শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ০৪:৪১ পূর্বাহ্ন
সারাদেশ
লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার দালাল বাজার ইউনিয়নে আদালতের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে এক প্রবাসীর জমি দখল করে ঘর নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক আওয়ামী লীগ নেত্রীর বিরুদ্ধে। ইউনিয়নের খন্দকারপুর গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত শিল্পী আক্তার দালাল বাজার ইউনিয়ন মহিলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক। ভুক্তভোগী হাজী নুরু মিয়া সৌদি আরব শাখা বিএনপির সাবেক কোষাধ্যক্ষ। তিনি একই গ্রামের খন্দকারপুর এলাকার বাসিন্দা। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রবাসী হাজী নুরু মিয়ার সঙ্গে তার বসতবাড়ির জায়গা নিয়ে প্রতিবেশী কালু মিয়াদের দীর্ঘ দিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। বিষয়টি সমাধানের লক্ষ্যে নুরু মিয়ার স্ত্রী মমতাজ বেগম ইউনিয়ন পরিষদে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ইউপি চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট নজরুল ইসলাম, ইউপি সদস্য বেলাল ও হারুন চৌধুরী এবং স্থানীয় সার্ভেয়ার (আমিন) মো. ফারুকের উপস্থিতিতে একটি সালিশি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। উভয় পক্ষের নথিপত্র পর্যালোচনা করে সেখানে একটি আপস-মীমাংসা করা হয়েছিলো এবং সেটি উভয় মেনেও নেয়।   আদালতের ১৪৪ ধারা ও অমান্য করার অভিযোগ: সালিশি মীমাংসার একদিন পরেই বিবাদী কালু মিয়া বাদী হয়ে লক্ষ্মীপুর অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ১৪৪/১৪৫ ধারায় মামলা দায়ের করেন। আদালত বিষয়টি আমলে নিয়ে নালিশি ভূমিতে স্থিতাবস্থা বজায় রাখা এবং কোনো পক্ষ যেন নির্মাণ কাজ না করতে পারে, সে জন্য সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) নির্দেশ দেন। আদালতের আদেশের প্রেক্ষিতে সদর থানার এসআই ইয়াকুব আলী উভয় পক্ষকে নোটিশ প্রদান করেন। মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য রয়েছে আগামী ৭ জানুয়ারি ২০২৬। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, আদালতের এই নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কালু মিয়ার ছোট ভাইয়ের স্ত্রী আ’লীগ নেত্রী শিল্পী আক্তার গত কয়েকদিন ধরে রাতের আঁধারে বিরোধপূর্ণ জায়গায় অবৈধভাবে ঘর নির্মাণ করেন। প্রবাসী হাজী নুরু মিয়া বলেন, "আদালতের আদেশ অমান্য করে ঘর নির্মাণ করতে বাধা দিতে গেলে এই আওয়ামীলিগের নেত্রী আমাকে  ধাক্কা দিয়ে মাটিতে ফেলে দেয় এবং প্রাণনাশের হুমকি দেয়। আমি এই বিষয়ে থানায় পুনরায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি।" অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে শিল্পী আক্তার প্রথমে ঘর নির্মাণের কথা স্বীকার করলেও পরবর্তীতে কৌশলে বিষয়টি এড়িয়ে যান। ভুক্তভোগীর অভিযোগের ভিত্তিতে লক্ষ্মীপুর সদর থানার এসআই নুরুল করিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তিনি সাংবাদিকদের জানান, "আমরা ঘটনাস্থলে এসে অভিযোগের সত্যতা পেয়েছি। নালিশি জমিতে কোনো প্রকার স্থাপনা নির্মাণ না করার জন্য বিবাদী পক্ষকে কঠোর নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে এবং বর্তমানে কাজ বন্ধ রয়েছে।"

লক্ষ্মীপুরে প্রবাসীর জমি দখলের অভিযোগ আ’লীগ নেত্রীর বিরুদ্ধে

লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার দালাল বাজার ইউনিয়নে আদালতের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে এক প্রবাসীর জমি দখল করে ঘর নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক আওয়ামী লীগ নেত্রীর বিরুদ্ধে। ইউনিয়নের খন্দকারপুর গ্রামে এই ঘটনা

