মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ১০:২৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
পাবনায় সাবেক বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগ খালেদা জিয়ার জন্মদিনে ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদলের দোয়া মাহফিল বিরুলিয়ায় লেগুনা থেকে চাঁদাবাজির অভিযোগ, ভোগান্তিতে যাত্রী-শিক্ষার্থীরা ফিরে দেখা ২০২৩: রাজপথে আমান উল্লাহ আমানের লুটিয়ে পড়া ও একটি রক্তাক্ত দিন পাইপ দিয়ে গোলের লড়াই: সাভারে ‘ফুঁ-বল’ উন্মাদনা আকিজ পাইপসের ‘ফুঁ-বল চ্যাম্পিয়নশিপ’ ঘিরে নতুন উন্মাদনা সাভারে জমি দখল দিতে টাকা দিয়ে লোক ভাড়া করে মানববন্ধন, ভিডিও ভাইরাল সাভারে সোলার লাইট উদ্বোধন ও কৃষি প্রণোদনা বিতরণ বিষমুক্ত নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে সিংগাইরে পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস অনুষ্ঠিত হেমায়েতপুরে রাত জেগে আবর্জনায় ভরা ড্রেনেজ ব্যবস্থা সচল করলো বিএনপি নেতা-কর্মীরা

হল ছাড়ছেন ঢাবি শিক্ষার্থীরা

হল ছাড়তে শুরু করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) শিক্ষার্থীরা। রোববার (২৩ নভেম্বর) সকাল থেকেই প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নিয়ে বিভিন্ন হলের শিক্ষার্থীরা হল ত্যাগ করছেন। পরপর দুইদিনে ৪ দফা ভূমিকম্প পরবর্তী উদ্ভূত জরুরি

বিস্তারিত

টিএফআই-জেআইসি সেলে গুম-নির্যাতনের অভিযোগে মানবতাবিরোধী অপরাধের দুই মামলায় ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং সাবেক ও বর্তমান সেনা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে শুনানির দিন আজ (রোববার)। তবে গুমের মামলায় গ্রেফতার ১৩ সেনা কর্মকর্তা পরবর্তী শুনানিতে সশরীরে না এসে তাদের ভার্চুয়ালি হাজিরার আবেদন করেছেন আইনজীবীরা। রোববার (২৩ নভেম্বর) সকালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে কয়েকজন আসামির পক্ষে এ-সংক্রান্ত আবেদন করেন আইনজীবী মাইদুল ইসলাম পলক। গণমাধ্যমকে বিষয়টি তিনি নিজেই নিশ্চিত করেছেন। বিচারপতি গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনালে গ্রেফতার ১৩ সেনা কর্মকর্তাকে সকালে হাজির করা হয়েছে। আজ এই সেনা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ফেরত-সংক্রান্ত প্রতিবেদন উপস্থাপন এবং পলাতক শেখ হাসিনা, তারেক সিদ্দিকী ও কামালের জন্য স্টেট ডিফেন্স নিয়োগ দেয়া হতে পারে। এর আগে, এর আগে গত ২২ অক্টোবর গুমের দুই মামলায় ১৩ সেনা কর্মকর্তাকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। শুনানি শেষে তাদের গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত। একইসঙ্গে মামলার পরবর্তী শুনানির জন্য ২০ নভেম্বর দিন ঠিক করা হলেও পরে তা পিছিয়ে ২৩ নভেম্বর ধার্য করা হয়।

ট্রাইব্যুনালে ১৫ সেনা কর্মকর্তা

টিএফআই-জেআইসি সেলে গুম-নির্যাতনের অভিযোগে মানবতাবিরোধী অপরাধের দুই মামলায় ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং সাবেক ও বর্তমান সেনা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে শুনানির দিন আজ (রোববার)। তবে গুমের মামলায় গ্রেফতার ১৩ সেনা

