রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ০৫:১৭ অপরাহ্ন
লীড ২
হাইকোর্ট সংলগ্ন জাতীয় ঈদগাহ মাঠের গেটের কাছে ড্রাম থেকে খণ্ডিত মরদে উদ্ধারের ঘটনায় মামলা হয়েছে। মামলায় নিহত আশরাফের জরেজ নামে এক বন্ধুকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। এছাড়াও মামলায় অজ্ঞাত আরও বেশ কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে। শুক্রবার (১৪ নভেম্বর) সকালে নিহত আশরাফুল হকের বোন আনজিনা বেগম বাদী হয়ে শাহবাগ থানায় মামলাটি দায়ের করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে শাহবাগ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) খালিদ মনসুর বলেন, ড্রামের ভেতর থেকে ব্যবসায়ী আশরাফুল হকের ২৬ টুকরা মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় আজ সকালে একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার বাদী নিহতের বোন আনজিনা বেগম। মামলায় নিহত আশরাফুলের বন্ধু জরেজ মিয়াকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। এছাড়াও অজ্ঞাত আরও কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে। এ ঘটনায় এখনো কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি জানিয়ে তিনি বলেন, এখনও জড়িত কাউককে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। সিসিটিভি ফুটেজসহ অন্যান্য তথ্য বিশ্লেষণ করে দ্রুত জড়িতদের শনাক্ত করতে কাজ চলছে। এ বিষয়ে বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) ডিএমপির রমনা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মাসুদ আলম সাংবাদিকদের জানান, মঙ্গলবার বাড়ি থেকে আশরাফুল ঢাকায় আসেন। বুধবার রাত ৯টা পর্যন্ত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে তার কথা হয়। এরপর আর যোগাযোগ হয়নি। ভারত ও মিয়ানমার থেকে পেঁয়াজ এবং আলু আমদানি করতেন তিনি। পণ্য আমদানির জন্য তার সরকারি লাইসেন্স রয়েছে। এর আগে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নীল রঙের ড্রামে টুকরা টুকরা মরদেহ পাওয়া যায়। তাৎক্ষণিক মরদেহের পরিচয় শনাক্ত না হলেও পরে ফিঙ্গারপ্রিন্টের মাধ্যমে পুলিশ তার পরিচয় নিশ্চিত হয়। নিহত ব্যক্তির নাম মো. আশরাফুল হক (৪২)। তার গ্রামের বাড়ি রংপুরের বদরগঞ্জের গোপালপাড়ায়। তার বাবার নাম মো. আব্দুর রশিদ ও মায়ের নাম মোছা. এছরা খাতুন।

ড্রামে খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় মামলা, আসামি নিহতের বন্ধু

হাইকোর্ট সংলগ্ন জাতীয় ঈদগাহ মাঠের গেটের কাছে ড্রাম থেকে খণ্ডিত মরদে উদ্ধারের ঘটনায় মামলা হয়েছে। মামলায় নিহত আশরাফের জরেজ নামে এক বন্ধুকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। এছাড়াও মামলায় অজ্ঞাত আরও