বিস্তারিত

কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাহমিনা আক্তারের বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়ম, দুর্নীতি ও প্রকল্পের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেছে স্থানীয়রা। রোববার (২১ ডিসেম্বর) সকালে উপজেলা প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত এই শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে প্রশাসনের দিয়ে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। প্রত্যক্ষদর্শী ও আন্দোলনকারীরা জানান, সকাল ১১টার দিকে কয়েকশ নারী-পুরুষ ইউএনও’র দুর্নীতির বিরুদ্ধে ব্যানার-ফেস্টুন নিয়ে প্রেসক্লাবের সামনে জড়ো হন। মানববন্ধন চলাকালীন ইউএনও’র দেহরক্ষী ও আনসার সদস্যরা আকস্মিক উপস্থিত হয়ে কর্মসূচিতে বাধা প্রদান করেন। এতে উপস্থিত সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। উপজেলা স্থানীয় বাসিন্দা নূরে আলম রাসেল এই ঘটনার নিন্দা জানিয়ে বলেন, "আমরা কোনো বিশৃঙ্খলা বা 'মব' সৃষ্টি করতে আসিনি। আমরা অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে এসেছি। কিন্তু শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে আনসার বাহিনী দিয়ে বাধা দিয়ে কণ্ঠরোধ করার চেষ্টা করা হয়েছে।" দুর্নীতির পাহাড়সম অভিযোগ মানববন্ধনে বক্তারা ইউএনও তাহমিনা আক্তারের বিরুদ্ধে যোগদানের পর থেকেই বিভিন্ন সেক্টরে লুটপাটের অভিযোগ আনেন। সাবেক কাউন্সিলর সুমন মড়ল বলেন, "২০২৪ সালের ৭ নভেম্বর যোগদানের পর থেকেই ইউএনও নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে টেন্ডার ছাড়াই কোটি টাকার কাজ করেছেন। অনেক ক্ষেত্রে কাজ না করেই বা আংশিক কাজ করে প্রকল্পের পুরো টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে।" পৌরসভার উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়মের চিত্র তুলে ধরে সাবেক নারী কাউন্সিলর বেদেনা আক্তার অভিযোগ করেন, ১নং ওয়ার্ডের ওসমান মিয়ার বাড়ি থেকে আলমগীর হুজুরের বাড়ি পর্যন্ত ২৭৮ মিটার এবং আশুতিয়াপাড়া মেইন রোড থেকে বাবুলের দোকান পর্যন্ত ৩০০ মিটার ড্রেন নির্মাণের কাজ না করেই বিল তুলে নেওয়া হয়েছে। এছাড়া নাগরিক সেবার ফি বহুগুণ বৃদ্ধি করা হলেও পৌরবাসী পর্যাপ্ত সেবা পাচ্ছে না। নিয়োগ বাণিজ্য ও অবৈধ ইজারা বজলুর রহমান অভিযোগ করেন, পৌর প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে ইউএনও সিএনজি স্ট্যান্ডের অবৈধ ইজারা প্রদান এবং নিয়োগ বাণিজ্যের মাধ্যমে প্রায় ৬০ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। সংবাদকর্মী ও রাজনৈতিক নেতাদের হস্তক্ষেপে কিছু অবৈধ প্রক্রিয়া বন্ধ হলেও পর্দার আড়ালে আর্থিক লেনদেন অব্যাহত রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। তথ্য গোপনের অভিযোগ জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা করিমগঞ্জ ইউনিটের সভাপতি হাবিবুর রহমান বিপ্লব অভিযোগ করেন, বিভিন্ন প্রকল্পের তথ্য চেয়েও সাংবাদিকদের সহযোগিতা করছেন না ইউএনও। বরং অনিয়ম ঢাকতে তথ্য গোপন করা হচ্ছে এবং কোনো কর্মকর্তা তথ্য দিলে তাকে তাৎক্ষণিক বদলি করার ভয় দেখানো হচ্ছে। মানববন্ধন শেষে বিক্ষুব্ধ জনতা জানান, অভিযুক্ত ইউএনও-র অপসারণ ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার বরাবর স্মারক লিপি প্রদান করা হবে। দাবি আদায় না হলে আগামীতে আরও কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দেন বক্তারা। এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাহমিনা আক্তারের কার্যালয়ে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তাঁর পক্ষ থেকে কোনো তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