বিস্তারিত

অপরিকল্পিত নগরীতে 'ছোট্ট ঝাঁকুনি' এক গভীর সতর্কবার্তা: আজহারি নিজস্ব প্রতিবেদক শুক্রবার (২১ নভেম্বর) সকালে অনুভূত হওয়া ভূমিকম্পের ঝাঁকুনিকে ইসলামিক স্কলার মিজানুর রহমান আজহারি 'দয়াময়ের দয়া' এবং গোটা জনপদবাসীর প্রতি একটি 'গভীর সতর্কবার্তা' হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। একই সাথে তিনি অপরিকল্পিত নগরায়ন, ঝুঁকিপূর্ণ ভবন এবং দুর্বল দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার কঠোর সমালোচনা করে মানুষকে আল্লাহর কাছে তওবা করে ফিরে আসার আহ্বান জানিয়েছেন। মিজানুর রহমান আজহারি তার ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক দীর্ঘ স্ট্যাটাসে এই প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন। ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে তিনি লেখেন, "সকালের ভূমিকম্পে যখন আমাদের বিল্ডিংটা দুলছে, তখন কিছু মূহূর্তের জন্য একেবারে স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিলাম। আতঙ্কে বুকটা কাঁপছিলো।" তিনি সতর্ক করে বলেন, যদি 'আর কয়েকটা ঝাঁকুনি দিতো', তবে ঢাকায় আজকে 'লাশের মিছিল' হতো এবং গোটা শহর 'নিস্তব্ধ এক গোরস্থানে' পরিণত হতে পারত। আজহারি লিখেছেন, "দয়াময় এই যাত্রায় আমাদের রক্ষা করেছেন। প্রভু হে, তুমি বড়ই মেহেরবান!" বাংলাদেশের নগরায়নের ত্রুটি তুলে ধরে তিনি বলেন, এমন অপরিকল্পিত নগরী।সারি সারি ঝুঁকিপূর্ণ ভবন,দূর্বল ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট। তিনি দৃঢ়ভাবে বলেন, "আল্লাহর দয়া ছাড়া বাঁচার কোনো উপায় আমাদের নাই।" এই দুর্যোগকে তিনি শুধুমাত্র প্রাকৃতিক ঘটনা হিসেবে না দেখে এটিকে স্রষ্টার পক্ষ থেকে মানুষের প্রতি একটি 'রিমাইন্ডার' হিসেবে দেখছেন। তিনি লিখেছেন,"গোটা জনপদবাসীকে সামান্য এক ঝাঁকুনি দিয়ে আল্লাহ রিমাইন্ডার দিচ্ছেন। বোঝাতে চাচ্ছেন— বাড়াবাড়ি সীমালঙ্ঘন যা-ই করো না কেন, নাটাই কিন্তু আমার হাতে।" — ফেসবুক স্টাটাসে আরও বুঝিয়েছেন, ভূমিকম্প আমাদের অহংকার মাটির সাথে মিশিয়ে দিতে এবং আমাদের অক্ষমতা দেখিয়ে দিতে আসে। তিনি বলেন, এর মাধ্যমে প্রমাণ হয়, "মহাশক্তিধর, মহাপ্রতাপশালী রাজাধিরাজ আল্লাহর সামনে আমরা কতোটা অসহায় আর নিরুপায়।" আজহারি জীবনের ক্ষণস্থায়ীত্ব নিয়ে গভীর প্রশ্ন তোলেন। তিনি উল্লেখ করেন, জুমার দিনের কতো পরিকল্পনা নিয়ে কিছু লোক ঘর থেকে বেরিয়েছিল, কিন্তু এখন তারা 'না ফেরার দেশে'। তিনি বলেন, "মৃত্যু কি আমাদের জীবনের পরিকল্পনায় থাকে?" জীবনের পরিকল্পনা করার সময় আমরা মৃত্যুকে স্মরণ রাখি না, অথচ মৃত্যুর নির্ধারিত সময় এলে সব ব্যস্ততাই শেষ হয়ে যাবে। আজহারির বলেন, যেহেতু কার মৃত্যু কখন আসবে তা কেউ জানে না, তাই আমাদের উচিত সর্বদা প্রস্তুত থাকা। তওবা করে রবের কাছে ফিরে আসা। একনিষ্ঠভাবে তাঁরই কাছে সমর্পিত হওয়া। শেষে, এই জাগতিক ভূমিকম্পকে কিয়ামত দিবসের 'আসল ভূমিকম্পের' একটি ছোট নমুনা হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি। তিনি পবিত্র কুরআনের সূরা আল-ওয়াকিয়াহ'র ৪-৬ নং আয়াত উদ্ধৃত করেন লেখায়: "যখন জমীন প্রকম্পিত হবে প্রবল প্রকম্পনে। আর পর্বতমালা চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে পড়বে। অত:পর তা বিক্ষিপ্ত ধূলিকণায় পরিণত হবে।" — [সূরা আল ওয়াকিয়াহ, ৪-৬] ফেসবুক স্টাটাসের লিংক-