বিস্তারিত

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেছেন, সরকার জুলাই জাতীয় সনদের আইনি ভিত্তি দিয়েছে। সরকার এখানে দরদ দেখিয়েছে কিন্তু কোনো দায় দেখায়নি। শুক্রবার (১৪ নভেম্বর) রাতে দলের অস্থায়ী কার্যালয়ে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশের ব্যাপারে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানাতে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক বলেন, জুলাই সনদে রাজনৈতিক দলগুলো স্বাক্ষর করেছিল। সেখানে কিন্তু নোট অব ডিসেন্ট ছিল। জুলাই সনদটা কীভাবে বাস্তবায়নের মতো আইনি ভিত্তির প্রয়োজন আমরা কিন্তু এই দাবিটা তুলেছিলাম। পরে রাজনৈতিক অঙ্গনে সব জায়গায় আলোচনাটা শুরু হয়। সবাই এটা বুঝে যে, আসলে একটা বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া প্রয়োজন বা আইনি ভিত্তি প্রয়োজন। সরকার আইনি ভিত্তি দিয়েছে। সরকার এখানে দরদ দেখিয়েছে কিন্তু সরকার কোনো দায় দেখায়নি। অর্থাৎ আপনার যখন কোথাও কম্পেশন থাকবে আপনার রেসপন্সিবিলিটি নিতে হবে। সরকার এখানে তরকারি বাটি থেকে রাজনৈতিক দলগুলোকে এক চামচ, এক চামচ করে ভাগ করে দিয়েছে। বিএনপিকে এক চামচ দিয়েছে, জামায়াতকে এক চামচ দিয়েছে কিন্তু জনগণের প্লেট, ওটা খালি হয়ে গেছে। আমরা কী চেয়েছিলাম? এই গণঅভ্যুত্থানের পরে ’৭২-এর যে ফ্যাসিবাদী সংবিধান, সেই সাংবিধানিক কাঠামোকে পরিবর্তন করে জনগণের একটা কাঠামো নিয়ে আসতে। যাতে নতুন করে কেউ হাসিনার মতো আবিষ্কৃত না হয়ে জনগণের ওপর গুলি চালাতে না পারে। বাংলাদেশের দুর্ভাগ্য, এক হাসিনা যাওয়ার পরে আরেক হাসিনা আসার জন্য আমাদের দরজায় কড়া নাড়ছে। নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, আমরা জুলাই ঘোষণাপত্র থেকে শিক্ষা নিয়ে সেখানে কিন্তু সাইন করতে চাইনি। আমরা বলেছিলাম আপনি যে আদেশটা দেবেন, এই আদেশের ড্রাফটটা আমাদেরকে আগে দেখাতে হবে। কিন্তু সরকার এই ড্রাফটটা না দেখিয়ে নিজস্ব ক্ষমতা বলে একটা আদেশ জারি করেছে। যিনি ড্রাফটটা করেছেন, আমি নাম তার উচ্চারণ করব না। তার মনে যদি বাংলাদেশের জনগণ থাকত, এই ধরনের ড্রাফট উনি তৈরি করতেন না। এ ধরনের আদেশ তিনি তৈরি করতেন না। এটা আদেশ হয়েছে কিন্তু একটা জনবিরোধী আদেশ হয়েছে। উনার মাথায় ছিল বিএনপির প্রেসক্রিপশন। কারা এই আদেশটা দিয়েছে, এটা বাংলাদেশের সব মানুষ জানে। উনি গত গণঅভ্যুত্থানের পর থেকে এই পর্যন্ত গণঅভ্যুত্থানকে কীভাবে মুজিবীয় সংবিধানের ভেতরে ঢুকানো যায় এই প্রচেষ্টাই করে যাচ্ছেন। উনি আমাদের আইন উপদেষ্টা হিসেবে আছেন। উনি যদি জনগণকে মাথায় রাখতেন এই ধরনের আদেশের ড্রাফটিংটা করতেন না। তিনি বলেন, তারা (বিএনপি) সংস্কার কমিশনে গিয়ে গুন্ডামি করল। সেখানে যখন সবাই, সব দল একটা বিষয়ে ঐকমত্য পোষণ করেছে, সেখানে তারা ভেটো দিলো। বলল, আমরা এটা মানব না। খেলায় আছি কিন্তু তালগাছটা আমার। সংস্কার কমিশন আসলে বিপদে পড়েছে। তারপরও দেশের স্বার্থে ওই দলের নোট অব ডিসেন্ট রেখে আমরা সামনের দিকে এগিয়েছি। বর্তমান যে পরিস্থিতিতে জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি হয়েছে, তারা বলেছিল একটি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে। আমরা বলেছি এটার আদেশ দিতে হবে। সরকার আদেশ দিয়েছে, এটা আমরা পেয়েছি। আমরা জানিয়েছিলাম যে ড. ইউনূসকে দিতে হবে, সাহাবুদ্দিন এটা দিতে পারবে না। আমরা জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি পেয়েছি কিন্তু নৈতিক ভিত্তির জায়গাটা আমরা পাইনি। এই জুলাই সনদের শুরুতে সরকার গণঅভ্যুত্থান শব্দটা উচ্চারণ করেছে। সার্বভৌম অভিপ্রায়ের যে প্রকাশ সেটা জনগণ থেকে নিয়েছে। কিন্তু সেই সার্বভৌম অভিপ্রায়ের যে সাইন, যার মাধ্যমে দিয়েছে, উনি কিন্তু জনগণের ওপর কয়েকদিন আগে গুলি চালিয়েছিলেন। সরকার এখানে আইনি ভিত্তি দিলো। কিন্তু এই জুলাই সনদকে সে অপবিত্র করেছে। সংবাদ সম্মেলনে দলের সদস্য সচিব আখতার হোসেনসহ সিনিয়র নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

