
দৈনিক গণকণ্ঠ ও আইপি টেলিভিশন ৭১ বাংলার স্টাফ রিপোর্টার সাংবাদিক আবুল কালাম আজাদ বিপ্লবের উপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে সিঙ্গাইর উপজেলা প্রেসক্লাব ও বাংলাদেশ সাংবাদিক সমিতির আয়োজনে সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।সোমবার (৬ নভেম্বর) বিকেলে সিঙ্গাইরের রিয়াজ ম্যানশনে এই প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়।সিঙ্গাইর উপজেলা প্রেসক্লাব ও বাংলাদেশ সাংবাদিক সমিতির আহ্বায়ক মোবারক হোসেনের সভাপতিত্বে প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখেন জেলা সাংবাদিক সমিতির সভাপতি মানবেন্দ্র চক্রবর্তী, দৈনিক পৃথিবী প্রতিদিন সম্পাদক এফ, এম ফজলুল হক।সদস্য সচিব সুজন মোল্লার সঞ্চালনায় প্রতিবাদ সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন, সাংবাদিক রেজাউল করিম অ্যাডভোকেট মশিউর রহমান শামীম, সাইফুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট শাহাদাৎ সায়েম, মিজানুর রহমান ও হামলার শিকার সাংবাদিক আবুল কালাম আজাদ (বিপ্লব)।বক্তারা বলেন, সাংবাদিক আবুল কালাম আজাদ বিপ্লবের উপর সন্ত্রাসী হামলায় জড়িতদের কোনভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না। হামলাকারী রাজিব ও তার সহযোগীদের দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় এনে উপযুক্ত শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। এই সন্ত্রাসী হামলার বিচার না হলে সাংবাদিক সমাজের পক্ষ থেকে আরো কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে।এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলে, আব্দুল গফুর, ইমরান হোসেন,আতিকুল ইসলাম, আমিনুর রহমান, মামুন হোসাইন, মিলন মাহমুদ, মুস্তাফিজুর রহমান মুকুল, ছানোয়ার হোসেন ও জয়নাল আবেদীন জয়সহ অনেকে।উল্লেখ্য, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে গত বৃহস্পতিবার উপজেলার জামির্তা ইউনিয়নের সুদক্ষিরা এলাকায় সাংবাদিক আবুল কালাম আজাদের উপর দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে অতর্কিত হামলা করে স্থানীয় সন্ত্রাসী রাজিব ও তার লোকজন। এসময় বিপ্লবের আর্তচিৎকারে লোকজন এগিয়ে আসলে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে পালিয়ে যায় সন্ত্রাসীরা। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় সাংবাদিক বিপ্লবকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে স্বজনরা। এ ঘটনায় রাজিবসহ ৫ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত কয়েকজনকে আসামী করে থানায় মামলা করেন সাংবাদিক আবুল কালাম আজাদ। মামলার অন্য আসামীরা হলো-প্রধান আসামী রাজিবের ছোট ভাই ইমন, সুদক্ষিরা গ্রামের মৃত কুদ্দুসের ছেলে ইব্রাহিম খলিল, তার ছেলে দিপু ও একই গ্রামের আফাজ উদ্দিনের ছেলে বাবুল মিয়া। এদের মধ্যে ইব্রাহিম খলিল ও বাবুল মিয়াকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠায় থানা পুলিশ। আদালতের বিচারক তাদের জামিন না মঞ্জুর করে জেলহাজতে পাঠানোর আদেশ দেন।