মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:০৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
পাবনায় সাবেক বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগ খালেদা জিয়ার জন্মদিনে ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদলের দোয়া মাহফিল বিরুলিয়ায় লেগুনা থেকে চাঁদাবাজির অভিযোগ, ভোগান্তিতে যাত্রী-শিক্ষার্থীরা ফিরে দেখা ২০২৩: রাজপথে আমান উল্লাহ আমানের লুটিয়ে পড়া ও একটি রক্তাক্ত দিন পাইপ দিয়ে গোলের লড়াই: সাভারে ‘ফুঁ-বল’ উন্মাদনা আকিজ পাইপসের ‘ফুঁ-বল চ্যাম্পিয়নশিপ’ ঘিরে নতুন উন্মাদনা সাভারে জমি দখল দিতে টাকা দিয়ে লোক ভাড়া করে মানববন্ধন, ভিডিও ভাইরাল সাভারে সোলার লাইট উদ্বোধন ও কৃষি প্রণোদনা বিতরণ বিষমুক্ত নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে সিংগাইরে পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস অনুষ্ঠিত হেমায়েতপুরে রাত জেগে আবর্জনায় ভরা ড্রেনেজ ব্যবস্থা সচল করলো বিএনপি নেতা-কর্মীরা
শুটিং চলাকালে দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন বলিউড অভিনেতা ইমরান হাশমি। রোববার (২১ ডিসেম্বর) রাজস্থানে ‘আওয়ারাপান ২’ সিনেমার শুটিংয়ের সময় তিনি পেটে আঘাত পান। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুটিং লোকেশনটি ছিল বেশ উঁচুতে। দৃশ্যধারণের সময় হঠাৎ দুর্ঘটনায় ইমরান হাশমির পেটে আঘাত লাগে। এতে তাঁর পেটের পেশি ছিঁড়ে গেছে বলে জানা গেছে। দুর্ঘটনার পর শুটিং সেটেই তাঁকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, চিকিৎসার পর তিনি আবার শুটিং ফ্লোরে ফিরে কাজ শুরু করেন। কাজের বিষয়ে কোনো ছাড় দিতে চান না অভিনেতা। তবে নতুন করে যেন শারীরিক ক্ষতি না হয়, সে বিষয়ে সতর্কতা নেওয়া হচ্ছে। ইমরান হাশমির আহত হওয়ার খবরে তাঁর ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁরা প্রিয় অভিনেতার দ্রুত সুস্থতা কামনা করছেন। উল্লেখ্য, ‘আওয়ারাপান ২’ ইমরান হাশমি অভিনীত বহুল প্রতীক্ষিত একটি সিনেমা। চলতি বছরের মার্চে তাঁর জন্মদিনে সিনেমাটির সিক্যুয়েল নির্মাণের ঘোষণা দেওয়া হয়। ২০০৭ সালে মুক্তি পাওয়া ‘আওয়ারাপান’ সিনেমার ধারাবাহিকতায় নির্মিত এ ছবি আগামী বছরের ৩ এপ্রিল মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে।

গুরুতর আহত অভিনেতা ইমরান হাশমি

শুটিং চলাকালে দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন বলিউড অভিনেতা ইমরান হাশমি। রোববার (২১ ডিসেম্বর) রাজস্থানে ‘আওয়ারাপান ২’ সিনেমার শুটিংয়ের সময় তিনি পেটে আঘাত পান। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুটিং লোকেশনটি ছিল