দরদ দেখিয়েছে সরকার কিন্তু দায় দেখায়নি

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেছেন, সরকার জুলাই জাতীয় সনদের আইনি ভিত্তি দিয়েছে। সরকার এখানে দরদ দেখিয়েছে কিন্তু কোনো দায় দেখায়নি। শুক্রবার (১৪ নভেম্বর) রাতে দলের অস্থায়ী

বিস্তারিত

বিএনপির চেয়ারপারসন ও দিনাজপুর-৩ (সদর) আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ সদস্য পদে দলের মনোনীত প্রার্থী বেগম খালেদা জিয়ার পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেছে দিনাজপুর জেলা বিএনপি। শুক্রবার (১৪ নভেম্বর) দুপুরে দিনাজপুর শহরের ফরিদপুর কবরস্থানে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বাবা ইস্কান্দার মজুমদার, মা তৈয়বা মজুমদার ও বড় বোন খুরশিদ জাহান হকের কবর জিয়ারতের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রচারণা কার্যক্রমের শুরু করে জেলা বিএনপি। এ সময় দিনাজপুর জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাড. মোফাজ্জল হোসেন দুলাল, সাধারণ সম্পাদক বখতিয়ার আহমেদ কচি, সিনিয়র সহসভাপতি মোকাররম হোসেন, বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও দিনাজপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম, দিনাজপুর জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাড. আব্দুল হালিম, দিনাজপুর চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি আবু বকর সিদ্দিকসহ বিএনপি ও অঙ্গ-সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। কবর জিয়ারতের পর ফরিদপুর গোরস্থান মোড়ে আনুষ্ঠানিক লিফলেট বিতরণ শুরু করা হয়। এ সময় জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দিনাজপুর-৩ (সদর) আসনে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার পক্ষে ভোট চান। দিনাজপুর জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বখতিয়ার আহমেদ কচি বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার শৈশব বেড়ে উঠেছে দিনাজপুর সদর উপজেলায়। তিনি দেশের জন্য সব সময় আপসহীন হিসেবে কাজ করেছেন। আমরা দিনাজপুরবাসী তার জন্য গর্বিত। চেয়ারপারসনের বড় বোন মরহুম খুরশিদ জাহান হকের কারণে দিনাজপুর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল, শিক্ষা বোর্ড, হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়সহ সব ধরনের উন্নয়ন হয়েছে। বিগত ১৭ বছর ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের কারণে দিনাজপুর সদর উপজেলা সব ধরনের উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত ছিল। আমরা আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বেগম খালেদা জিয়াকে বিপুল ভোটে বিজয়ী করার জন্য সবাই একসঙ্গে কাজ করছি। যাতে করে মরহুম খুরশিদ জাহান হকের উন্নয়নের ধারাবাহিকতা আগামীতে চলমান থাকে। বেগম খালেদা জিয়া দেশের বিভিন্ন আসনে নির্বাচন করলেও এই প্রথম দিনাজপুর সদর-৩ আসনে নির্বাচন করছেন।

দিনাজপুরে খালেদা জিয়ার পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু

বিএনপির চেয়ারপারসন ও দিনাজপুর-৩ (সদর) আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ সদস্য পদে দলের মনোনীত প্রার্থী বেগম খালেদা জিয়ার পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেছে দিনাজপুর জেলা বিএনপি। শুক্রবার (১৪ নভেম্বর) দুপুরে দিনাজপুর

