রবিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৬, ১১:৩৩ অপরাহ্ন
সারাদেশ
বিএনপির চেয়ারপারসন ও দিনাজপুর-৩ (সদর) আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ সদস্য পদে দলের মনোনীত প্রার্থী বেগম খালেদা জিয়ার পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেছে দিনাজপুর জেলা বিএনপি। শুক্রবার (১৪ নভেম্বর) দুপুরে দিনাজপুর শহরের ফরিদপুর কবরস্থানে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বাবা ইস্কান্দার মজুমদার, মা তৈয়বা মজুমদার ও বড় বোন খুরশিদ জাহান হকের কবর জিয়ারতের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রচারণা কার্যক্রমের শুরু করে জেলা বিএনপি। এ সময় দিনাজপুর জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাড. মোফাজ্জল হোসেন দুলাল, সাধারণ সম্পাদক বখতিয়ার আহমেদ কচি, সিনিয়র সহসভাপতি মোকাররম হোসেন, বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও দিনাজপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম, দিনাজপুর জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাড. আব্দুল হালিম, দিনাজপুর চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি আবু বকর সিদ্দিকসহ বিএনপি ও অঙ্গ-সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। কবর জিয়ারতের পর ফরিদপুর গোরস্থান মোড়ে আনুষ্ঠানিক লিফলেট বিতরণ শুরু করা হয়। এ সময় জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দিনাজপুর-৩ (সদর) আসনে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার পক্ষে ভোট চান। দিনাজপুর জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বখতিয়ার আহমেদ কচি বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার শৈশব বেড়ে উঠেছে দিনাজপুর সদর উপজেলায়। তিনি দেশের জন্য সব সময় আপসহীন হিসেবে কাজ করেছেন। আমরা দিনাজপুরবাসী তার জন্য গর্বিত। চেয়ারপারসনের বড় বোন মরহুম খুরশিদ জাহান হকের কারণে দিনাজপুর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল, শিক্ষা বোর্ড, হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়সহ সব ধরনের উন্নয়ন হয়েছে। বিগত ১৭ বছর ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের কারণে দিনাজপুর সদর উপজেলা সব ধরনের উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত ছিল। আমরা আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বেগম খালেদা জিয়াকে বিপুল ভোটে বিজয়ী করার জন্য সবাই একসঙ্গে কাজ করছি। যাতে করে মরহুম খুরশিদ জাহান হকের উন্নয়নের ধারাবাহিকতা আগামীতে চলমান থাকে। বেগম খালেদা জিয়া দেশের বিভিন্ন আসনে নির্বাচন করলেও এই প্রথম দিনাজপুর সদর-৩ আসনে নির্বাচন করছেন।

দিনাজপুরে খালেদা জিয়ার পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু

বিএনপির চেয়ারপারসন ও দিনাজপুর-৩ (সদর) আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ সদস্য পদে দলের মনোনীত প্রার্থী বেগম খালেদা জিয়ার পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেছে দিনাজপুর জেলা বিএনপি। শুক্রবার (১৪ নভেম্বর) দুপুরে দিনাজপুর

বিস্তারিত

ইউনিয়ন-এ অবস্থিত এক রাজনৈতিক কর্মীর বাড়ি থেকে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) বৃহস্পতিবার অভিযান চালিয়ে ১১টি বন্দুক, ২৭টি দেশি ধারালো অস্ত্র, ৮টি ক্রিকেট স্টাম্প এবং ১৫টি কার্তুজসহ বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার করেছে। অভিযানে একজন বিএনপি কর্মীসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

বিএনপির কর্মীর বাড়ি থেকে অস্ত্র উদ্ধার

চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলা-র নোয়াপাড়া ইউনিয়ন-এ অবস্থিত এক রাজনৈতিক কর্মীর বাড়ি থেকে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন র‌্যাব।  বৃহস্পতিবার অভিযান চালিয়ে ১১টি বন্দুক, ২৭টি দেশি ধারালো অস্ত্র, ৮টি ক্রিকেট স্টাম্প এবং ১৫টি কার্তুজসহ