বিস্তারিত

ফ্যাসিবাদ ও আধিপত্যবাদবিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় শহীদ ওসমান হাদির পরিবারের জন্য বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিচ্ছে সরকার। এর অংশ হিসেবে হাদির এক বোনকে অস্ত্রের লাইসেন্স ও একজন গানম্যান দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। পরিবারের অন্য সদস্যদের নিরাপত্তায়ও সার্বক্ষণিক পুলিশি ব্যবস্থা থাকবে। সরকারি সূত্র জানায়, জুলাই আন্দোলনে অংশ নেওয়া সম্মুখসারির যোদ্ধা, সমন্বয়ক, সংসদ সদস্য প্রার্থী ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে কয়েকজন জুলাই যোদ্ধাকে গানম্যান দেওয়া হয়েছে এবং ব্যক্তিগত অস্ত্রের লাইসেন্স দেওয়ার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এই তালিকায় অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, দলের দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহ, সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব তাসনিম জারা এবং উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক সারজিস আলমের নাম রয়েছে। এছাড়া বেশ কয়েকজন রাজনীতিক ও সংসদ সদস্য প্রার্থী গানম্যান ও অস্ত্রের লাইসেন্স চেয়ে আবেদন করেছেন। সূত্র জানায়, আবেদন পাওয়ার ভিত্তিতে গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জুনায়েদ সাকি, বিএনপির মনোনীত প্রার্থী তানভির আহমেদ রবিন ও জাফির তুহিন, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন মঞ্জু, এলডিপির সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমদসহ কয়েকজনকে শিগগিরই গানম্যান ও অস্ত্রের লাইসেন্স দেওয়া হতে পারে। গোয়েন্দা সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, জুলাই আন্দোলনে সক্রিয় অনেক যোদ্ধা দীর্ঘদিন ধরেই প্রাণনাশের হুমকির মুখে রয়েছেন। ওসমান হাদিকে হত্যার আগে কয়েক মাস ধরে বিদেশি নম্বর থেকে হুমকি দেওয়া হচ্ছিল। তার মৃত্যুর পর সরকার মনে করছে, ঝুঁকিতে থাকা জুলাই যোদ্ধাদের নিরাপত্তা আরও জোরদার করা প্রয়োজন। পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ঝুঁকি বিশ্লেষণ করে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নিরাপত্তা দেওয়া হচ্ছে। যাদের বেশি ঝুঁকি রয়েছে, তাদের গানম্যান দেওয়া হচ্ছে। তবে সবাইকে গানম্যান দেওয়া পুলিশের পক্ষে সম্ভব নয়। কারণ অনেক আবেদনকারী শিক্ষার্থী এবং তাদের চলাচলের ধরন অনুযায়ী গানম্যান দেওয়া বাস্তবসম্মত নয়। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, মৌখিক আবেদন গ্রহণ করা হচ্ছে না। লিখিতভাবে যারা আবেদন করছেন, তাদের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা হচ্ছে। রোববার পর্যন্ত ১২ জন লিখিত আবেদন করেছেন। খুব শিগগিরই এ বিষয়ে বৈঠক করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

ওসমান হাদির বোন পাচ্ছেন অস্ত্রের লাইসেন্স ও গানম্যান

ফ্যাসিবাদ ও আধিপত্যবাদবিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় শহীদ ওসমান হাদির পরিবারের জন্য বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিচ্ছে সরকার। এর অংশ হিসেবে হাদির এক বোনকে অস্ত্রের লাইসেন্স ও একজন গানম্যান দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। পরিবারের

বিস্তারিত

এই হাইব্রিড মডেল, অর্থাৎ অনলাইন রেজিস্ট্রেশন ও ম্যানুয়ালি পোস্টাল ব্যালেটের মাধ্যমে ভোট কালেকশনটি সারা বিশ্বে জন্য একটি মডেল হয়ে থাকবে বলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি)এ এম এম নাসির উদ্দিন আশা করেন বলে জানিয়েছেন। আজ সোমবার দুপুর সোয়া বারোটায় তেজগাঁও মেইল প্রসেসিং সেন্টারে পোস্টাল ব্যালটের কার্যক্রম পরিদর্শন কালে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ কথা বলেন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার আরও বলেন, ‘এই প্রথমবারের মতো আমরা পোস্টাল ব্যালট এর মাধ্যমে আমাদের প্রবাসী বাংলাদেশীরা যারা ভোট দিতে চান, তাদের জন্য ভোটের ব্যবস্থা করেছি।’ তিনি বলেন, গত ৫৪ বছরে যে জিনিসটা হয় নাই, আমরা সেই উদ্যোগটাই নিয়েছি। কেননা আমাদের প্রধান উপদেষ্টা জনগণকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, আর আমরাও সেই একই প্রতিশ্রুতিকে ধারণ করি।’ যত দিন যাবে, এটা আরও উন্নত হবে বলে আশা প্রকাশ করে তিনি বলেন, আমাদের সিস্টেমটার আরও ডেভেলপ করবে এবং আগামীতে যখন নির্বাচন হবে, এটা তখন আরও উন্নততর হবে। এর আওতা আরও বৃদ্ধি পাবে। প্রথমবারের মতো এই পদ্ধতি চালু করতে কি কি চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হয়েছে— এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এই পদ্ধতি চালু করতে বহু রকমের চ্যালেঞ্জ আছে। এই চ্যালেঞ্জগুলো যাতে সঠিকভাবে সমাধান করা যায়, আমরা বহুদিন ধরে তা নিয়েই কাজ করে যাচ্ছি। সিইসি আরও বলেন, এ জন্য বহু বিশেষজ্ঞের, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের এক্সপার্ট ও দেশি-বিদেশি আইসিটি কোম্পানিগুলোর সাহায্য নিয়েছি। আমরা আইএফএস থেকে আরম্ভ করে ইউএনডিপি— সব কনসাল্ট্যান্টদের সহায়তা নিয়েছি। তিনি বলেন, ‘যেখানেই সমস্যা হয়েছে, আমাদের বিশেষজ্ঞরা সেটা নিয়ে কাজ করে তা সমাধান করেছেন।’ আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির আরও উন্নতি ঘটবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি আরও বলেন, ‘আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে গতকাল আমরা যে বৈঠক করেছি, সেখান থেকে এসে জাতিকে আমরা জানিয়েছি যে সুন্দরভাবে একটি ভোটের আয়োজন করতে আমরা সকলে মিলে কাজ করবো এবং ইনশা আল্লাহ সেটাই হবে।’ এ এম এম নাসির উদ্দিন আরও বলেন, ভোট যত কাছে আসবে, দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতিরও আরো উন্নতি ঘটবে। সব ভয় কেটে যাবে এবং সবাই খুশি মনে এই ভোটে অংশগ্রহণ করবেন। তেজগাঁও মেইল প্রসেসিং সেন্টার পরিদর্শন করে কাজের পরিস্থিতি সন্তোষজনক উল্লেখ করে সিইসি বলেন, আজ মেইল প্রসেসিং সেন্টারে আপনারা দেখেছেন যে সকলেই খুব উৎসাহিত হয়ে দ্রুতগতিতে কাজ করছে। তারাও খুব আনন্দ পাচ্ছে যে দেশের জন্য তারা একটা অবদান রাখতে পারছে। তিনি আরও বলেন, ‘দেশে ভোট একটা উৎসবের মতো করে অনুষ্ঠিত হবে। বর্তমানে ইসির প্রতি মানুষের আস্থা তো আছেই, ভবিষ্যতে তা আরো বাড়বে। কারণ সকলেই দেশের ভালো চায়, একটা সুষ্ঠু নির্বাচন চায়।’ ইতোমধ্যে প্রায় ৫ লাখ ৭৫ হাজার মানুষ পোস্টাল ভোট এর রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করেছেন জানিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, আর তিন দিন বাকি আছে। এ এম এম নাসির উদ্দিন আশা করেন যে এই তিন দিনে রেজিস্ট্রেশনের সংখ্যা আরো অনেক বাড়বে। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ, বেগম তাহমিদা আহমদ, মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ (অবসরপ্রাপ্ত) ও ইসি সচিব আখতার আহমেদ।