বিস্তারিত

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, দেশে একটি রাজনৈতিক দল ধর্মকে ব্যবহার করে ভোটের লাভ তুলতে চায় এবং ‘জান্নাতের টিকিট’ বিক্রির মতো প্রচারণা চালায়। তাঁর অভিযোগ, এই মানসিকতার কারণে নারীরা নির্যাতনের শিকার হন। শুক্রবার (১৪ নভেম্বর) রাজধানীর শাহবাগে নারী ও শিশু অধিকার ফোরামের আয়োজিত সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। সালাহউদ্দিন বলেন, বাংলাদেশ ধর্ম, জাতি বা পরিচয়ের ভিত্তিতে বিভাজিত হবে না। সবার সমান নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করা হবে। তিনি জানান, জুলাই জাতীয় সনদ আইনি ভিত্তি পেয়েছে, এবং বিএনপি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ—এই সনদে থাকা প্রত্যেকটি অঙ্গীকার বাস্তবায়নে। তিনি আরও বলেন, ধর্মের নামে ব্যবসা করে এমন একটি দল নারীদের অগ্রগতি চায় না। “নারীর কর্মঘণ্টা কমানোর কথা বলে তারা ইচ্ছাকৃতভাবে নারীদের কর্মসংস্থান কমিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে। কর্মঘণ্টা কমলে অনেকে নারীদের চাকরিতে নিতে অনিচ্ছুক হবে—এটাই তাদের উদ্দেশ্য,” মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর মতে, এ ধরনের প্রস্তাব নারীর ক্ষমতায়ন ও দেশের উন্নয়নের পথে বড় বাধা। বিএনপির এই নেতা বলেন, নারীকে এগিয়ে নিতে হলে রাষ্ট্রীয়, সামাজিক ও পারিবারিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। বিএনপির ঘোষিত ৩১ দফার মাধ্যমে নারীর নিরাপত্তা ও উন্নয়নের ভিত্তি শক্তিশালী হবে বলে তিনি দাবি করেন। একই দিনে নির্বাচন ও গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে সালাহউদ্দিন বলেন, ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে জাতীয় নির্বাচন হবে। গণভোটের মাধ্যমে সংবিধান সংশোধন করা সম্ভব নয়—এ কারণে নতুন সংসদ অত্যাবশ্যক।

জান্নাতের টিকিট বিক্রি করে ভোট আদায়ের চেষ্টায় একটি দল

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, দেশে একটি রাজনৈতিক দল ধর্মকে ব্যবহার করে ভোটের লাভ তুলতে চায় এবং ‘জান্নাতের টিকিট’ বিক্রির মতো প্রচারণা চালায়। তাঁর অভিযোগ, এই মানসিকতার কারণে

বিস্তারিত

ইউনিয়ন-এ অবস্থিত এক রাজনৈতিক কর্মীর বাড়ি থেকে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) বৃহস্পতিবার অভিযান চালিয়ে ১১টি বন্দুক, ২৭টি দেশি ধারালো অস্ত্র, ৮টি ক্রিকেট স্টাম্প এবং ১৫টি কার্তুজসহ বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার করেছে। অভিযানে একজন বিএনপি কর্মীসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

বিএনপির কর্মীর বাড়ি থেকে অস্ত্র উদ্ধার

চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলা-র নোয়াপাড়া ইউনিয়ন-এ অবস্থিত এক রাজনৈতিক কর্মীর বাড়ি থেকে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন র‌্যাব।  বৃহস্পতিবার অভিযান চালিয়ে ১১টি বন্দুক, ২৭টি দেশি ধারালো অস্ত্র, ৮টি ক্রিকেট স্টাম্প এবং ১৫টি কার্তুজসহ

বিস্তারিত

সিআইডির ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইমের অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিজ্ঞ সিনিয়র স্পেশাল জজ, মহানগর দায়রা জজ আদালত আজ সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) এ আদেশ প্রদান করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খান। জসীম উদ্দিন খান এক বিজ্ঞপ্তিতে জানান, তৌফিকা করিম সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের বান্ধবী ও সাবেক পিএস। তিনি আইনমন্ত্রীর ক্ষমতার অপব্যবহার করে আদালতে আসামি জামিন, নিয়োগ বাণিজ্য, বদলির তদবিরসহ নানা অপকর্ম করে উপার্জন করেন। উপার্জিত অর্থ দ্বারা ফ্ল্যাট, গাড়ি ও জমি ক্রয় করাসহ বিদেশে অর্থপাচার করে মানিলন্ডারিংয়ের অপরাধ করে মর্মে প্রাথমিকভাবে তথ্য পাওয়া যায়। তার স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নামে পরিচালিত ১১৪টি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট জব্দ করা হয়।

আনিসুল হকের সাবেক পিএস‌ তৌফিকার ৮৭ কোটি টাকা অবরুদ্ধ

সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের সাবেক ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস) তৌফিকা করিম এবং তাদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ১১৪টি ব্যাংক অ্যাকাউন্টের ৮৬ কোটি ৯৮ লাখ ৪০ হাজার ৫৫৬ টাকা ফ্রিজ (অবরুদ্ধ)

