বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ০২:০৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বিষমুক্ত নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে সিংগাইরে পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস অনুষ্ঠিত হেমায়েতপুরে রাত জেগে আবর্জনায় ভরা ড্রেনেজ ব্যবস্থা সচল করলো বিএনপি নেতা-কর্মীরা সাটুরিয়ায় সাংবাদিকের বাসায় চুরি সাভারে অন্ধ মার্কেটে ভয়াবহ আগুন রসিদ ছাড়াই টাকা আদায়, সাভারে অবৈধ অটোরিকশা চালকদের বিক্ষোভ সাভারে হকারদের দেশীয় অস্ত্রের আঘাতে ৩ আনসারের অবস্থা আশঙ্কাজনক অবশেষে ক্লোজড ‘মব স্টার’ সাব-রেজিস্ট্রার জাকির সাভারে সাংবাদিকের ওপর হামলার প্রতিবাদে কর্মবিরতি সাভারে ভুয়া হাজী বিরিয়ানির আড়ালে স্কুলের সম্পদ দখলের পাঁয়তারা ওয়ালটনের ডিজিটাল ক্যাম্পেইন ‘সিজন-২৪’ উপলক্ষে ছাদখোলা বাস র‍্যালি

স্বৈরশাসক পারভেজ মুশাররফের মৃত্যুদণ্ড

প্রতিনিধির নাম
  • সর্বশেষ আপডেট : মঙ্গলবার, ১৭ ডিসেম্বর, ২০১৯
  • ৮৮৭ বার পড়া হয়েছে /

মহানগর বার্তা ডেস্কঃ রাষ্ট্রদ্রোহীতার মামলায় দোষী সাব্যস্ত পাকিস্তানের সাবেক স্বৈরশাসক জেনারেল (অব.) পারভেজ মুশাররফকে মৃত্যুদণ্ডের সাজা দিয়েছেন দেশটির বিশেষ আদালত। ২০০৭ সালে সংবিধান লঙ্ঘন দেশে জরুরি অবস্থা জারির অভিযোগে তার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহীতার মামলা দায়ের হয়েছিল প্রায় অর্ধযুগ আগে (২০১৩ সালে)। মঙ্গলবার সাবেক পাক প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ এই সাজা ঘোষণা করা হয়।

বিশেষ আদালতের এই মামলার শুনানি করেছেন তিন সদস্যের বিচারকের একটি প্যানেল। বিচারকদের এই প্যানেলে ছিলেন পেশওয়ার হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি ওয়াকার শেঠ, সিন্ধ হাইকোর্টের বিচারপতি নজর আকবর এবং লাহোর হাইকোর্টের বিচারপতি শহীদ করিম।

দেশটির ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) সরকারের পক্ষে আইনজীবী আলী জিয়া বাজওয়া সাবেক এই সামরিক শাসকের বিরুদ্ধে অভিযোগ উত্থাপনের জন্য আদালতের কাছে আবেদন করেছিলেন।

বাজওয়া বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শওকত আজিজ, আব্দুল হামিদ দোগার ও জাহিদ হামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনতে চায় সরকার। এক সঙ্গে সব অভিযুক্তের বিচার করা উচিত। সাবেক স্বৈরশাসক পারভেজ মুশাররফের এই সহযোগীদেরও বিচারের মুখোমুখি করা উচিত।

২০০১ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ছিলেন পারভেজ মুশাররফ। রাষ্ট্রদ্রোহ, জরুরি অবস্থা জারি, বেআইনি উপায়ে বিচারপতি বরখাস্ত, বেনজির ভুট্টো হত্যা এবং লাল মসজিদ তল্লাশি অভিযান সংক্রান্ত বেশ কয়েকটি মামলায় বর্তমানে পলাতক রয়েছেন সাবেক এই পাক সেনাপ্রধান।

২০০৭ সালের ৩ নভেম্বর জরুরি অবস্থা জারির অভিযোগে দেশটির আদালতে মুশাররফের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহী মামলা হয়। ২০১৩ সালের ডিসেম্বরে আদালতে তার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহীতার মামলা দায়ের হয়। ঝুলে ছিল। সংবিধান লঙ্ঘন করে জরুরি অবস্থা জারির অভিযোগে ওই বছর মুশাররফকে রাষ্ট্রদ্রোহীতার মামলায় দোষী সাব্যস্ত করেন আদালত।

২০১৪ সালের ৩১ মার্চ এই মামলায় আদালতে দোষী সাব্যস্ত হন তিনি। একই বছরের সেপ্টেম্বরে আদালত সাবেক এই স্বৈরশাসকের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের প্রমাণ বিশেষ আদালতের কাছে হস্তান্তর করেন। বিচারপ্রক্রিয়া দীর্ঘ হওয়ার সুযোগে ২০১৬ সালের মার্চে দেশ ত্যাগ করেন সাবেক এই পাক প্রেসিডেন্ট। আদালতের অনুমতি নিয়েই তিনি দেশ ছাড়েন সেই সময়। বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাতে রয়েছেন তিনি।

সংবিধান লঙ্ঘন করে জরুরি অবস্থা জারির অভিযোগে পারভেজ মুশাররফের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার এই মামলা দায়ের করেছিল পাকিস্তানের তৎকালীন ক্ষমতাসীন পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজ (পিএমএল-এন) সরকার।

আরো পড়ুন

এস এন্ড এফ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

Developer Design Host BD