অপরিকল্পিত নগরীতে ‘ছোট্ট ঝাঁকুনি’ গভীর সতর্কবার্তা: আজহারি

শুক্রবার (২১ নভেম্বর) সকালে অনুভূত হওয়া ভূমিকম্পের ঝাঁকুনিকে ইসলামী চিন্তাবিদ মিজানুর রহমান আজহারি ‘দয়াময়ের দয়া’ এবং গোটা জনপদবাসীর প্রতি একটি ‘গভীর সতর্কবার্তা’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। একই সাথে তিনি অপরিকল্পিত নগরায়ন,

বিস্তারিত

রাজধানীর পুরান ঢাকার বংশাল এলাকায় ভূমিকম্পের সময় একটি পাঁচ তলা ভবনের অংশ ধসে তিন পথচারী নিহত হয়েছেন। তবে, তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের নাম-পরিচয় জানাতে পারেনি পুলিশ। নিহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। শুক্রবার (২১ নভেম্বর) সকালে বংশালের কসাইটুলিতে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা জানান, ভূমিকম্পের সময় হঠাৎ করে ৫ তলা বিল্ডিংয়ের রেলিং ধ্বসে পড়ে তিনজন পথচারী ঘটনাস্থলেই নিহত হন। নিহতরা সড়ক দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলেন। ঘটনার পরপরই ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত হয়েছেন। বংশাল থানার ডিউটি অফিসার আশীষ কুমার ঘোষ জানান, ভূমিকম্পের সময় ভবনের রেলিং ধ্বসে পড়ায় তিন পথচারী নিহত হয়েছেন। ঘটনাস্থলে আমাদের সদস্যরা উপস্থিত আছেন। নিহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। তাদের নামপরিচয় এখনো জানতে পারিনি।

ঢাকায় ভূমিকম্পে তিন পথচারী নিহত

রাজধানীর পুরান ঢাকার বংশাল এলাকায় ভূমিকম্পের সময় একটি পাঁচ তলা ভবনের অংশ ধসে তিন পথচারী নিহত হয়েছেন। তবে, তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের নাম-পরিচয় জানাতে পারেনি পুলিশ। নিহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।

বিস্তারিত

রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। প্রাথমিক ভাবে জানা গেছে, ভূমিকম্পটির মাত্রা রিখটার স্কেলে ৫.৭ এবং এর উৎপত্তিস্থল ছিল ঘোড়াশাল থেকে ৭ কিলোমিটার দূরের অঞ্চল। শুক্রবার (২১ নভেম্বর) সকাল ১০টা ৩৮ থেকে ১০টা ৩৯ মিনিটের মধ্যে কম্পনটি অনুভূত হয়।

দেশে ভূমিকম্প অনুভূতি

রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। প্রাথমিক ভাবে জানা গেছে, ভূমিকম্পটির মাত্রা রিখটার স্কেলে ৫.৭ এবং এর উৎপত্তিস্থল ছিল ঘোড়াশাল থেকে ৭ কিলোমিটার দূরের অঞ্চল। শুক্রবার (২১ নভেম্বর)

