শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬, ১০:২৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
এই দেশ ছেড়ে, এই দেশের মানুষকে ছেড়ে আমি কোথাও যাব না। এই দেশই আমার একমাত্র ঠিকানা-হাজারো মানুষের সমাবেশে এমনটাই বলেছিলেন আপসহীন নেত্রী খালেদা জিয়া। সামান্য সমঝোতা করলে আরাম-আয়েশে থাকতে পারতেন, কারাবরণ করতে হতো না। কিন্তু তিনি বেছে নিয়েছিলেন সংগ্রামের পথ। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের অধিকাংশ সময়ই সংগ্রামের মধ্য দিয়ে কাটাতে হয়েছে খালেদা জিয়াকে। ১৯৮১ সালের ৩০ মে সামরিক অভ্যুত্থানে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা এবং তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান নিহত হন। ঠিক সেই সময়ে নেতৃত্বহীন দলে পুনরুজ্জীবন ঘটাতে সামনে আসেন খালেদা জিয়া। দল সংগঠনের পাশাপাশি সামরিক শাসক এরশাদের বিরুদ্ধে গণতান্ত্রিক আন্দোলনেও নেতৃত্ব দেন তিনি। শেষ পর্যন্ত ১৯৯০ সালে তার নেতৃত্বেই স্বৈরশাসকের পতন ঘটে। পরের বছর নির্বাচনে জয়ী হয়ে বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন তিনি। বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ প্রশ্নে তিনি কখনোই আপস করেননি। ভয় বা লোভের কাছে মাথা নত করেননি। ওয়ান ইলেভেনের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে আপস না করায় তাকে কারাবরণ করতে হয়। কারাগারে নির্যাতনের শিকার হন তার দুই ছেলেও। এক সমাবেশে তিনি বলেছিলেন, মইনুদ্দিন–ফখরুদ্দিন আমার সঙ্গে কথা বলেছে, আমাকে দেশের বাইরে পাঠানোর জন্য অনেক চেষ্টা করেছে। আমি যেতে রাজি হইনি বলে আমার সন্তানদের ওপর যে অত্যাচার হয়েছে, আপনারা দেখেছেন। আমাকে বলা হয়েছিল, আপনি না গেলে মামলা দেওয়া হবে, ছেলেদের ধরে নিয়ে যাওয়া হবে। আমি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিলাম, আমি দেশ ছেড়ে, দেশের মানুষকে ছেড়ে কোথাও যাব না। এই দেশই আমার একমাত্র ঠিকানা। দেশের বাইরে আমার কিছু নেই, কোনো ঠিকানাও নেই। আপনাদের ছেড়ে না যাওয়ার কারণেই আমার ছেলেদের ওপর এত নির্যাতন হয়েছে। আমাকে জেলে যেতে হয়েছে, কিন্তু জনগণকে ছেড়ে যাইনি। মইনুদ্দিন–ফখরুদ্দিনের সঙ্গে কোনো আপসও করিনি। বিগত ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলেও পুনরায় কারাবরণ করতে হয়েছে খালেদা জিয়াকে। রায় ঘোষণার কিছুদিন আগে চিকিৎসার জন্য লন্ডনে যান তিনি। তখন তার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষরা দাবি করেছিল, তিনি আর ফিরবেন না। কিন্তু তিনি ফিরেছিলেন। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার ঝড় নামবে জেনেও গ্রেপ্তারি পরোয়ানা মাথায় নিয়ে দেশে ফিরে আসেন। পরে দীর্ঘ তিন বছর কারাগারে থাকতে হয় তাকে। সে সময়ও তাকে নানা প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল বলে জানা যায়। রাজনীতি না করলে বা দেশ ছেড়ে গেলে তাকে শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে না এমন ইঙ্গিতও দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু আপসহীন নেত্রী খালেদা জিয়া কোনো অবস্থাতেই মাথানত করেননি। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) ভোর ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে খালেদা জিয়া ইন্তেকাল করেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮০ বছর।

‘দেশের মানুষকে ছেড়ে আমি কোথাও যাব না’

এই দেশ ছেড়ে, এই দেশের মানুষকে ছেড়ে আমি কোথাও যাব না। এই দেশই আমার একমাত্র ঠিকানা-হাজারো মানুষের সমাবেশে এমনটাই বলেছিলেন আপসহীন নেত্রী খালেদা জিয়া। সামান্য সমঝোতা করলে আরাম-আয়েশে থাকতে পারতেন,

বিস্তারিত

খালেদা জিয়ার ইন্তেকাল: রাজনৈতিক অঙ্গনে শোকের ছায়া

বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। আজ মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে মারা যান খালেদা জিয়া (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। দলটির ভেরিফায়েড ফেসবুক