করিমগঞ্জে ‘দুর্নীতি’ ঢাকতে মানববন্ধনে বাধা

কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাহমিনা আক্তারের বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়ম, দুর্নীতি ও প্রকল্পের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেছে স্থানীয়রা। রোববার (২১ ডিসেম্বর) সকালে উপজেলা প্রেসক্লাবের সামনে

বিস্তারিত

নিচে আপনার পুরো বক্তব্যের অর্থ, কাঠামো ও শব্দচয়ন অপরিআমরা সবাই শ্রমিক, আপনাদের সেবক: আমান উল্লাহ সাভার প্রতিনিধি বিএনপি'র চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা আলহাজ্ব আমান উল্লাহ আমান বলেছেন, “আমরা সবাই আপনাদের শ্রমিক, আপনাদের সেবক। জিয়াউর রহমান বলেছিলেন তিনি শ্রমিক, তাঁর স্ত্রী বেগম জিয়াও বলেছেন আমরা জনগণের শ্রমিক।” শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) সাভার উপজেলার তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়নের পূর্বহাটি ঈদগাঁহ মাঠে অনুষ্ঠিত এক ইসলামিক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় দোয়া চেয়ে আমান উল্লাহ আমান বলেন, বেগম জিয়া দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের প্রতীক। তাঁর দ্রুত আরোগ্য কামনায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে দোয়া করতে হবে। তিনি আরও বলেন, দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে বেগম জিয়া সবসময় গণতন্ত্র, ভোটাধিকার ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে অগ্রণী ভূমিকা রেখেছেন। গণতন্ত্রকে সুসংহত করতে তাঁর ত্যাগ ও অবদান আগামী প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে। বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আরও বলেন, বেগম খালেদা জিয়া কোনো নির্দিষ্ট দলের নেত্রী নন; তিনি সারাদেশের মানুষের আশা–আকাঙ্ক্ষার প্রতীক। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা ও মানুষের অধিকার রক্ষার সংগ্রামে তাঁর আপসহীন ভূমিকা অনন্য। নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে তাঁর অভিজ্ঞ নেতৃত্ব আজও প্রয়োজনীয়। জামালুল উলুম জমিলা খাতুন মাদরাসা ও এতিমখানার ১৬তম বার্ষিক ওয়াজ মাহফিলের সভাপতিত্ব করেন সাভার উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান হাজী জামাল উদ্দিন সরকার।

আমরা সবাই শ্রমিক, আপনাদের সেবক: আমান উল্লাহ

বিএনপি’র চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা  আমান উল্লাহ আমান বলেছেন, “আমরা সবাই আপনাদের শ্রমিক, আপনাদের সেবক। জিয়াউর রহমান বলেছিলেন তিনি শ্রমিক, তাঁর স্ত্রী বেগম জিয়াও বলেছেন আমরা জনগণের শ্রমিক।” শুক্রবার