পোস্টাল ভোট ব্যবস্থা সারা বিশ্বের জন্য রোল মডেল হয়ে থাকবে : সিইসি

এই হাইব্রিড মডেল, অর্থাৎ অনলাইন রেজিস্ট্রেশন ও ম্যানুয়ালি পোস্টাল ব্যালেটের মাধ্যমে ভোট কালেকশনটি সারা বিশ্বে জন্য একটি মডেল হয়ে থাকবে বলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি)এ এম এম নাসির উদ্দিন আশা

বিস্তারিত

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সম্মুখ সারির যোদ্ধা শহীদ শরিফ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত বিচারের প্রতিশ্রুতি এবং বিচারের বিষয়টিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছে। আজ সোমবার আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির ১৮তম সভা এবং জকসু নির্বাচনের নিরাপত্তা প্রস্তুতি সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এসব কথা বলেন। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত কাউকে কোনো প্রকার ছাড় দেয়া হবে না। ইতোমধ্যে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনার সঙ্গে জড়িত ১০ জনকে যৌথবাহিনী (পুলিশ, র‌্যাব ও বিজিবি) গ্রেফতার করেছে। এর মধ্যে রয়েছে- হত্যাকাণ্ডের মূল হোতা ফয়সাল করিমের স্ত্রী শাহেদা পারভীন সামিয়া, মা ও বাবা, শ্যালক ওয়াহিদ আহমেদ শিপু এবং মোটরসাইকেল মালিক আব্দুল হান্নান। তাছাড়া হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত মোটরসাইকেল, ২টি বিদেশি পিস্তল, ২টি ম্যাগজিন, ৪১ রাউন্ড গোলাবারুদ ও ১টি খেলনা পিস্তল উদ্ধার করা হয়েছে। প্রধান সন্দেহভাজন ফয়সাল করিম মাসুদ বর্তমানে দেশে নাকি বিদেশে আছে, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ‘সে দেশের মধ্যেই থাকতে পারে, আবার বাইরেও থাকতে পারে।’ তিনি বলেন, ফয়সালের বৈধ পথে বিদেশে যাওয়ার কোনও সুযোগ নেই। জাহাঙ্গীর বলেন, ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী ফয়সাল করিম মাসুদকে শনাক্ত করা হয়েছে এবং খুব দ্রুত তাকে বিচারের আওতায় আনা হবে। তবে হত্যাকাণ্ডের মোটিভ উদ্ধার ও গোপনীয়তা বজায় রাখার স্বার্থে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো সম্ভব হচ্ছে না। তবে আমরা আপনাদেরকে আশ্বস্ত করছি- এ বিষয়ে বেশ অগ্রগতি হয়েছে এবং তাকে (মূল হোতাকে) খুঁজে বের করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রাণপণ চেষ্টা করে যাচ্ছে। উপদেষ্টা বলেন, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার সন্দেহে দালাল চক্র ফিলিপের সহযোগী পাঁচজনকে (স্ত্রী ও শ্বশুরসহ) আটক করে বিজিবি পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে। গতকাল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে পুলিশ, র‌্যাব ও বিজিবি যৌথ এক প্রেস ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে বিষয়টি সম্পর্কে মিডিয়াকে বিস্তারিত জানিয়েছে। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, আগামী ২৫ ডিসেম্বর বিএনপি'র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে আগমন উপলক্ষ্যে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। খুলনায় এক এনসিপি নেতাকে গুলি করার ঘটনা সম্পর্কে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ‘আমি খবর পাওয়ার পরপরই খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ (কেএমপি) কমিশনারের সঙ্গে কথা বলেছি এবং হামলায় জড়িত অপরাধীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের জন্য নির্দেশ দিয়েছি।’ স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ‘জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জকসু) নির্বাচনের সার্বিক প্রস্তুতি সম্পর্কেও সভায় আলোচনা হয়েছে। আপনারা জানেন, ইতোমধ্যে শান্তিপূর্ণভাবে ঢাকসু, জাকসু, রাকসু ও চাকসু নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। আশা করছি- একইভাবে জকসু নির্বাচন সুষ্ঠু, নিরাপদ, গ্রহণযোগ্য ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে আমরা সক্ষম হবো।’ তিনি বলেন, বড়দিন খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব। এ পবিত্র উৎসব যাতে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য বজায় রেখে নিরাপদ, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হতে পারে- সে বিষয়ে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা আরো বলেন, বড়দিন ও থার্টি-ফার্স্ট নাইটে কোনো প্রকার আতশবাজি করা যাবে না। রাস্তা অবরোধ বা ব্লকেড করে কোনো অনুষ্ঠান করা যাবে না। প্রতিটি গির্জার জন্য পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। তাছাড়া এ উপলক্ষ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নগরীতে টহল ও তল্লাশি কার্যক্রম জোরদার করেছে।