বিস্তারিত

গাজীপুরের সাব-রেজিস্ট্রার ওসমান গনী মণ্ডল এখন দুর্নীতির সমার্থক নাম। ঘুষ ছাড়া কোনো দলিল সই করেন না এমন অভিযোগই আজ মুখে মুখে। প্রতিদিন জেলা রেজিস্ট্রার মো. মিজানুর রহমানকে ২ লাখ টাকা দিয়ে টঙ্গী অফিসে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে। ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সনদ ও মুজিবনগর সরকারের ভুয়া কর্মচারীর পরিচয়ে আদালতের মাধ্যমে চাকরি পাওয়া এই কর্মকর্তা এখন গাজীপুরের কাপাসিয়া ও টঙ্গী সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে এক মূর্তিমান আতঙ্কে পরিণত হয়েছেন। স্থানীয় দলিল লেখক থেকে সাধারণ জনগণ সবাই তার ঘুষ বাণিজ্যের শিকার। বদলির আদেশ পেলেও ঘুষের টাকা খরচ করে পুনরায় কাঙ্ক্ষিত পদে ফিরে আসেন। একাধিক সূত্র জানায়, জেলা রেজিস্ট্রারের আত্মীয়তার সুযোগে ওসমান গনী নিজের ইচ্ছেমতো অফিস চালান। কালীগঞ্জ থেকে বদলি হয়ে প্রথমে কাপাসিয়া, পরে টঙ্গী অফিসের অতিরিক্ত দায়িত্বে যোগ দেন। রাত ৯টা পর্যন্ত দলিল রেজিস্ট্রি করার নামে সাধারণ জনগণের কাছ থেকে ঘুষ আদায় করা তার নিত্যদিনের ককর্মকান্ডে পরিণত হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দলিল লেখক সমিতির এক সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, “একটা দলিলের ভুল থাকলে সেটাকে অজুহাত করে ১০-১৫ হাজার টাকা না দিলে কাজ করে দেয় না। কথায় কথা বাড়লে হুমকি দেন, অফিস থেকে বের করে দেওয়ার।” আনোয়ার হোসেন নামে এক সেবাগ্রহীতা অভিযোগ করে বলেন, “আমার বাড়ির জমির দলিলের শ্রেণি পরিবর্তন করতে গিয়েছিলাম। নিয়মমাফিক ফি জমা দিয়েও তিন সপ্তাহ অফিসে ঘুরেছি। পরে এক কর্মচারীর কাছে শুনি, ‘উপরের স্যারকে’ কিছু দিতে হবে। না দিলে দলিল ঝুলে থাকবে।” এক প্রভাবশালী দলিল লেখক বলেন, “কাউকে পছন্দ না হলে সরাসরি অফিস থেকে বের করে দেয়। অনেক সময় দলিল বাতিল করে দেয় শুধু একটাই কারণ ‘টাকা দেওয়া হয়নি’। এই অফিসে এখন আইন না, চলে টাকার নিয়ম।” অভিযোগের পাহাড় ও সম্পদের সাম্রাজ্য দুর্নীতি দমন কমিশন ও আইন মন্ত্রণালয়ে ওসমান গনীর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও তার প্রভাব অটুট। অভিযোগ রয়েছে, ঢাকার উত্তরা, টঙ্গী, ধনবাড়ী, আশুলিয়া, ধানমণ্ডি, পূর্বাচল ও রংপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় তার নামে রয়েছে একাধিক বাড়ি, ফ্ল্যাট ও প্লট। একাধিক দলিল লেখক জানান, তার অশালীন আর কর্তৃত্ববাদী আচরণে তারা চরম অপমানের শিকার হন। ঘুষ না দিলে দলিল মারেন না এমন অভিযোগ নতুন নয়, প্রতিদিনের বাস্তবতা বলে জানায় স্থানীয় সূত্র। এ বিষয়ে ওসমান গনীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “রাত ৯টা পর্যন্ত দলিল করবোই। প্রতিদিন জেলা রেজিস্ট্রারকে ২ লাখ টাকা দেই, পার্টটাইম অফিস করছি। কে কী বললো সেটার চেয়ে বড় বিষয় আমি কাজ চালিয়ে যাবো।”