বিস্তারিত

রাজশাহী-৪ (বাগমারা) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ডিএম জিয়াউর রহমান জিয়ার ক্যাডারদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলা হয়েছে। বাগমারার আফজাল হোসেন নামের একজন অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য আদালতে মামলাটি করেন। মামলাটি গ্রহণ করে আদালতের বিচারক বাগমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন। মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, ‘আসামিরা মস্তান ও সন্ত্রাসী প্রকৃতির লোক। গত বছর দেশে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকে স্থানীয় বিএনপি নেতা জিয়ার লোক পরিচয়ে এলাকাজুড়ে বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছেন তারা। সম্প্রতি সেনা সদস্যের খড়ের মোকামে এসে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। পুরো টাকা না পেয়ে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা লুট করে নিয়ে যায় তারা। এদিকে মামলায় যাদের আসামি করা হয়েছে তারা সবাই বিএনপির বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী বলে জানিয়েছেন বাদী। আসামিরা হলেন-বাগমারা গ্রামের আসাদুল ইসলাম, রূহুল আমিন সনি, লাল মোহাম্মদ লাল্টু, রানা আহমেদ, সাব্বির আহমেদ, সেলিম হোসেন ও মেহেদী হাসান রকিসহ আরও কয়েকজন। এদের মধ্যে রূহুল আমিন সনি উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক ও বিএনপি প্রার্থী জিয়ার ঘনিষ্ঠ ক্যাডার। যদিও রাজশাহী-৪ (বাগমারা) আসনের প্রার্থী জিয়া জানিয়েছেন, তিনি ঘটনা সম্পর্কে অবগত নন। কারা তার বিরুদ্ধে মামলা করেছেন তা-ও জানেন না। তবে তিনি দাবি করেন, বাগমারায় তার কোনো সন্ত্রাসী ক্যাডার বাহিনী নেই। মামলার অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, আসামিরা বিভিন্ন সময় আফজাল হোসেনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে গিয়ে চাঁদা দাবি করে আসছিলেন। ২৬ নভেম্বর দুপুরে আসামিরা বাদীর খড়ের আড়তে অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে হাজির হন। তারপর আফজালকে বলেন, এখানে ব্যবসা করতে হলে তাদের ৫ লাখ টাকা চাঁদা দিতে হবে। আফজাল চাঁদা দিতে অস্বীকার করলে রূহুল আমিন সনি ধারালো চাকু বের করে আফজালকে তাড়া করেন। এ সময় অন্য আসামিরা বাদীকে ঘিরে ধরেন এবং এলোপাতাড়ি কিলঘুসি, লাথি মারতে থাকেন। আসামি লাল্টু তার হাতে থাকা লোহার রড দিয়ে বাদীকে বেধড়ক মারধর করেন। অন্যরাও মারধর করে তার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান থেকে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা লুট করে নিয়ে যায়। যাওয়ার সময় আসামিরা বলে যায়, পুরো ৫ লাখ টাকা না দিলে এবার এসে জানে মেরে ফেলা হবে। তারা চলে যাওয়ার পর স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যায়। পরে তিনি থানায় মামলা করতে যান। তবে পুলিশ মামলা গ্রহণ না করে আদালতে মামলা করার পরামর্শ দেন। বাদীর আইনজীবী শারমিন কানিজ জানান, ‘আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করেছেন। এরপর মামলাটি গ্রহণ করে পরবর্তী ধার্য তারিখে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য বাগমারা থানার ওসিকে নির্দেশ দিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাগমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল ইসলাম জানান, সাবেক সেনা সদস্য আদালতে একটি মামলা করেছেন বলে শুনেছি। তবে আদালতের আদেশের কপি এখনো থানায় পৌঁছেনি। আদেশের অনুলিপি পেলে সে অনুযায়ী আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

বিএনপির নেতার লোকজনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলা

রাজশাহী-৪ (বাগমারা) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ডিএম জিয়াউর রহমান জিয়ার ক্যাডারদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলা হয়েছে। বাগমারার আফজাল হোসেন নামের একজন অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য আদালতে মামলাটি করেন।

বিস্তারিত

সাভারে খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় নফল রোজা পালন ও দোয়া সাভার প্রতিনিধি সাভারে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় নফল রোজা পালন ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। নফল রোজা পালন করেন তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ও যুবদল নেতা ইয়ার মোহাম্মদ ইয়াসিন সরকার শাওন। রবিবার (৩০ নভেম্বর) তেঁতুলঝোড়ার পূর্বহাটি এলাকার জামালুল উলুম জমিলা খাতুন মাদরাসায় এ দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়। ইফতারের পর শাওন সরকার বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনায় বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন। দোয়া ও মাহফিলে মাদরাসার কমলমতি শিক্ষার্থী, হাফেজ ও আলেমরা উপস্থিত ছিলেন। এসময় তারা বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য লাভ এবং দেশের কল্যাণ কামনা করেন।

সাভারে খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় নফল রোজা পালন ও দোয়া

সাভারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় নফল রোজা পালন ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। নফল রোজা পালন করেন তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ও যুবদল নেতা