বিস্তারিত

শেখ হাসিনাকে ফাঁসির আদেশ গত বছর জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত। এই মামলার আরেক আসামি সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকেও মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছে। আর রাজসাক্ষী সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুনের ৫ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। সোমবার (১৭ নভেম্বর) বিচারপতি গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এই রায় ঘোষণা করেন। এই ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী। ৪৫৩ পৃষ্ঠার এই রায়ের মোট ৬টি অংশ রয়েছে। রায়ে শেখ হাসিনা এবং আসাদুজ্জামান কামালের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে জুলাই শহীদদের দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। রায়ে বলা হয়-শেখ হাসিনা, আসাদুজ্জামান কামাল এবং চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুনের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধ প্রমাণিত হয়েছে। আদালত বলেন, চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুনের অপরাধ সর্বোচ্চ সাজার যোগ্য। শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান কামালের পালিয়ে যাওয়াও অপরাধের প্রমাণ বহন করে। এদিকে, পলাতক অবস্থায় এই রায়ের আপিল করতে পারবেন না শেখ হাসিনাসহ আসামিরা। ব্রিফিংয়ে প্রসিকিউটর গাজী মোনাওয়ার বলেন, শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামানের সাজা হলে তারা আপিল করতে পারবেন না। এর কারণ তারা পলাতক। ট্রাইব্যুনাল আইনে পরিষ্কার বলা আছে, রায় দেয়ার ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করতে হবে। তবে আপিলের সুযোগ নিতে হলে সাজাপ্রাপ্ত আসামিকে আত্মসমর্পণ করতে হয়। অথবা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যদি গ্রেফতার করতে পারে, তাহলেও আপিলের সুযোগ পান আসামি।

শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ড

গত বছর জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত। এই মামলার আরেক আসামি সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকেও মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছে।