হাদির হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত বিচারের প্রতিশ্রুতি সরকারের: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সম্মুখ সারির যোদ্ধা শহীদ শরিফ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত বিচারের প্রতিশ্রুতি

বিস্তারিত

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সৎ ও যোগ্য প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি দেশবাসীর উদ্দেশে বলেছেন, ‘আপনি দেশের মালিক। এদেশ আগামী পাঁচ বছর আপনার পক্ষে কে চালাবে সেটা আপনি ঠিক করুন। আপনার পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিন। সৎ ও যোগ্য প্রার্থী বেছে নিন। চিন্তা-ভাবনা করে ভোট দিন।’ আজ সোমবার বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় ‘ভোটের গাড়ি’ শীর্ষক প্রচারণার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টা এসব কথা বলেন। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও ২০২৬ সালের গণভোট সামনে রেখে ভোটারদের সচেতন ও উদ্বুদ্ধ করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নতুন বাংলাদেশ গড়তে তরুণদের সক্রিয় অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়ে অধ্যাপক ইউনূস বিশেষভাবে তরুণ সমাজ, নারী ভোটার ও প্রথমবারের মতো হওয়া ভোটারদের এগিয়ে আসতে বলেন। তিনি বলেন, ‘আমি বিশেষভাবে অনুরোধ জানাচ্ছি তরুণ সমাজ, নারী ভোটার এবং প্রথমবারের ভোটারদের প্রতি- আপনারা এগিয়ে আসুন। প্রশ্ন করুন, জানুন, বুঝুন এবং ভোট দিন। আপনার সিদ্ধান্তে গড়ে উঠবে আগামী দিনের বাংলাদেশ, নতুন বাংলাদেশ।’ ভয়হীন ও মুক্ত পরিবেশে ভোট দেওয়ার সুযোগ নিশ্চিত করার বিষয়ে সরকারের দৃঢ় অঙ্গীকারের কথা জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘আমরা এমন একটি নির্বাচন চাই, যেখানে থাকবে না ভয়, থাকবে না বাধা-থাকবে কেবল জনগণের মুক্ত ও নির্ভীক মত প্রকাশ। সরকার সেই পরিবেশ নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর।’ একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নিশ্চিত করতে দেশের প্রতিটি নাগরিকেরও দায়িত্ব রয়েছে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ভোটাধিকার কারো দয়া নয়- এটি আমাদের সাংবিধানিক অধিকার। এই অধিকার প্রয়োগের মাধ্যমেই আমরা ঠিক করি, আমাদের ভবিষ্যৎ কোন পথে যাবে। একটি অবাধ, সুষ্ঠ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নিশ্চিত করা শুধু সরকারের দায়িত্ব নয়; এটি রাষ্ট্রের প্রতিটি নাগরিকের দায়িত্ব। তিনি আরও বলেন, ‘চলুন, ভোট দিই- নিজের জন্য, দেশের জন্য, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য, নতুন পৃথিবীর জন্য।’ ‘ভোটের গাড়ি’ প্রসঙ্গে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, এই সুপার ক্যারাভান কেবল একটি গাড়ি নয়, এটি গণতন্ত্রের আনন্দ বাণী বহনকারী বহর। এটি জানিয়ে দেবে, আপনার একটি ভোট কতটা গুরুত্বপূর্ণ। এটা মনে করিয়ে দেবে নিষ্ক্রিয়তা নয়, অংশগ্রহণই গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করে। তিনি জানান, এবারের নির্বাচনে ভোটারদের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে হবে। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি জুলাই জাতীয় সনদের ওপর গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। দীর্ঘ নয় মাস ধরে সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা করে এই সনদ প্রস্তুত করা হয়েছে। জনগণ এই সনদে সমর্থন দিলে দেশের ভবিষ্যৎ দীর্ঘমেয়াদে নিরাপদ ও স্থিতিশীল হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। সনদের পক্ষে থাকলে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। অধ্যাপক ইউনূস বলেন, বাংলাদেশ একটি গুরুত্বপূর্ণ সময় অতিক্রম করছে। সামনে আমাদের জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের ওপর গণভোট। এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে যাত্রা শুরু করেছে ১০টি ভোটের গাড়ি- সুপার ক্যারাভান। এসব গাড়ি দেশের ৬৪টি জেলা ও ৩০০টি উপজেলায় ঘুরে বেড়াবে। তারা মানুষের দুয়ারে দুয়ারে গিয়ে নির্বাচন ও গণভোট সম্পর্কে তথ্য পৌঁছে দেবে, ভোটাধিকার সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করবে এবং গণতন্ত্রের বার্তা ছড়িয়ে দেবে। গণতান্ত্রিক এই যাত্রাকে সফল করতে তিনি সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