বিস্তারিত

বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া আর নেই। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।দীর্ঘদিন ধরে নানা শারীরিক জটিলতার সঙ্গে লড়াই করে শেষ পর্যন্ত তিনি মৃত্যুবরণ করেছেন। ফেলে গেলেন শোকাবহ দেশ, স্তব্ধ রাজনৈতিক অঙ্গন এবং এক দীর্ঘ সংগ্রামী জীবনের ইতিহাস। দলীয় সূত্র জানায়, খালেদা জিয়া কিছুদিন আগে ফুসফুসে সংক্রমণজনিত তীব্র শ্বাসকষ্ট নিয়ে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি হন। প্রথমদিকে তাঁর শ্বাসপ্রশ্বাসের সমস্যা দ্রুত বেড়ে গেলে তাৎক্ষণিকভাবে পরীক্ষা–নিরীক্ষা শেষে চিকিৎসা শুরু করা হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে কেবিন থেকে স্থানান্তর করা হয় করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ)। চিকিৎসকরা জানান, তাঁর ফুসফুসের সংক্রমণের পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে থাকা কিডনি, লিভার, আর্থ্রাইটিস ও ডায়াবেটিস–সংক্রান্ত জটিলতাগুলো আরও জটিল আকার ধারণ করে। একটি রোগের চিকিৎসা দিতে গেলে আরেকটির ওপর বিরূপ প্রভাব পড়ছিল। ফলে সবকিছু মিলিয়ে তাঁর শারীরিক পরিস্থিতি দ্রুত সংকটাপন্ন হয়ে ওঠে। হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর থেকেই দেশি–বিদেশি বিশেষজ্ঞদের নিয়ে গঠিত মেডিকেল বোর্ড তাঁর চিকিৎসায় নিয়োজিত ছিল। তাঁর শারীরিক অবস্থার প্রতিটি ক্ষুদ্র পরিবর্তন ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করছিলেন লন্ডনে অবস্থানরত বড় ছেলে ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং তাঁর স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান। ডা. জুবাইদা রহমান নিজেও মেডিকেল বোর্ডের একজন সদস্য হিসেবে চিকিৎসার অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করছিলেন। ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী শামিলা রহমান সার্বক্ষণিক ছিলেন শাশুড়ির পাশে। দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী, বহুদলীয় গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনা ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনের অন্যতম প্রতীক বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে রাজনৈতিক অঙ্গনসহ সর্বস্তরের মানুষের মাঝে। তাঁর প্রস্থান একটি যুগের অবসান—এক দীর্ঘ সংগ্রামী পথচলার পূর্ণ বিরতি।

এক মহান নেত্রীকে হারাল দেশ

বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া আর নেই। আজ মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) ভোর ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

বিস্তারিত

মগবাজারে ককটেল বিস্ফোরণে যুবক নিহত

রাজধানীর মগবাজারে ককটেল বিস্ফোরণে একজন নিহত হয়েছেন। বুধবার (আজ) রাত আনুমানিক ৭টা ৩০ মিনিটে মগবাজারের মুক্তিযোদ্ধা গলির সামনে এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হঠাৎ বিকট শব্দে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে

বিস্তারিত

কলকাতায় বাংলাদেশের ডেপুটি হাইকমিশনের সামনে বিক্ষোভ করতে গিয়ে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ায় হিন্দুত্ববাদী বিভিন্ন সংগঠনের নেতাকর্মীরা। এই সংঘর্ষে পুলিশের লাঠিচার্জে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। এ সময় পশ্চিমবঙ্গের সমালোচিত সাংবাদিক ময়ূখ রঞ্জন ঘোষও আহতদের রক্তে রঙিন হয়ে পড়েন; যদিও তিনি নিজে সরাসরি আঘাত পাননি। ময়ূখ মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) বিকেল ৪টায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে তার ব্যক্তিগত আইডিতে এ তথ্য জানান। তিনি রক্তে দাগ পড়া শার্টের ছবি পোস্ট করে লিখেছেন, ‘বাংলাদেশের হিন্দুদের জন্য প্রতিবাদ করতে এসে, কলকাতায় লাঠির আঘাতে সনাতনীদের রক্ত লেগে আমার জামায়। নাক-মুখ ফাটিয়েছে। কিন্তু আমি একা ছিলাম না। সবাইকে জাপটে ধরেছিলাম। এই দাগ লাগা জামাটা অনেককিছু বদলে দেবে। সবকিছু মনে রাখা হবে।’ ময়ূখ পোস্টে আরও উল্লেখ করেছেন, ‘বাংলাদেশ হাইকমিশন, কলকাতা, ডিসেম্বর ২০২৫’ এবং সঙ্গে মুষ্টিবদ্ধ হাতের ইমোজিও দিয়েছেন।