বিস্তারিত

সম্পর্ক তৈরির বেলায় বয়স বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। তবে বর্তমান প্রজন্মের অনেকের কাছে বয়স বিশেষ গুরুত্ব বহন করে না। তাই আজকাল নিজের বয়সের চেয়ে কম বয়সের মানুষের সঙ্গে সম্পর্কে জড়াচ্ছেন তরুণ–তরুণীরা। পুরুষের ক্ষেত্রে এমন সম্পর্ক সমাজে স্বাভাবিক হলেও নারীর ক্ষেত্রে নয়। তবে আজকাল অনেক নারীই সঙ্গী বাছাই করার সময় বয়সের ফারাককে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন না। তাই তাঁরা এখন প্রেমিক বা দাম্পত্যসঙ্গী হিসেবে বেছে নিচ্ছেন কম বয়সীদের। ডেটিং অ্যাপের ট্রেন্ড বলছে, নারীরা পছন্দের ক্ষেত্রে সুন্দর মন, ব্যক্তিগত সুরক্ষা, আত্মবিশ্বাসী সঙ্গীকে খুঁজে নিতে চান। যেকোনো সম্পর্কে ভারসাম্য ও গতিশীলতাকে গুরুত্ব দেন। ডেটিং ট্রেন্ডে নারীরা মনোবিদেরা মনে করেন, এখনকার নারীরা নিজেদের সম্পর্ক নিয়ে বেশ সচেতন। যেকোনো বিষয়কে সহজভাবে নিতে পারার মানসিকতা বেড়েছে, বিশেষত অগ্রসর বিশ্বে তাঁরা কোনো বিষয়ে ভীত নন। সম্পর্কে যুক্ত হওয়ার সময় আত্মবিশ্বাস ও আত্মসচেতনতায় গুরুত্ব দেন তাঁরা। ঐতিহ্যগতভাবে পুরুষকে একচেটিয়াভাবে সফল কিংবা শক্তিশালী হিসেবে মেনে নিতে তাঁরা নারাজ। সঙ্গীর প্রতি আনুগত্যের চেয়ে নারীরা নিজের সুখ ও সামগ্রিক মঙ্গলকে অগ্রাধিকার দিচ্ছেন। এসব কারণেই অনেক নারী কম বয়সী পুরুষ সঙ্গীর সঙ্গে ডেটিং করছেন। অর্থাৎ ব্যক্তিগত পছন্দকেই গুরুত্ব দিচ্ছেন তাঁরা। কম বয়সী পুরুষ সঙ্গীর কাছ থেকে মানসিক, সামাজিক চাহিদাসহ অন্যান্য প্রয়োজনকে গুরুত্ব দিয়েই সম্পর্কে জড়াচ্ছেন। নিজের চেয়ে কম বয়সী পুরুষ সঙ্গীর সান্নিধ্যে আসায় নারীদের মধ্যে নিজেদের আরও তরুণ ভাবার একধরনের প্রবণতা তৈরি হয়েছে। কম বয়সী তরুণেরা নিজেদের সম্পর্কে সচেতন, নিজের স্বাস্থ্য ও রুচির বিষয়েও সজাগ। নতুন নতুন অভিজ্ঞতা কম বয়সীদের পৃথিবীকে নতুন করে জানার সুযোগ দেয়। এসব কারণে সম্পর্কে জড়ানোর সময় নারীরা কম বয়সীদের গুরুত্ব দেন। নারীরা এখন আগের চেয়ে বেশি অর্থনৈতিক ও সামাজিক স্বাধীনতার জন্য ছুটছেন। পারিবারিক বা সামাজিক নিরাপত্তার জন্য বয়স্ক সঙ্গী খোঁজার প্রথাগত নিয়মে তাঁরা আর বিশ্বাসী নন। ব্যক্তিগত পরিপূর্ণতা, মানসিক সংযোগ ও আকর্ষণকে অগ্রাধিকার দিতেই নিজের পছন্দের সঙ্গীকে বেছে নিচ্ছেন। বয়স কোনো বিষয় না বয়সের ব্যবধান সম্পর্কে এখন নারীদের সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি বেশ নমনীয়। তরুণদের তুলনায় নারীরা মধ্যবয়সীদের সঙ্গে সম্পর্কে জড়ানোর আগে অনেক চিন্তা করছেন। মধ্যবয়সী বা সমবয়সীদের সঙ্গে সম্পর্কে জড়ানোর ক্ষেত্রে সামাজিক রীতিনীতি বা লোকদেখানোর আচারকেই বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয় বলে মনে করেন নারীরা। সম্পর্ক নিয়ে পুরোনো সামাজিক নিয়মগুলোকে চ্যালেঞ্জ করতে চান তাঁরা।

নারীরা কেন বয়সে ছোট পুরুষের সঙ্গে প্রেমে জড়াচ্ছেন, জানেন?

সম্পর্ক তৈরির বেলায় বয়স বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। তবে বর্তমান প্রজন্মের অনেকের কাছে বয়স বিশেষ গুরুত্ব বহন করে না। তাই আজকাল নিজের বয়সের চেয়ে কম বয়সের মানুষের সঙ্গে সম্পর্কে জড়াচ্ছেন তরুণ–তরুণীরা। পুরুষের