যেখানেই ওসমান গনীর পদায়ন, সেখানেই দুর্নীতির আগমন

গাজীপুরের সাব-রেজিস্ট্রার ওসমান গনী মণ্ডল এখন দুর্নীতির সমার্থক নাম। ঘুষ ছাড়া কোনো দলিল সই করেন না এমন অভিযোগই আজ মুখে মুখে। প্রতিদিন জেলা রেজিস্ট্রার মো. মিজানুর রহমানকে ২ লাখ টাকা

বিস্তারিত

পরে তাকে উদ্ধার করে নরসিংদী সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখান থেকে ঢাকার রাজারবাগ পুলিশ হাসপাতালে পাঠানো হয়। আহত আনোয়ার বলেন, সকালে নরসিংদী পৌর শহরে নিহমিত টহল চলছিল। আমি আরশিনগর এলাকা ক্রস করছিলাম। ওই সময় দুজন লোক যানবাহন থেকে টাকা তুলছিল। আমি তাদেরকে জিজ্ঞেস করলাম কিসের টাকা তোলা হচ্ছে। টাকা তুলতে তো হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা আছে বলে জানালাম। এরই মধ্যে ৩০/৩৫ জন লোক অতর্কিতভাবে আমার ওপর হামলা চালায়। তারা আমাকে কিল-ঘুষি মারা শুরু করে। পরে আমাকে লাঠি দিয়ে মাথায় আঘাত করে। আমি সঙ্গে সঙ্গে অচেতন হয়ে পড়ে যাই। পরে সঙ্গে থাকা পুলিশ সদস্যরা আমাকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে নিয়ে আসে। আমি চোখ খুলে দেখি আমি হাসপাতালে। এখানে প্রাথিমিক চিকিৎসা দিয়ে ঢাকার রাজারবাগ পুলিশ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

চাঁদাবাজদের হামলায় সড়কেই ঢলে পড়লেন পুলিশ কর্মকর্তা শামিম

সড়কে চাঁদাবাজির প্রতিবাদ করায় হামলার শিকার হয়েছেন নরসিংদীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আনোয়ার হোসেন। এতে তিনি গুরুতর আহত হয়েছেন। তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছেশনিবার (৪ অক্টোবর) দুপুরে নরসিংদী পৌর শহরের আরশিনগরে এ