আগামী নির্বাচনে সৎ ও যোগ্য প্রার্থী বেছে নেওয়ার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সৎ ও যোগ্য প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি দেশবাসীর উদ্দেশে বলেছেন, ‘আপনি দেশের মালিক। এদেশ আগামী পাঁচ বছর

বিস্তারিত

প্রবাসীর জমি দখলের অভিযোগ বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে রাতের আঁধারে ঘর তুলে এক প্রবাসীর মূল্যবান জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় বিএনপি নেতা বাদশা গাজী ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে। প্রায় ৬২ লাখ টাকা মূল্যের এই জমি দখলের

বিস্তারিত

লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার দালাল বাজার ইউনিয়নে আদালতের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে এক প্রবাসীর জমি দখল করে ঘর নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক আওয়ামী লীগ নেত্রীর বিরুদ্ধে। ইউনিয়নের খন্দকারপুর গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত শিল্পী আক্তার দালাল বাজার ইউনিয়ন মহিলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক। ভুক্তভোগী হাজী নুরু মিয়া সৌদি আরব শাখা বিএনপির সাবেক কোষাধ্যক্ষ। তিনি একই গ্রামের খন্দকারপুর এলাকার বাসিন্দা। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রবাসী হাজী নুরু মিয়ার সঙ্গে তার বসতবাড়ির জায়গা নিয়ে প্রতিবেশী কালু মিয়াদের দীর্ঘ দিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। বিষয়টি সমাধানের লক্ষ্যে নুরু মিয়ার স্ত্রী মমতাজ বেগম ইউনিয়ন পরিষদে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ইউপি চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট নজরুল ইসলাম, ইউপি সদস্য বেলাল ও হারুন চৌধুরী এবং স্থানীয় সার্ভেয়ার (আমিন) মো. ফারুকের উপস্থিতিতে একটি সালিশি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। উভয় পক্ষের নথিপত্র পর্যালোচনা করে সেখানে একটি আপস-মীমাংসা করা হয়েছিলো এবং সেটি উভয় মেনেও নেয়।   আদালতের ১৪৪ ধারা ও অমান্য করার অভিযোগ: সালিশি মীমাংসার একদিন পরেই বিবাদী কালু মিয়া বাদী হয়ে লক্ষ্মীপুর অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ১৪৪/১৪৫ ধারায় মামলা দায়ের করেন। আদালত বিষয়টি আমলে নিয়ে নালিশি ভূমিতে স্থিতাবস্থা বজায় রাখা এবং কোনো পক্ষ যেন নির্মাণ কাজ না করতে পারে, সে জন্য সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) নির্দেশ দেন। আদালতের আদেশের প্রেক্ষিতে সদর থানার এসআই ইয়াকুব আলী উভয় পক্ষকে নোটিশ প্রদান করেন। মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য রয়েছে আগামী ৭ জানুয়ারি ২০২৬। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, আদালতের এই নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কালু মিয়ার ছোট ভাইয়ের স্ত্রী আ’লীগ নেত্রী শিল্পী আক্তার গত কয়েকদিন ধরে রাতের আঁধারে বিরোধপূর্ণ জায়গায় অবৈধভাবে ঘর নির্মাণ করেন। প্রবাসী হাজী নুরু মিয়া বলেন, "আদালতের আদেশ অমান্য করে ঘর নির্মাণ করতে বাধা দিতে গেলে এই আওয়ামীলিগের নেত্রী আমাকে  ধাক্কা দিয়ে মাটিতে ফেলে দেয় এবং প্রাণনাশের হুমকি দেয়। আমি এই বিষয়ে থানায় পুনরায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি।" অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে শিল্পী আক্তার প্রথমে ঘর নির্মাণের কথা স্বীকার করলেও পরবর্তীতে কৌশলে বিষয়টি এড়িয়ে যান। ভুক্তভোগীর অভিযোগের ভিত্তিতে লক্ষ্মীপুর সদর থানার এসআই নুরুল করিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তিনি সাংবাদিকদের জানান, "আমরা ঘটনাস্থলে এসে অভিযোগের সত্যতা পেয়েছি। নালিশি জমিতে কোনো প্রকার স্থাপনা নির্মাণ না করার জন্য বিবাদী পক্ষকে কঠোর নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে এবং বর্তমানে কাজ বন্ধ রয়েছে।"