বিস্তারিত

কর্মস্থলের নিয়মনীতি লঙ্ঘন এবং শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে ২০০ কর্মীকে চাকরিচ্যুত করেছে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ। একই সঙ্গে ৪ হাজার ৯৭১ জনকে ওএসডি (অন সার্ভিস ডিউটি) করা হয়েছে। ওএসডি হওয়া কর্মীরা বেতন-ভাতা পেলেও আপাতত কোনো দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না। এতে ব্যাংকের অভ্যন্তরে তৈরি হয়েছে নতুন অস্থিরতা। ব্যাংক সংশ্লিষ্ট একাধিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ২০১৭ সালে চট্টগ্রামের প্রভাবশালী ব্যবসায়ী গ্রুপ এস আলম ইসলামী ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর বিপুলসংখ্যক কর্মী সরাসরি সিভি নিয়ে নিয়োগ পান, যেখানে কোনো লিখিত পরীক্ষা হয়নি। নিয়োগপ্রাপ্তদের বড় অংশই ছিলেন চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার বাসিন্দা। ফলে বর্তমানে ব্যাংকের প্রায় অর্ধেক কর্মকর্তা-কর্মচারী ওই অঞ্চল থেকে আগত। একজন সিনিয়র কর্মকর্তা অভিযোগ করে বলেন, “এস আলম গ্রুপের সময়ে অযোগ্য লোকজনকে নিয়োগ দিয়ে ব্যাংকটিকে প্রায় ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেওয়া হয়েছে। এখন আমরা ব্যাংকের স্বার্থে সবাইকে যোগ্যতা যাচাই পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছি।” বাংলাদেশ ব্যাংক এবং হাইকোর্টের নির্দেশনার ভিত্তিতে গত ২৭ সেপ্টেম্বর এই পরীক্ষার আয়োজন করা হয়। পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য ৫,৩৮৫ জন কর্মকর্তাকে বলা হলেও মাত্র ৪১৪ জন অংশ নেন। যারা উপস্থিত হননি, সেই ৪,৯৭১ জনকে পরদিন থেকেই ওএসডি করা হয়। এছাড়া পরীক্ষার আয়োজনকে কেন্দ্র করে বিভ্রান্তি ছড়ানো ও প্রকাশ্যে বিরোধিতা করায় ২০০ কর্মীকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। ওএসডি হওয়া কর্মীদের অভিযোগ, তারা হাইকোর্টে রিট করার পর আদালত নিয়মিত প্রমোশনাল পরীক্ষা চালানোর নির্দেশ দিয়েছিল। কিন্তু ব্যাংক কর্তৃপক্ষ সেই আদেশ অমান্য করে আলাদা যোগ্যতা যাচাই পরীক্ষার আয়োজন করে, যা বেআইনি। তারা পুনরায় আদালতের আশ্রয় নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, “ছাঁটাইয়ের উদ্দেশ্যে এ ধরনের পরীক্ষা দেশে এই প্রথম। সাধারণত পদোন্নতির জন্য ভাইভা নেওয়া হয়, তবে এখানে কর্মীদের মান যাচাইয়ের বিষয়টি নতুন অভিজ্ঞতা।” তিনি আরও বলেন, “ইসলামী ব্যাংক একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান। তাই নিয়োগ বা কর্মী যাচাই তাদের এখতিয়ারভুক্ত বিষয় হলেও তা করতে হবে দেশের প্রচলিত আইন ও নীতিমালার আওতায় থেকে।” ২০১৭ সালে নিয়ন্ত্রণ গ্রহণের পর এস আলম গ্রুপ ইসলামী ব্যাংক থেকে প্রায় ১ লাখ ৩১ হাজার কোটি টাকা তুলে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে ব্যাংকটি গভীর আর্থিক সংকটে পড়ে। ২০২৪ সালের আগস্টে সরকার পরিবর্তনের পর বাংলাদেশ ব্যাংক ইসলামী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদে রদবদল এনে এস আলমের প্রভাব দূর করার পদক্ষেপ নেয়।