বিস্তারিত

ছয় বছরের শিশু তাইয়েবা হারানোর পরও পরিবারের ভয়-উৎকন্ঠা থামছে না। থানায় মামলা তুলে নিতে ও নীরবতা বজায় রাখার জন্য বাদী পরিবারকে দফায় দফায় হুমকি দেওয়া হচ্ছে। মামলার প্রধান আসামি বলে পুলিশ অভিযুক্ত করে থাকা আয়েশা বেগমের পরিবারের লোকজন নিহতের পরিবারকে ভয় দেখাচ্ছে—এ কথা জানান নিহতের পরিবার ও প্রতিবেশিরা। সোমবার সকালে তাইয়েবার মা ডলি আক্তার এসব অভিযোগ তুলেছেন। তাইয়েবা টিটু সরদারের মেয়ে। তিনি ভেদরগঞ্জ উপজেলার সখিপুর থানাধীন ছৈয়ালকান্দি গ্রামের দারুণ নাজাত মাদ্রাসার নার্সারির ছাত্রী ছিলেন। গত বুধবার ওই স্কুলছাত্রী নিখোঁজ হন। বহু খোঁজাখুঁজির পর শুক্রবার প্রতিবেশী মেসবাহউদ্দীন মোল্লার বাড়ির সেপটিক ট্যাংক থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ও তদন্ত সূত্রে পুলিশ বলছে—পারিবারিক বিবাদ ও শত্রুতার জেরে অভিযোগভিত্তিক সন্দেহ করা হচ্ছে আয়েশা বেগমই শিশুটিকে হত্যা করেছেন। পুলিশ ঘটনার পর টিটু সরদারের বাদী হওয়া মামলায় চাচি আয়েশা বেগম, প্রতিবেশী নাসিমা ও রংমিস্ত্রি আসিফকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে যায়। আদালত আয়েশা বেগমের দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। অপরদিকে নিহতের পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, রোববার সকালে বাড়িতে এসে মামলা তুলে নিতে অভিযোগের প্রধান আসামি আয়েশার স্বামী সাহান সরদার, ছেলে আকিব সরদার, ননদ রিনা ও রুমা তাদের চাপ দিচ্ছেন। অভিযোগ অনুযায়ী আকিব ও রিনা বলেছে—“মামলা উঠাইয়া না নিলে তোর পোলারে খাইয়া ফালামু; তোর পোলারে শেষ দেখা দেইখা রাখিস। মাইয়ার তো লাশ পাইছোস, পোলার লাশ খুঁজে পাবি না।” এ ছাড়াও বিচার দাবিতে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদেরও নানা হুমকি দেয়া হয়েছে বলে পরিবার ও প্রতিবেশীরা জানায়। ডলি আক্তার কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “আমার মেয়েকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে। আমি ন্যায়বিচার চাই। কিন্তু এখন উল্টো আমাকে মামলা তুলে নিতে বলা হচ্ছে এবং বলা হচ্ছে আমার আরেক সন্তানকেও মেরে ফেলবে—আমি দিনরাত আতঙ্কে আছি। প্রশাসনের কাছে নিরাপত্তা চাই।” টিটু সরদারও বলেন, “আমরা এখন বাড়ি থেকে বের হতে ভয় পাই। ছেলে অনুভব করছে, স্কুলে ও বাড়ির বাইরে যেতে পারছে না। বিচার চাই—মরে গেলেও মেয়ের হত্যার বিচার চাই।” বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী শুক্রবার সকালে প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন ও পরে সখিপুর থানা ঘেরাও করে আসামিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করে। মানববন্ধনে অংশ নেওয়া দশম শ্রেণীর ছাত্রী লামিয়া জানান, আয়েশার স্বামী সাহান সরদার মানববন্ধনরতদের জানায়—“মানববন্ধন করলে লাশ মিলবে না।” তিনি বলেন, “তারা ভিডিও করে নিয়েছে, বলেছে কাউকে স্কুলে আসতে দেওয়া হবে না—তবুও আমরা আতঙ্কে থাকি না, তাইয়েবার হত্যার বিচার চাই।” প্রতিবেশী আবুল কাশেম মিয়া বলেন, “শিশুহত্যার মতো জঘন্য অপরাধের বিচার না হলে সমাজে ভয়ানক দৃষ্টান্ত তৈরি হবে। যদি বাদীকে এইভাবে হুমকি দেওয়া হয়, তাহলে আর কেউই মামলা করার সাহস পাবে না। প্রশাসন দ্রুত তদন্ত করে ঘটনার মূল আসামিদের গ্রেপ্তার করুক।” তিনি আরও যোগ করেন, হুমকিদাতাদেরও আইনের আওতায় আনা উচিত। সখিপুর থানার ওসি মো. ওবায়দুল হক বলেন, “হত্যাকাণ্ডে জড়িত সকল আসামিকে আইনের আওতায় আনা হবে। বাদী পরিবার যদি হুমকির বিষয়ে লিখিত অভিযোগ দেয়, পুলিশ তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেবে। তাদের নিরাপত্তা দেওয়ার ব্যাপারে পুলিশ প্রস্তুত আছে। হুমকিদাতাদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করা হবে।”

‘মাইয়ার তো লাশ পাইছোস, পোলার লাশ খুঁজে পাবি না’

ছয় বছরের শিশু তাইয়েবা হারানোর পরও পরিবারের ভয়-উৎকন্ঠা থামছে না। থানায় মামলা তুলে নিতে ও নীরবতা বজায় রাখার জন্য বাদী পরিবারকে দফায় দফায় হুমকি দেওয়া হচ্ছে। মামলার প্রধান আসামি বলে

