনৈতিক নেতাদের হস্তক্ষেপে কিছু অবৈধ প্রক্রিয়া বন্ধ হলেও পর্দার আড়ালে আর্থিক লেনদেন অব্যাহত রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। তথ্য গোপনের অভিযোগ জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা করিমগঞ্জ ইউনিটের সভাপতি হাবিবুর রহমান বিপ্লব অভিযোগ করেন, বিভিন্ন প্রকল্পের তথ্য চেয়েও সাংবাদিকদের সহযোগিতা করছেন না ইউএনও। বরং অনিয়ম ঢাকতে তথ্য গোপন করা হচ্ছে এবং কোনো কর্মকর্তা তথ্য দিলে তাকে তাৎক্ষণিক বদলি করার ভয় দেখানো হচ্ছে। মানববন্ধন শেষে বিক্ষুব্ধ জনতা জানান, অভিযুক্ত ইউএনও-র অপসারণ ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার বরাবর স্মারক লিপি প্রদান করা হবে। দাবি আদায় না হলে আগামীতে আরও কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দেন বক্তারা। এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাহমিনা আক্তারের কার্যালয়ে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তাঁর পক্ষ থেকে কোনো তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাহমিনা আক্তারের বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়ম, দুর্নীতি ও প্রকল্পের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেছে স্থানীয়রা।

রোববার (২১ ডিসেম্বর) সকালে উপজেলা প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত এই শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে প্রশাসনের দিয়ে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও আন্দোলনকারীরা জানান, সকাল ১১টার দিকে কয়েকশ নারী-পুরুষ ইউএনও’র দুর্নীতির বিরুদ্ধে ব্যানার-ফেস্টুন নিয়ে প্রেসক্লাবের সামনে জড়ো হন। মানববন্ধন চলাকালীন ইউএনও’র দেহরক্ষী ও আনসার সদস্যরা আকস্মিক উপস্থিত হয়ে কর্মসূচিতে বাধা প্রদান করেন। এতে উপস্থিত সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

উপজেলা স্থানীয় বাসিন্দা নূরে আলম রাসেল এই ঘটনার নিন্দা জানিয়ে বলেন, “আমরা কোনো বিশৃঙ্খলা বা ‘মব’ সৃষ্টি করতে আসিনি। আমরা অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে এসেছি। কিন্তু শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে আনসার বাহিনী দিয়ে বাধা দিয়ে কণ্ঠরোধ করার চেষ্টা করা হয়েছে।”

দুর্নীতির পাহাড়সম অভিযোগ

মানববন্ধনে বক্তারা ইউএনও তাহমিনা আক্তারের বিরুদ্ধে যোগদানের পর থেকেই বিভিন্ন সেক্টরে লুটপাটের অভিযোগ আনেন।

সাবেক কাউন্সিলর সুমন মড়ল বলেন, “২০২৪ সালের ৭ নভেম্বর যোগদানের পর থেকেই ইউএনও নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে টেন্ডার ছাড়াই কোটি টাকার কাজ করেছেন। অনেক ক্ষেত্রে কাজ না করেই বা আংশিক কাজ করে প্রকল্পের পুরো টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে।”

পৌরসভার উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়মের চিত্র তুলে ধরে সাবেক নারী কাউন্সিলর বেদেনা আক্তার অভিযোগ করেন, ১নং ওয়ার্ডের ওসমান মিয়ার বাড়ি থেকে আলমগীর হুজুরের বাড়ি পর্যন্ত ২৭৮ মিটার এবং আশুতিয়াপাড়া মেইন রোড থেকে বাবুলের দোকান পর্যন্ত ৩০০ মিটার ড্রেন নির্মাণের কাজ না করেই বিল তুলে নেওয়া হয়েছে। এছাড়া নাগরিক সেবার ফি বহুগুণ বৃদ্ধি করা হলেও পৌরবাসী পর্যাপ্ত সেবা পাচ্ছে না।

নিয়োগ বাণিজ্য ও অবৈধ ইজারা

বজলুর রহমান অভিযোগ করেন, পৌর প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে ইউএনও সিএনজি স্ট্যান্ডের অবৈধ ইজারা প্রদান এবং নিয়োগ বাণিজ্যের মাধ্যমে প্রায় ৬০ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। সংবাদকর্মী ও রাজনৈতিক নেতাদের হস্তক্ষেপে কিছু অবৈধ প্রক্রিয়া বন্ধ হলেও পর্দার আড়ালে আর্থিক লেনদেন অব্যাহত রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

তথ্য গোপনের অভিযোগ

জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা করিমগঞ্জ ইউনিটের সভাপতি হাবিবুর রহমান বিপ্লব অভিযোগ করেন, বিভিন্ন প্রকল্পের তথ্য চেয়েও সাংবাদিকদের সহযোগিতা করছেন না ইউএনও। বরং অনিয়ম ঢাকতে তথ্য গোপন করা হচ্ছে এবং কোনো কর্মকর্তা তথ্য দিলে তাকে তাৎক্ষণিক বদলি করার ভয় দেখানো হচ্ছে।

মানববন্ধন শেষে বিক্ষুব্ধ জনতা জানান, অভিযুক্ত ইউএনও-র অপসারণ ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার বরাবর স্মারক লিপি প্রদান করা হবে। দাবি আদায় না হলে আগামীতে আরও কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দেন বক্তারা।

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাহমিনা আক্তারের কার্যালয়ে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তাঁর পক্ষ থেকে কোনো তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

আরো পড়ুন

এস এন্ড এফ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

Developer Design Host BD