২০০ কর্মীকে চাকরিচ্যুত, ৪৯৭১ জনকে ওএসডি করল ইসলামী ব্যাংক

কর্মস্থলের নিয়মনীতি লঙ্ঘন এবং শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে ২০০ কর্মীকে চাকরিচ্যুত করেছে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ। একই সঙ্গে ৪ হাজার ৯৭১ জনকে ওএসডি (অন সার্ভিস ডিউটি) করা হয়েছে। ওএসডি হওয়া কর্মীরা বেতন-ভাতা

বিস্তারিত

ছয় বছরের শিশু তাইয়েবা হারানোর পরও পরিবারের ভয়-উৎকন্ঠা থামছে না। থানায় মামলা তুলে নিতে ও নীরবতা বজায় রাখার জন্য বাদী পরিবারকে দফায় দফায় হুমকি দেওয়া হচ্ছে। মামলার প্রধান আসামি বলে পুলিশ অভিযুক্ত করে থাকা আয়েশা বেগমের পরিবারের লোকজন নিহতের পরিবারকে ভয় দেখাচ্ছে—এ কথা জানান নিহতের পরিবার ও প্রতিবেশিরা। সোমবার সকালে তাইয়েবার মা ডলি আক্তার এসব অভিযোগ তুলেছেন। তাইয়েবা টিটু সরদারের মেয়ে। তিনি ভেদরগঞ্জ উপজেলার সখিপুর থানাধীন ছৈয়ালকান্দি গ্রামের দারুণ নাজাত মাদ্রাসার নার্সারির ছাত্রী ছিলেন। গত বুধবার ওই স্কুলছাত্রী নিখোঁজ হন। বহু খোঁজাখুঁজির পর শুক্রবার প্রতিবেশী মেসবাহউদ্দীন মোল্লার বাড়ির সেপটিক ট্যাংক থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ও তদন্ত সূত্রে পুলিশ বলছে—পারিবারিক বিবাদ ও শত্রুতার জেরে অভিযোগভিত্তিক সন্দেহ করা হচ্ছে আয়েশা বেগমই শিশুটিকে হত্যা করেছেন। পুলিশ ঘটনার পর টিটু সরদারের বাদী হওয়া মামলায় চাচি আয়েশা বেগম, প্রতিবেশী নাসিমা ও রংমিস্ত্রি আসিফকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে যায়। আদালত আয়েশা বেগমের দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। অপরদিকে নিহতের পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, রোববার সকালে বাড়িতে এসে মামলা তুলে নিতে অভিযোগের প্রধান আসামি আয়েশার স্বামী সাহান সরদার, ছেলে আকিব সরদার, ননদ রিনা ও রুমা তাদের চাপ দিচ্ছেন। অভিযোগ অনুযায়ী আকিব ও রিনা বলেছে—“মামলা উঠাইয়া না নিলে তোর পোলারে খাইয়া ফালামু; তোর পোলারে শেষ দেখা দেইখা রাখিস। মাইয়ার তো লাশ পাইছোস, পোলার লাশ খুঁজে পাবি না।” এ ছাড়াও বিচার দাবিতে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদেরও নানা হুমকি দেয়া হয়েছে বলে পরিবার ও প্রতিবেশীরা জানায়। ডলি আক্তার কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “আমার মেয়েকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে। আমি ন্যায়বিচার চাই। কিন্তু এখন উল্টো আমাকে মামলা তুলে নিতে বলা হচ্ছে এবং বলা হচ্ছে আমার আরেক সন্তানকেও মেরে ফেলবে—আমি দিনরাত আতঙ্কে আছি। প্রশাসনের কাছে নিরাপত্তা চাই।” টিটু সরদারও বলেন, “আমরা এখন বাড়ি থেকে বের হতে ভয় পাই। ছেলে অনুভব করছে, স্কুলে ও বাড়ির বাইরে যেতে পারছে না। বিচার চাই—মরে গেলেও মেয়ের হত্যার বিচার চাই।” বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী শুক্রবার সকালে প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন ও পরে সখিপুর থানা ঘেরাও করে আসামিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করে। মানববন্ধনে অংশ নেওয়া দশম শ্রেণীর ছাত্রী লামিয়া জানান, আয়েশার স্বামী সাহান সরদার মানববন্ধনরতদের জানায়—“মানববন্ধন করলে লাশ মিলবে না।” তিনি বলেন, “তারা ভিডিও করে নিয়েছে, বলেছে কাউকে স্কুলে আসতে দেওয়া হবে না—তবুও আমরা আতঙ্কে থাকি না, তাইয়েবার হত্যার বিচার চাই।” প্রতিবেশী আবুল কাশেম মিয়া বলেন, “শিশুহত্যার মতো জঘন্য অপরাধের বিচার না হলে সমাজে ভয়ানক দৃষ্টান্ত তৈরি হবে। যদি বাদীকে এইভাবে হুমকি দেওয়া হয়, তাহলে আর কেউই মামলা করার সাহস পাবে না। প্রশাসন দ্রুত তদন্ত করে ঘটনার মূল আসামিদের গ্রেপ্তার করুক।” তিনি আরও যোগ করেন, হুমকিদাতাদেরও আইনের আওতায় আনা উচিত। সখিপুর থানার ওসি মো. ওবায়দুল হক বলেন, “হত্যাকাণ্ডে জড়িত সকল আসামিকে আইনের আওতায় আনা হবে। বাদী পরিবার যদি হুমকির বিষয়ে লিখিত অভিযোগ দেয়, পুলিশ তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেবে। তাদের নিরাপত্তা দেওয়ার ব্যাপারে পুলিশ প্রস্তুত আছে। হুমকিদাতাদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করা হবে।”