লক্ষ্মীপুরে প্রবাসীর জমি দখলের অভিযোগ আ’লীগ নেত্রীর বিরুদ্ধে

লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার দালাল বাজার ইউনিয়নে আদালতের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে এক প্রবাসীর জমি দখল করে ঘর নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক আওয়ামী লীগ নেত্রীর বিরুদ্ধে। ইউনিয়নের খন্দকারপুর গ্রামে এই ঘটনা

বিস্তারিত

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের আগে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি যে কোনো মূল্যে স্বাভাবিক রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। একইসঙ্গে তিনি ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডসহ সব ধরনের বেআইনি কর্মকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতারের নির্দেশ দেন। রোববার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার নেতৃত্বে দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনায় অনুষ্ঠিত এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে তিনি এসব নির্দেশনা দেন। বৈঠকে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমানসহ পুলিশ, র‌্যাব ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে প্রত্যাবর্তন, আসন্ন বড়দিন ও ইংরেজি নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষ্যে গৃহীত নিরাপত্তা ব্যবস্থাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও জুলাই যোদ্ধা শহীদ শরিফ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের গ্রেফতার এবং তদন্তের অগ্রগতি নিয়েও বিশদ আলোচনা হয়। পুলিশের পক্ষ থেকে প্রধান উপদেষ্টাকে জানানো হয়, সম্প্রতি দু’টি জাতীয় দৈনিক ও দু’টি সাংস্কৃতিক সংগঠনের কার্যালয়ে হামলার ঘটনায় ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণ করে ৩১ জনকে শনাক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে আজ সোমবার সকাল পর্যন্ত ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে অন্তত ছয়জনকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলেন- মো. কাশেম ফারুকি, মো. সাইদুর রহমান, রাকিব হোসেন, মো. নাইম, মো. সোহেল রানা ও মো. শফিকুল ইসলাম। বাকি শনাক্ত ব্যক্তিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এ ছাড়া চট্টগ্রামে ভারতের সহকারী হাইকমিশনারের বাসভবনের কাছে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টার ঘটনায় ভিডিও ফুটেজ দেখে তিনজনকে শনাক্ত করা হয়েছে বলেও বৈঠকে জানানো হয়।

নির্বাচনের আগে যে কোনো মূল্যে আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে হবে: প্রধান উপদেষ্টা

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের আগে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি যে কোনো মূল্যে স্বাভাবিক রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। একইসঙ্গে তিনি ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডসহ সব ধরনের বেআইনি কর্মকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত

বিস্তারিত

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র এবং জুলাই অভ্যুত্থানের সম্মুখসারির যোদ্ধা শরিফ ওসমান হাদি হত্যার মাস্টারমাইন্ডের নাম সামনে এসেছে। হত্যার নেপথ্যে ঢাকার কেরানীগঞ্জ উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান শাহীন আহমেদ ওরফে ‘শাহীন চেয়ারম্যান’র নাম উঠে এসেছে। গোয়েন্দা সূত্রের দাবি, কিলিং মিশন বাস্তবায়নে অর্থ এবং অস্ত্রের জোগানদাতা ছিলেন তিনি নিজেই। এছাড়া চাঞ্চল্যকর এ হত্যাকাণ্ডে শাহীন চেয়ারম্যানের সহযোগী হিসাবে আরও কয়েকজনের যোগসূত্রতা জানতে পেরেছেন তদন্তসংশ্লিষ্টরা। যাদের কয়েকজন নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ নেতা। যুগান্তরকে এমন তথ্য নিশ্চিত করেছে গোয়েন্দা সংস্থার দায়িত্বশীল একটি সূত্র। সূত্র জানায়, শাহীন চেয়ারম্যান ছাড়াও হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে গোপালগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আব্দুল হামিদকে হন্যে হয়ে খুঁজছে পুলিশ। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী হাদির ওপর হামলার পর ঘাতকদের ঢাকা থেকে সীমান্ত পর্যন্ত পালিয়ে যেতে সহায়তা করেন এই হামিদ। জুলাই বিপ্লবে শরিফ ওসমান হাদির ভূমিকা এবং গত বছর ৫ আগস্টের পর থেকে তার বিভিন্ন বক্তব্য ও সামগ্রিক কর্মকাণ্ডে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ চরম ক্ষুব্ধ ছিল। দলটি হাদিকে আওয়ামী লীগ এবং তাদের দোসরদের জন্য বড় বিপদ হিসাবে চিহ্নিত করে। এরপর হিটলিস্টের প্রথম টার্গেট হিসাবে হাদিকে হত্যার ছক কষা হয়। জানা যায়, শাহীন আহমেদ দীর্ঘদিন ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন। তবে তিনি মাফিয়া ডন হিসাবেই বেশি পরিচিত। শেখ হাসিনা আমলে তিনি ছিলেন সাবেক বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপুর ডানহাত। চিহ্নিত সন্ত্রাসী এবং অস্ত্রধারী হিসাবে তার নাম পুলিশের খাতায় অনেক আগে থেকে তালিকাভুক্ত ছিল। বহুবিধ সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকলেও তিনি ছিলেন ধরাছোঁয়ার বাইরে। বরং প্রশাসন তাকে সমীহ করে চলত। এসব প্রভাব প্রতিপত্তি কাজে লাগিয়ে তিনি একাধিকবার উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। স্থানীয়রা জানান, ৫ আগস্টের পটপরিবর্তনের পর প্রভাবশালী আওয়ামী লীগ নেতাদের অনেকের মতো শাহীন চেয়ারম্যানও সীমান্ত পার হয়ে ভারতে চলে যেতে সক্ষম হন। সেখানে পলাতক অবস্থায় তিনি দীর্ঘদিন চুপচাপ থাকলেও গত ৩-৪ মাস থেকে খোলস ছেড়ে পুরোনো চেহারায় আবির্ভূত হন। সম্প্রতি তিনি দেশের মধ্যে আওয়ামী লীগের হিটলিস্ট প্ল্যান বাস্তবায়ন করতে বিভিন্ন অ্যাপসে মুঠোফোনে দেশে থাকা স্লিপার সেলের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একজন কর্মকর্তা যুগান্তরকে বলেন, কয়েকটি হোয়াটসঅ্যাপ কল এবং খুদেবার্তার (এসএমএস) সূত্রে হাদি হত্যায় শাহীন চেয়ারম্যানের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে। ঘটনার আগে ও পরে কিলারদের সঙ্গে পলাতক ছাত্রলীগ নেতা হামিদের একাধিকবার যোগাযোগ করার প্রমাণও মিলেছে। এছাড়া ভারতে পলাতক থাকা আরও কয়েকটি গ্রুপ অ্যাপস ব্যবহার করে ঢাকায় জড়ো স্লিপার সেলের সদস্যদের কাজ সমন্বয় করছে। যাদের অনেকে এখন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারির মধ্যে চলে এসেছে। সূত্র বলছে, হাদি হত্যা মামলার তদন্তে সন্দেহভাজনের তালিকায় কয়েকজন রাজনীতিকের নামও উঠে এসেছে। এ বিষয়ে আরও তথ্য উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। এজন্য গ্রেফতারকৃত আসামিদের তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এবং গোয়েন্দা সংস্থার টিমসহ যৌথভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এছাড়া পলাতক শাহীন চেয়ারম্যানের ঘনিষ্ঠ হিসাবে পরিচিত কেরানীগঞ্জ জেলার দুজন ছাত্রলীগ নেতাকেও গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার তদন্ত প্রসঙ্গে জানতে চাইলে ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) শফিকুল ইসলাম শুক্রবার রাতে যুগান্তরকে বলেন, ‘আমরা সবদিক মাথায় রেখে তদন্ত করছি। সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে মামলাটির তদন্ত করা হচ্ছে। আশা করি খুব শিগগিরই এ ঘটনার মাস্টারমাইন্ডসহ পরিকল্পনাকারীদের সবার নামই জানা সম্ভব হবে।’

বেরিয়ে এলো ওসমান হাদি হত্যার চাঞ্চল্যকর তথ্য

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র এবং জুলাই অভ্যুত্থানের সম্মুখসারির যোদ্ধা শরিফ ওসমান হাদি হত্যার মাস্টারমাইন্ডের নাম সামনে এসেছে। হত্যার নেপথ্যে ঢাকার কেরানীগঞ্জ উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান শাহীন আহমেদ ওরফে ‘শাহীন চেয়ারম্যান’র নাম উঠে