বিস্তারিত

‎জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট একই দিনে অনুষ্ঠিত হবে। চারটি বিষয়ে অনুষ্ঠিত হবে গণভোট। গণভোটের দিন এই চারটি বিষয়ের ওপর একটিমাত্র প্রশ্নে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ ভোট দিয়ে জনগণ মতামত জানাবেন। বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) বেলা আড়াইটায় জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে এসব সিদ্ধান্ত জানান প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। এর আগে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ বৈঠকে ‘জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫’ অনুমোদন করা হয়। ‎প্রধান উপদেষ্টা বলেন, জুলাই সনদের আলোকে গণভোটের ব্যালটে উপস্থাপনীয় প্রশ্নও নির্ধারণ করা হয়েছে। ‎ ‎ভাষণে প্রশ্ন পড়েও শোনান প্রধান উপদেষ্টা। তিনি বলেন প্রশ্নটি হবে এ রকম: ‘আপনি কি জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫ এবং জুলাই জাতীয় সনদে লিপিবদ্ধ সংবিধান সংস্কারসম্পর্কিত নিম্নলিখিত প্রস্তাবগুলোর প্রতি আপনার সম্মতি জ্ঞাপন করছেন?’ ক) নির্বাচনকালীন সময়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার, নির্বাচন কমিশন এবং অন্যান্য সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান জুলাই সনদে বর্ণিত প্রক্রিয়ার আলোকে গঠন করা হবে। ‎ ‎খ) আগামী সংসদ হবে দুই কক্ষ বিশিষ্ট। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলগুলোর প্রাপ্ত ভোটের অনুপাতে ১০০ জন সদস্যবিশিষ্ট একটি উচ্চকক্ষ গঠিত হবে এবং সংবিধান সংশোধন করতে হলে উচ্চকক্ষের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের অনুমোদন দরকার হবে। ‎ ‎গ) সংসদে নারীর প্রতিনিধি বৃদ্ধি, বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার ও সংসদীয় কমিটির সভাপতি নির্বাচন, প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ সীমিতকরণ, রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা বৃদ্ধি, মৌলিক অধিকার সম্প্রসারণ, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও স্থানীয় সরকারসহ বিভিন্ন বিষয়ে যে ৩০টি প্রস্তাবে জুলাই জাতীয় সনদে রাজনৈতিক দলগুলোর ঐকমত্য হয়েছে সেগুলো বাস্তবায়নে আগামী নির্বাচনে বিজয়ী দলগুলো বাধ্য থাকবে। ‎ঘ) জুলাই সনদে বর্ণিত অন্যান্য সংস্কার রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিশ্রুতি অনুসারে বাস্তবায়ন করা হবে। ‎ ‎অধ্যাপক ইউনূস বলেন, ‘গণভোটের দিন এই চারটি বিষয়ের ওপর একটিমাত্র প্রশ্নে আপনি ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ ভোট দিয়ে আপনার মতামত জানাবেন’।

গণভোট হবে ৪ বিষয়ে, একটি প্রশ্নে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ দিয়ে মতামত

‎জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট একই দিনে অনুষ্ঠিত হবে। চারটি বিষয়ে অনুষ্ঠিত হবে গণভোট। গণভোটের দিন এই চারটি বিষয়ের ওপর একটিমাত্র প্রশ্নে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ ভোট দিয়ে জনগণ মতামত জানাবেন।

বিস্তারিত

হাইকোর্ট সংলগ্ন জাতীয় ঈদগাহ মাঠের গেটের কাছে ড্রাম থেকে খণ্ডিত মরদে উদ্ধারের ঘটনায় মামলা হয়েছে। মামলায় নিহত আশরাফের জরেজ নামে এক বন্ধুকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। এছাড়াও মামলায় অজ্ঞাত আরও বেশ কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে। শুক্রবার (১৪ নভেম্বর) সকালে নিহত আশরাফুল হকের বোন আনজিনা বেগম বাদী হয়ে শাহবাগ থানায় মামলাটি দায়ের করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে শাহবাগ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) খালিদ মনসুর বলেন, ড্রামের ভেতর থেকে ব্যবসায়ী আশরাফুল হকের ২৬ টুকরা মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় আজ সকালে একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার বাদী নিহতের বোন আনজিনা বেগম। মামলায় নিহত আশরাফুলের বন্ধু জরেজ মিয়াকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। এছাড়াও অজ্ঞাত আরও কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে। এ ঘটনায় এখনো কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি জানিয়ে তিনি বলেন, এখনও জড়িত কাউককে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। সিসিটিভি ফুটেজসহ অন্যান্য তথ্য বিশ্লেষণ করে দ্রুত জড়িতদের শনাক্ত করতে কাজ চলছে। এ বিষয়ে বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) ডিএমপির রমনা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মাসুদ আলম সাংবাদিকদের জানান, মঙ্গলবার বাড়ি থেকে আশরাফুল ঢাকায় আসেন। বুধবার রাত ৯টা পর্যন্ত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে তার কথা হয়। এরপর আর যোগাযোগ হয়নি। ভারত ও মিয়ানমার থেকে পেঁয়াজ এবং আলু আমদানি করতেন তিনি। পণ্য আমদানির জন্য তার সরকারি লাইসেন্স রয়েছে। এর আগে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নীল রঙের ড্রামে টুকরা টুকরা মরদেহ পাওয়া যায়। তাৎক্ষণিক মরদেহের পরিচয় শনাক্ত না হলেও পরে ফিঙ্গারপ্রিন্টের মাধ্যমে পুলিশ তার পরিচয় নিশ্চিত হয়। নিহত ব্যক্তির নাম মো. আশরাফুল হক (৪২)। তার গ্রামের বাড়ি রংপুরের বদরগঞ্জের গোপালপাড়ায়। তার বাবার নাম মো. আব্দুর রশিদ ও মায়ের নাম মোছা. এছরা খাতুন।