‘মাইয়ার তো লাশ পাইছোস, পোলার লাশ খুঁজে পাবি না’

ছয় বছরের শিশু তাইয়েবা হারানোর পরও পরিবারের ভয়-উৎকন্ঠা থামছে না। থানায় মামলা তুলে নিতে ও নীরবতা বজায় রাখার জন্য বাদী পরিবারকে দফায় দফায় হুমকি দেওয়া হচ্ছে। মামলার প্রধান আসামি বলে

বিস্তারিত

চিকিৎসক নিয়োগে ৪৮তম বিশেষ বিসিএসে নিয়োগে ২১ জন প্রার্থীর চূড়ান্ত সুপারিশ স্থগিত করেছে সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। এদের মধ্যে ১৯ জন সহকারী সার্জন এবং দুজন সহকারী ডেন্টাল সার্জন। এছাড়া এমবিবিএস ডিগ্রি না থাকায় দুই প্রার্থীর নিয়োগ বাতিল করা হয়েছে।

স্বাস্থ্য ক্যাডারের ২১ জনের সুপারিশ স্থগিত, দুজনের বাতিল

চিকিৎসক নিয়োগে ৪৮তম বিশেষ বিসিএসে নিয়োগে ২১ জন প্রার্থীর চূড়ান্ত সুপারিশ স্থগিত করেছে সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। এদের মধ্যে ১৯ জন সহকারী সার্জন এবং দুজন সহকারী ডেন্টাল সার্জন। এছাড়া এমবিবিএস

বিস্তারিত

সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বান্দরবান জেলা প্রশাসক শামীম আরা রিনি স্বাক্ষরিত গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। জেলা প্রশাসক জানান, আগামী ১ অক্টোবর থেকে সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ কেওক্রাডং পাহাড় খুলে দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও বন্ধ থাকা অন্যান্য পর্যটন কেন্দ্রগুলো পর্যায়ক্রমে খুলে দেওয়া হবে। ২০২২ সালের ১৭ অক্টোবর নিরাপত্তাজনিত কারণে ক্রমান্বয়ে বিভিন্ন উপজেলায় নিষেধাজ্ঞা দেয় জেলা প্রশাসন। চলতি বছরের ৫ জুন সকল উপজেলায় ভ্রমণ নিষিদ্ধ করা হয়েছিল, যদিও কিছু পর্যটন কেন্দ্র সীমিতভাবে খোলা ছিল। এছাড়াও ২০২৪ সালের ২ ও ৩ এপ্রিল কেএনএফ সদস্যদের ব্যাংক ডাকাতির ঘটনায় অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছিল। দীর্ঘদিন পর আইনশৃঙ্খলা ও সার্বিক পরিস্থিতি অনুকূলে থাকায় আগামী ১ অক্টোবর থেকে রুমা উপজেলার এই জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্রটি উন্মুক্ত করা হবে।

১ অক্টোবর থেকেই উন্মুক্ত হচ্ছে কেওক্রাডং

প্রায় আড়াই বছর পর পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হয়েছে বান্দরবানের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটন স্পট এবং দেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ কেওক্রাডং। সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বান্দরবান জেলা প্রশাসক শামীম আরা রিনি

বিস্তারিত

এস এন্ড এফ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

Developer Design Host BD