অপপ্রচারকারি ময়ূখ রঞ্জন ‘রক্তাক্ত’

কলকাতায় বাংলাদেশের ডেপুটি হাইকমিশনের সামনে বিক্ষোভ করতে গিয়ে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ায় হিন্দুত্ববাদী বিভিন্ন সংগঠনের নেতাকর্মীরা। এই সংঘর্ষে পুলিশের লাঠিচার্জে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। এ সময় পশ্চিমবঙ্গের সমালোচিত সাংবাদিক ময়ূখ

বিস্তারিত

ভারত থেকে ৫০ হাজার মেট্রিক টন চাল আমদানির সিদ্ধান্ত

ভারত থেকে ৫০ হাজার মেট্রিক টন চাল আমদানির সিদ্ধান্ত

সরকার ভারত থেকে ৫০ হাজার মেট্রিক টন চাল আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ ছাড়া বাজারে আতপ চালের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় আরও আতপ চাল আনা হবে বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টা

বিস্তারিত

কলকাতায় বাংলাদেশ উপদূতাবাসের বাইরে হিন্দুত্ববাদীদের বিক্ষোভ-সংঘর্ষ

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিসহ কয়েকটি এলাকার পাশাপাশি এবার কলকাতায় বাংলাদেশ উপদূতাবাসের বাইরে বিক্ষোভ করেছে উগ্র হিন্দুত্বাবাদীরা। এ সময় বিক্ষোভকারীরা পুলিশের ব্যারিকেড ভাঙতে চাইলে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ

বিস্তারিত

আপনি জানেন কি রসুন, মাংসসহ নানা ধরনের খাবার এবং এমনকি উপবাস (ফাস্টিং) আপনার শরীরের গন্ধ বা ঘ্রাণকে পরিবর্তন করতে পারে।আবার অন্য একজন ব্যক্তির কাছে আপনি ঠিক কতটা আকর্ষণীয় সে বিষয়েও প্রভাব ফেলে বিভিন্ন খাবার।প্রতিটি মানুষের আঙুলের ছাপ যেমন ইউনিক বা অনন্য, তেমনি প্রতিটি মানুষের শরীরের ঘ্রাণও অনন্য।গবেষকরা বলছেন, ব্যক্তির জিন, হরমোন, মানসিক অবস্থা ও স্বাস্থ্যগত দিকের মতো খাদ্যও মানুষের স্বতন্ত্র শরীরের ঘ্রাণ তৈরিতে বড় ভূমিকা রাখে। বিশেষজ্ঞদের মতে, খাবার দুইভাবে শরীরের ঘ্রাণে প্রভাব ফেলে— হজম প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এবং ঘামগ্রন্থির মাধ্যমে। হজমের সময় কিছু রাসায়নিক পদার্থ ভেঙে গ্যাস তৈরি হয়, যা নিঃশ্বাসে দুর্গন্ধ সৃষ্টি করে। অন্যদিকে কিছু যৌগ রক্তে মিশে ঘামের সঙ্গে বের হয়ে ব্যাকটেরিয়ার সঙ্গে প্রতিক্রিয়া করে দেহে গন্ধ তৈরি করে। সালফারযুক্ত খাবার: রসুন–পেঁয়াজ–সবজি ব্রোকলি, বাঁধাকপি, ফুলকপি, ব্রাসেলস স্প্রাউট, রসুন ও পেঁয়াজে সালফারের পরিমাণ বেশি। এগুলো হজমের পর ঘামকে তীব্র গন্ধযুক্ত করে। তবে গবেষণায় দেখা গেছে, রসুন মুখে গন্ধ তৈরি করলেও ঘামের গন্ধকে কিছু ক্ষেত্রে আকর্ষণীয়ও করতে পারে। ফল–সবজি: শরীরে সৃষ্টি করে মনোরম ঘ্রাণ অস্ট্রেলিয়ার ২০১৭ সালের এক গবেষণায় দেখা গেছে, বেশি ফল ও সবজি খাওয়া মানুষের শরীর থেকে অপেক্ষাকৃত মিষ্টি ও আকর্ষণীয় গন্ধ পাওয়া যায়। এসব খাবারের ক্যারোটিনয়েড যৌগ শরীরকে ভেতর–বাইরে আরও সজীব করে তোলে। মাংস ও মাছ প্রাণিজ প্রোটিন ভেঙে তৈরি কিছু যৌগ ঘামে বের হয়ে দুর্গন্ধ বাড়ায়। এছাড়া বিরল জিনগত রোগে মাছ খাওয়ার পর শরীর থেকে পচা মাছের মতো গন্ধও বের হতে পারে। তবে গবেষণায় প্রমাণ মিলেছে, দুই সপ্তাহ মাংসবিহীন খাবার খেলে ঘাম আরও আকর্ষণীয় হয়। অ্যালকোহল ভেঙে তৈরি অ্যাসিটালডিহাইড শরীর থেকে তীব্র গন্ধ ছড়ায়। কফি ও চায়ের ক্যাফেইন ঘামগ্রন্থি সক্রিয় করে গন্ধ বাড়াতে পারে। কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, উপবাসের সময় ঘামের গন্ধ আকর্ষণীয় মনে হলেও নিঃশ্বাসের দুর্গন্ধ বেড়ে যায়। বিশেষজ্ঞদের মতে, খাবার শরীরের ঘ্রাণে বড় ভূমিকা রাখলেও এর প্রভাব ব্যক্তি ভেদে ভিন্ন হতে পারে। তবু পরিষ্কার যে— খাদ্যাভ্যাস শরীরের গন্ধকে আরও মনোরম করতে পারে, আবার দুর্গন্ধও বাড়াতে পারে।