ড্রামে খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় মামলা, আসামি নিহতের বন্ধু

হাইকোর্ট সংলগ্ন জাতীয় ঈদগাহ মাঠের গেটের কাছে ড্রাম থেকে খণ্ডিত মরদে উদ্ধারের ঘটনায় মামলা হয়েছে। মামলায় নিহত আশরাফের জরেজ নামে এক বন্ধুকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। এছাড়াও মামলায় অজ্ঞাত আরও

বিস্তারিত

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেছেন, সরকার জুলাই জাতীয় সনদের আইনি ভিত্তি দিয়েছে। সরকার এখানে দরদ দেখিয়েছে কিন্তু কোনো দায় দেখায়নি। শুক্রবার (১৪ নভেম্বর) রাতে দলের অস্থায়ী কার্যালয়ে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশের ব্যাপারে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানাতে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক বলেন, জুলাই সনদে রাজনৈতিক দলগুলো স্বাক্ষর করেছিল। সেখানে কিন্তু নোট অব ডিসেন্ট ছিল। জুলাই সনদটা কীভাবে বাস্তবায়নের মতো আইনি ভিত্তির প্রয়োজন আমরা কিন্তু এই দাবিটা তুলেছিলাম। পরে রাজনৈতিক অঙ্গনে সব জায়গায় আলোচনাটা শুরু হয়। সবাই এটা বুঝে যে, আসলে একটা বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া প্রয়োজন বা আইনি ভিত্তি প্রয়োজন। সরকার আইনি ভিত্তি দিয়েছে। সরকার এখানে দরদ দেখিয়েছে কিন্তু সরকার কোনো দায় দেখায়নি। অর্থাৎ আপনার যখন কোথাও কম্পেশন থাকবে আপনার রেসপন্সিবিলিটি নিতে হবে। সরকার এখানে তরকারি বাটি থেকে রাজনৈতিক দলগুলোকে এক চামচ, এক চামচ করে ভাগ করে দিয়েছে। বিএনপিকে এক চামচ দিয়েছে, জামায়াতকে এক চামচ দিয়েছে কিন্তু জনগণের প্লেট, ওটা খালি হয়ে গেছে। আমরা কী চেয়েছিলাম? এই গণঅভ্যুত্থানের পরে ’৭২-এর যে ফ্যাসিবাদী সংবিধান, সেই সাংবিধানিক কাঠামোকে পরিবর্তন করে জনগণের একটা কাঠামো নিয়ে আসতে। যাতে নতুন করে কেউ হাসিনার মতো আবিষ্কৃত না হয়ে জনগণের ওপর গুলি চালাতে না পারে। বাংলাদেশের দুর্ভাগ্য, এক হাসিনা যাওয়ার পরে আরেক হাসিনা আসার জন্য আমাদের দরজায় কড়া নাড়ছে। নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, আমরা জুলাই ঘোষণাপত্র থেকে শিক্ষা নিয়ে সেখানে কিন্তু সাইন করতে চাইনি। আমরা বলেছিলাম আপনি যে আদেশটা দেবেন, এই আদেশের ড্রাফটটা আমাদেরকে আগে দেখাতে হবে। কিন্তু সরকার এই ড্রাফটটা না দেখিয়ে নিজস্ব ক্ষমতা বলে একটা আদেশ জারি করেছে। যিনি