বিস্তারিত

ফরিদপুরের ভাঙ্গা থানায় হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় সাবেক সংসদ সদস্য ও যুবলীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মুজিবুর রহমান ওরফে নিক্সন চৌধুরীকে প্রধান আসামি করে মামলা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ভাঙ্গা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আজাদুজ্জামান বাদী হয়ে এই মামলা করেন। মামলায় ২৯ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও অনেককেই আসামি করা হয়েছে। মামলার দ্বিতীয় আসামি করা হয়েছে হামিরদী ইউনিয়নের ইউপি চেয়ারম্যান খোকন মিয়াকে। এর আগে দ্রুত বিচার আইনে আরেকটি মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে আলগী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ম. ম. সিদ্দিককে। মামলায় বলা হয়েছে, হামলা ও ভাঙচুরে পুলিশের গাড়িসহ বিভিন্ন সম্পদের ৪০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ৪ সেপ্টেম্বর নির্বাচন কমিশনের গেজেটে ভাঙ্গা উপজেলা-সংযুক্ত ফরিদপুর-৪ আসনের দুটি ইউনিয়ন (আলগী ও হামিরদী) কেটে নগরকান্দা-সালথার সঙ্গে যুক্ত করে ফরিদপুর-২ আসনে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এ সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে স্থানীয় লোকজন ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা-খুলনা ও ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক অবরোধ করেন। ইউএনওর আশ্বাসে আন্দোলন তিন দিনের জন্য স্থগিত হয়। পরে ৯ থেকে ১১ সেপ্টেম্বর এবং ১৪ থেকে ১৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অবরোধ কর্মসূচি পালন করা হয়। গত রবিবার রেললাইন অবরোধ করা হয়। এতে ভাঙ্গার হামিরদী ও ভাঙ্গা জংশন এবং রাজবাড়ীতে তিনটি ট্রেন আটকা পড়ে, ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা। গত রবিবার স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা আন্দোলন দমন করার ঘোষণা দেন। একই দিন আলগী ও হামিরদী ইউনিয়নের চেয়ারম্যানসহ ৯০ জনের নাম উল্লেখ করে দ্রুত বিচার আইনে মামলা করা হয়। সেই মামলায় আলগী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ম ম সিদ্দিককে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। গত সোমবার অবরোধের দ্বিতীয় দিনে ভাঙ্গা থানা, উপজেলা কমপ্লেক্স, ভাঙ্গা হাইওয়ে থানা ও সরকারি কার্যালয়ে হামলা-ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়।

নিক্সন চৌধুরীকে প্রধান আসামি করে মামলা

ফরিদপুরের ভাঙ্গা থানায় হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় সাবেক সংসদ সদস্য ও যুবলীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মুজিবুর রহমান ওরফে নিক্সন চৌধুরীকে প্রধান আসামি করে মামলা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ভাঙ্গা থানার

