বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট অতিপ্রবল ঘূর্ণিঝড় মোখার অগ্রভাগ উপকূলীয় এলাকা অতিক্রম শুরু করেছে। রোববার (১৪ মে) সকাল সকালে আবহাওয়া অধিদপ্তরের দেওয়া ১৮ নম্বর বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর বলেছে,
তীব্র গরমে হাঁসফাঁস জনজীবনে। বইছে অতি তীব্র তাপপ্রবাহ। সূর্যের গনগনে আঁচে স্থবির হয়ে পড়েছে জনজীবন। এরপরও জীবনের চাকা থেমে নেই। চাতক পাখির মতো চেয়ে আছে সবাই, কখন বৃষ্টি নামবে। কখন
আজ গরম আরও বাড়তে পারে। বর্তমানে মৃদু থেকে মাঝারি পর্যায়ের তাপপ্রবাহ আছে। এটা সর্বোচ্চ মাঝারি পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে। পাশাপাশি গরমের এই ঊর্ধ্বমুখী পরিস্থিতি ২১ এপ্রিল পর্যন্ত একইরকম বিরাজ করতে পারে।আবহাওয়া
কয়েকদিন ধরে দেশের সাত বিভাগের ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। তাপপ্রবাহ নিয়ে সগসাই নেই কোনো সুখবর। আজ বৃহস্পতিবার (১৩ এপ্রিল) আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে সারাদেশে তাপপ্রবাহ আরও
আগামী ২৪ ঘণ্টায় দেশের ২০ জেলার ওপর দিয়ে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি, বজ্রসহ বৃষ্টি অথবা অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দর সমূহকে ১ নম্বর
মৌসুমি বায়ু ও পশ্চিমা লঘুচাপের প্রভাবে দেশের ১৮ জেলায় ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড় আঘাত হাসতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। শুক্রবার (৩১ মার্চ) ভোর ৫টা থেকে দুপুর
দেশের সব বিভাগে ফের বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। একইসঙ্গে ঢাকাসহ ১৯ জেলায় ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়বৃষ্টি আঘাত হানতে পারে বলে জানিয়েছে অধিদপ্তর। মঙ্গলবার (২০ মার্চ) সকালে এক পূর্বাভাসে
কক্সবাজারে ৪ দশমিক ১ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। তবে এতে কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। শনিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টা ৩৯ মিনিটে এই ভূকম্পন হয় বলে নিশ্চিত করেছেন কক্সবাজার আবহাওয়া অফিসের সহকারী
সারা দেশে রাত এবং দিনের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধি পেতে পারে। সেই সাথে অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
মাঘের মাঝামাঝিতে এসে শুরু হওয়া শৈত্য প্রবাহ দেশের চার জেলার ওপর দিয়ে বয়ে হচ্ছে। যা আরও বিস্তৃত হওয়ার আভাস রয়েছে। বৃহস্পতিবার (২ ফেব্রুয়ারি) এমন পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।আবহাওয়াবিদ মো. ওমর