বিস্তারিত

কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাহমিনা আক্তারের বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়ম, দুর্নীতি ও প্রকল্পের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেছে স্থানীয়রা। রোববার (২১ ডিসেম্বর) সকালে উপজেলা প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত এই শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে প্রশাসনের দিয়ে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। প্রত্যক্ষদর্শী ও আন্দোলনকারীরা জানান, সকাল ১১টার দিকে কয়েকশ নারী-পুরুষ ইউএনও’র দুর্নীতির বিরুদ্ধে ব্যানার-ফেস্টুন নিয়ে প্রেসক্লাবের সামনে জড়ো হন। মানববন্ধন চলাকালীন ইউএনও’র দেহরক্ষী ও আনসার সদস্যরা আকস্মিক উপস্থিত হয়ে কর্মসূচিতে বাধা প্রদান করেন। এতে উপস্থিত সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। উপজেলা স্থানীয় বাসিন্দা নূরে আলম রাসেল এই ঘটনার নিন্দা জানিয়ে বলেন, "আমরা কোনো বিশৃঙ্খলা বা 'মব' সৃষ্টি করতে আসিনি। আমরা অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে এসেছি। কিন্তু শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে আনসার বাহিনী দিয়ে বাধা দিয়ে কণ্ঠরোধ করার চেষ্টা করা হয়েছে।" দুর্নীতির পাহাড়সম অভিযোগ মানববন্ধনে বক্তারা ইউএনও তাহমিনা আক্তারের বিরুদ্ধে যোগদানের পর থেকেই বিভিন্ন সেক্টরে লুটপাটের অভিযোগ আনেন। সাবেক কাউন্সিলর সুমন মড়ল বলেন, "২০২৪ সালের ৭ নভেম্বর যোগদানের পর থেকেই ইউএনও নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে টেন্ডার ছাড়াই কোটি টাকার কাজ করেছেন। অনেক ক্ষেত্রে কাজ না করেই বা আংশিক কাজ করে প্রকল্পের পুরো টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে।" পৌরসভার উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়মের চিত্র তুলে ধরে সাবেক নারী কাউন্সিলর বেদেনা আক্তার অভিযোগ করেন, ১নং ওয়ার্ডের ওসমান মিয়ার বাড়ি থেকে আলমগীর হুজুরের বাড়ি পর্যন্ত ২৭৮ মিটার এবং আশুতিয়াপাড়া মেইন রোড থেকে বাবুলের দোকান পর্যন্ত ৩০০ মিটার ড্রেন নির্মাণের কাজ না করেই বিল তুলে নেওয়া হয়েছে। এছাড়া নাগরিক সেবার ফি বহুগুণ বৃদ্ধি করা হলেও পৌরবাসী পর্যাপ্ত সেবা পাচ্ছে না। নিয়োগ বাণিজ্য ও অবৈধ ইজারা বজলুর রহমান অভিযোগ করেন, পৌর প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে ইউএনও সিএনজি স্ট্যান্ডের অবৈধ ইজারা প্রদান এবং নিয়োগ বাণিজ্যের মাধ্যমে প্রায় ৬০ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। সংবাদকর্মী ও রাজনৈতিক নেতাদের হস্তক্ষেপে কিছু অবৈধ প্রক্রিয়া বন্ধ হলেও পর্দার আড়ালে আর্থিক লেনদেন অব্যাহত রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। তথ্য গোপনের অভিযোগ জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা করিমগঞ্জ ইউনিটের সভাপতি হাবিবুর রহমান বিপ্লব অভিযোগ করেন, বিভিন্ন প্রকল্পের তথ্য চেয়েও সাংবাদিকদের সহযোগিতা করছেন না ইউএনও। বরং অনিয়ম ঢাকতে তথ্য গোপন করা হচ্ছে এবং কোনো কর্মকর্তা তথ্য দিলে তাকে তাৎক্ষণিক বদলি করার ভয় দেখানো হচ্ছে। মানববন্ধন শেষে বিক্ষুব্ধ জনতা জানান, অভিযুক্ত ইউএনও-র অপসারণ ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার বরাবর স্মারক লিপি প্রদান করা হবে। দাবি আদায় না হলে আগামীতে আরও কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দেন বক্তারা। এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাহমিনা আক্তারের কার্যালয়ে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তাঁর পক্ষ থেকে কোনো তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

করিমগঞ্জে ‘দুর্নীতি’ ঢাকতে মানববন্ধনে বাধা

কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাহমিনা আক্তারের বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়ম, দুর্নীতি ও প্রকল্পের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেছে স্থানীয়রা। রোববার (২১ ডিসেম্বর) সকালে উপজেলা প্রেসক্লাবের সামনে

বিস্তারিত

এস এন্ড এফ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

Developer Design Host BD