যে খাবার শরীরে সুগন্ধ আর দুর্গন্ধ তৈরি করে

আপনি জানেন কি রসুন, মাংসসহ নানা ধরনের খাবার এবং এমনকি উপবাস (ফাস্টিং) আপনার শরীরের গন্ধ বা ঘ্রাণকে পরিবর্তন করতে পারে।আবার অন্য একজন ব্যক্তির কাছে আপনি ঠিক কতটা আকর্ষণীয় সে বিষয়েও

বিস্তারিত

ছেলের বিয়ের খবর জানালেন আসিফ

জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী আসিফ আকবর। ৩ বছর আগে বড় ছেলে শাফকাত আসিফ রণর বিয়ে দিয়েছেন এই শিল্পী। এবার তার ছোট ছেলেও বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হলেন। বিষয়টি গায়ক নিজেই তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানিয়েছেন।

বিস্তারিত

ঢাকাই সিনেমার শক্তিমান অভিনেতা আহমেদ শরীফ। একসময় তার উপস্থিতি ছাড়া বাণিজ্যিক সিনেমার গল্প যেন অসম্পূর্ণ থেকে যেত! প্রায় আট শতাধিক সিনেমায় খলনায়কের চরিত্রে অভিনয় করেছেন। তবে দীর্ঘদিন ধরে প্রবাস জীবন কাটাচ্ছেন। সম্প্রতি দেশে ফিরেই নির্বাচনে অংশ নেয়ার কথা জানালেন এই অভিনেতা। আসন্ন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনে সভাপতি পদে প্রার্থী হচ্ছেন তিনি। আহমদ শরীফ গণমাধ্যমে বলেন, “আমেরিকা থেকে কিছু কাজ নিয়ে দেশে এসেছি। কিছুদিন থেকে চলে যাব। তবে নির্বাচনের আগে অবশ্যই আমি আসব। শিল্পী সমিতির জন্য যারা কাজ করতে চান, তাদের নিয়ে একটা প্যানেল করে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করব।” সভাপতি পদে নির্বাচন করার তথ্য জানিয়ে আহমেদ শরীফ বলেন, “সবার সঙ্গে কথা বলছি। আসন্ন শিল্পী সমিতি নির্বাচনে সভাপতি পদে প্রার্থী হওয়ার ইচ্ছা আছে। তবে এখনো কোনো প্যানেল চূড়ান্ত করিনি। কয়েক দিনের মধ্যেই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানাতে পারব বলে আশা করছি।” বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির প্রতিষ্ঠাকালীন সাধারণ সম্পাদক ছিলেন আহমদ শরীফ। পরবর্তীতে তিনবার সাধারণ সম্পাদক এবং চারবার সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এক সপ্তাহের সফরে ঢাকায় এসেছেন আহমদ শরীফ। আরো দুই-একদিন দেশে থাকবেন বলেও জানান তিনি।

নির্বাচনে প্রার্থী হচ্ছেন আহমেদ শরীফ

ঢাকাই সিনেমার শক্তিমান অভিনেতা আহমেদ শরীফ। একসময় তার উপস্থিতি ছাড়া বাণিজ্যিক সিনেমার গল্প যেন অসম্পূর্ণ থেকে যেত! প্রায় আট শতাধিক সিনেমায় খলনায়কের চরিত্রে অভিনয় করেছেন। তবে দীর্ঘদিন ধরে প্রবাস জীবন

বিস্তারিত

এস এন্ড এফ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

Developer Design Host BD