ড্রাফটটা করেছেন, আমি নাম তার উচ্চারণ করব না। তার মনে যদি বাংলাদেশের জনগণ থাকত, এই ধরনের ড্রাফট উনি তৈরি করতেন না। এ ধরনের আদেশ তিনি তৈরি করতেন না। এটা আদেশ হয়েছে কিন্তু একটা জনবিরোধী আদেশ হয়েছে। উনার মাথায় ছিল বিএনপির প্রেসক্রিপশন। কারা এই আদেশটা দিয়েছে, এটা বাংলাদেশের সব মানুষ জানে। উনি গত গণঅভ্যুত্থানের পর থেকে এই পর্যন্ত গণঅভ্যুত্থানকে কীভাবে মুজিবীয় সংবিধানের ভেতরে ঢুকানো যায় এই প্রচেষ্টাই করে যাচ্ছেন। উনি আমাদের আইন উপদেষ্টা হিসেবে আছেন। উনি যদি জনগণকে মাথায় রাখতেন এই ধরনের আদেশের ড্রাফটিংটা করতেন না। তিনি বলেন, তারা (বিএনপি) সংস্কার কমিশনে গিয়ে গুন্ডামি করল। সেখানে যখন সবাই, সব দল একটা বিষয়ে ঐকমত্য পোষণ করেছে, সেখানে তারা ভেটো দিলো। বলল, আমরা এটা মানব না। খেলায় আছি কিন্তু তালগাছটা আমার। সংস্কার কমিশন আসলে বিপদে পড়েছে। তারপরও দেশের স্বার্থে ওই দলের নোট অব ডিসেন্ট রেখে আমরা সামনের দিকে এগিয়েছি। বর্তমান যে পরিস্থিতিতে জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি হয়েছে, তারা বলেছিল একটি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে। আমরা বলেছি এটার আদেশ দিতে হবে। সরকার আদেশ দিয়েছে, এটা আমরা পেয়েছি। আমরা জানিয়েছিলাম যে ড. ইউনূসকে দিতে হবে, সাহাবুদ্দিন এটা দিতে পারবে না। আমরা জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি পেয়েছি কিন্তু নৈতিক ভিত্তির জায়গাটা আমরা পাইনি। এই জুলাই সনদের শুরুতে সরকার গণঅভ্যুত্থান শব্দটা উচ্চারণ করেছে। সার্বভৌম অভিপ্রায়ের যে প্রকাশ সেটা জনগণ থেকে নিয়েছে। কিন্তু সেই সার্বভৌম অভিপ্রায়ের যে সাইন, যার মাধ্যমে দিয়েছে, উনি কিন্তু জনগণের ওপর কয়েকদিন আগে গুলি চালিয়েছিলেন। সরকার এখানে আইনি ভিত্তি দিলো। কিন্তু এই জুলাই সনদকে সে অপবিত্র করেছে। সংবাদ সম্মেলনে দলের সদস্য সচিব আখতার হোসেনসহ সিনিয়র নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

দরদ দেখিয়েছে সরকার কিন্তু দায় দেখায়নি

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেছেন, সরকার জুলাই জাতীয় সনদের আইনি ভিত্তি দিয়েছে। সরকার এখানে দরদ দেখিয়েছে কিন্তু কোনো দায় দেখায়নি। শুক্রবার (১৪ নভেম্বর) রাতে দলের অস্থায়ী

বিস্তারিত

এস এন্ড এফ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

Developer Design Host BD