বিস্তারিত

কুমিল্লায় দেড় হাজার থেকে বিদ্যুৎ বিল এক লাফে দেড় লাখ, দিশেহারা একটি পরিবার। গ্রাহকের সেপ্টেম্বর মাসে ২টি পাখা, ২টি লাইট, ১টি ফ্রিজ ও টেলিভিশনের বিদ্যুৎ বিল এসেছে ১ লক্ষ ৬৭ হাজার টাকা। অথচ আগস্ট মাসে বিদ্যুৎ বিল দিয়েছেন ১৪০০ টাকা। এ ভুতুড়ে বিল নিয়ে বিদ্যুৎ বিভাগে তোলপাড় চলছে। এমন ভুতুড়ে বিল পেয়ে বিস্মিত কুমিল্লা নগরীর ২নং ওয়ার্ডের ছোটরা কলোনির বাড়ির মালিক। বিল হাতে পেয়ে গ্রাহক তানজীদা আক্তার রিয়া ও তার পরিবারের লোকজন সংশ্লিষ্ট বিদ্যুৎ অফিসে গিয়ে অভিযোগ করলেও এখনো প্রতিকার মেলেনি। তবে কুমিল্লা বিদ্যুৎ বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ ১ এর কর্মকর্তারা বলছেন, ‘বিষয়টি ভুলে হয়েছে, তদন্ত করে সমাধান করা হবে।’ ভুক্তভোগী গ্রাহক তানজীদা আক্তার রিয়া বলেন, সাড়ে ৪ বছর আগে তাদের দুই কক্ষের বাসাটি ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছিল। বিষয়টি শাসনগাছা বিদ্যুৎ অফিসে লিখিতভাবে জানিয়ে বাড়ির বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্নের আবেদন করা হয়। পরে চলতি বছর বাড়িটি পুনর্নির্মাণ শেষে বিদ্যুৎ সংযোগের জন্য আবেদন করলে বিদ্যুৎ অফিস থেকে জানানো হয়, বাড়ির মিটারটি যেন কার্ড মিটারে (প্রিপেইড) নেওয়া হয়। এতে তিনি আপত্তি করেন। আগস্ট মাসে তাকে ১ হাজার ৪০০ টাকার বিল দেওয়া হয়। গত ১৪ সেপ্টেম্বর গ্রাহক রিয়ার হাতে শাসনগাছা বিদ্যুৎ অফিস থেকে একটি বিল দেওয়া হয়। তাতে বিলের পরিমাণ উল্লেখ করা হয় ১ লাখ ৬৭ হাজার ৬৮৪ টাকা। এই বিষয়ে জানতে বিদ্যুৎ অফিসে বিলের কাগজ নিয়ে হাজির হন রিয়ার শ্বশুর মনজুর হোসেন। শাসনগাছা বিদ্যুৎ অফিসের কর্মকর্তারা একে অন্যের ওপর দোষ চাপিয়ে পার পাওয়ার চেষ্টা করেন। বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড কুমিল্লা বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ ১ এর নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম জানান, তাদের পক্ষ থেকে বাড়িতে গিয়ে বিষয়টি তদন্ত করা হয়েছে। এরপর পুরনো মিটারটি যাচাই করে দেখা গেছে অন্য একজন গ্রাহকের বিল ভুলবশত ঐ গ্রাহকের নামে চলে যায়। বিষয়টি তদন্তের পর দ্রুত সময়ের মধ্যে সমাধান করা হবে।

কুমিল্লায় ভুতুরে বিদ্যুৎ বিল

কুমিল্লায় দেড় হাজার থেকে বিদ্যুৎ বিল এক লাফে দেড় লাখ, দিশেহারা একটি পরিবার। গ্রাহকের সেপ্টেম্বর মাসে ২টি পাখা, ২টি লাইট, ১টি ফ্রিজ ও টেলিভিশনের বিদ্যুৎ বিল এসেছে ১ লক্ষ ৬৭

বিস্তারিত

প্রকৌশলী সাইফুল ইসলামের স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগে নোয়াখালিতে বিক্ষোভ

নোয়াখালী জনস্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ সাইফুল ইসলামের দুর্নীতি, স্বেচ্ছাচারিতা, অনিয়ম, দুর্ব্যবহার এবং বাংলোতে বসে নেশাপান করার অভিযোগে অবিলম্বে প্রত্যাহার ও দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মানবন্ধন ও বিক্ষোভ করেছে জাতীয়

বিস্তারিত

সাভারে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকী পালিত

সাভারে যুবদলের উদ্যোগে স্বাধীনতার ঘোষক বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক ও শহীদ প্রেসিডেন্ট আধুনিক বাংলাদেশের স্থপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের ৪৪তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে যুবদলের উদ্যোগে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বিস্তারিত

‘তারুণ্যের সমাবেশ’ সফল করতে আশুলিয়ায় যুবদলের সভা

আগামী ২৮ মে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে ‘তারুণ্যের রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠার’ লক্ষ্যে আয়োজিত সমাবেশ সফল করতে প্রস্তুতি সভা করেছে আশুলিয়া থানা যুবদল। শুক্রবার (২৩ মে) বিকেলে আয়োজিত এই সভায় সভাপতিত্ব

বিস্তারিত

এস এন্ড এফ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

Developer Design Host BD