বিস্তারিত

বিএনপির চেয়ারপারসন ও দিনাজপুর-৩ (সদর) আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ সদস্য পদে দলের মনোনীত প্রার্থী বেগম খালেদা জিয়ার পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেছে দিনাজপুর জেলা বিএনপি। শুক্রবার (১৪ নভেম্বর) দুপুরে দিনাজপুর শহরের ফরিদপুর কবরস্থানে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বাবা ইস্কান্দার মজুমদার, মা তৈয়বা মজুমদার ও বড় বোন খুরশিদ জাহান হকের কবর জিয়ারতের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রচারণা কার্যক্রমের শুরু করে জেলা বিএনপি। এ সময় দিনাজপুর জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাড. মোফাজ্জল হোসেন দুলাল, সাধারণ সম্পাদক বখতিয়ার আহমেদ কচি, সিনিয়র সহসভাপতি মোকাররম হোসেন, বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও দিনাজপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম, দিনাজপুর জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাড. আব্দুল হালিম, দিনাজপুর চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি আবু বকর সিদ্দিকসহ বিএনপি ও অঙ্গ-সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। কবর জিয়ারতের পর ফরিদপুর গোরস্থান মোড়ে আনুষ্ঠানিক লিফলেট বিতরণ শুরু করা হয়। এ সময় জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দিনাজপুর-৩ (সদর) আসনে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার পক্ষে ভোট চান। দিনাজপুর জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বখতিয়ার আহমেদ কচি বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার শৈশব বেড়ে উঠেছে দিনাজপুর সদর উপজেলায়। তিনি দেশের জন্য সব সময় আপসহীন হিসেবে কাজ করেছেন। আমরা দিনাজপুরবাসী তার জন্য গর্বিত। চেয়ারপারসনের বড় বোন মরহুম খুরশিদ জাহান হকের কারণে দিনাজপুর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল, শিক্ষা বোর্ড, হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়সহ সব ধরনের উন্নয়ন হয়েছে। বিগত ১৭ বছর ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের কারণে দিনাজপুর সদর উপজেলা সব ধরনের উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত ছিল। আমরা আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বেগম খালেদা জিয়াকে বিপুল ভোটে বিজয়ী করার জন্য সবাই একসঙ্গে কাজ করছি। যাতে করে মরহুম খুরশিদ জাহান হকের উন্নয়নের ধারাবাহিকতা আগামীতে চলমান থাকে। বেগম খালেদা জিয়া দেশের বিভিন্ন আসনে নির্বাচন করলেও এই প্রথম দিনাজপুর সদর-৩ আসনে নির্বাচন করছেন।

দিনাজপুরে খালেদা জিয়ার পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু

বিএনপির চেয়ারপারসন ও দিনাজপুর-৩ (সদর) আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ সদস্য পদে দলের মনোনীত প্রার্থী বেগম খালেদা জিয়ার পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেছে দিনাজপুর জেলা বিএনপি। শুক্রবার (১৪ নভেম্বর) দুপুরে দিনাজপুর

বিস্তারিত

ইউনিয়ন-এ অবস্থিত এক রাজনৈতিক কর্মীর বাড়ি থেকে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) বৃহস্পতিবার অভিযান চালিয়ে ১১টি বন্দুক, ২৭টি দেশি ধারালো অস্ত্র, ৮টি ক্রিকেট স্টাম্প এবং ১৫টি কার্তুজসহ বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার করেছে। অভিযানে একজন বিএনপি কর্মীসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

বিএনপির কর্মীর বাড়ি থেকে অস্ত্র উদ্ধার

চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলা-র নোয়াপাড়া ইউনিয়ন-এ অবস্থিত এক রাজনৈতিক কর্মীর বাড়ি থেকে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন র‌্যাব।  বৃহস্পতিবার অভিযান চালিয়ে ১১টি বন্দুক, ২৭টি দেশি ধারালো অস্ত্র, ৮টি ক্রিকেট স্টাম্প এবং ১৫টি কার্তুজসহ

বিস্তারিত

গাজীপুরের সাব-রেজিস্ট্রার ওসমান গনী মণ্ডল এখন দুর্নীতির সমার্থক নাম। ঘুষ ছাড়া কোনো দলিল সই করেন না এমন অভিযোগই আজ মুখে মুখে। প্রতিদিন জেলা রেজিস্ট্রার মো. মিজানুর রহমানকে ২ লাখ টাকা দিয়ে টঙ্গী অফিসে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে। ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সনদ ও মুজিবনগর সরকারের ভুয়া কর্মচারীর পরিচয়ে আদালতের মাধ্যমে চাকরি পাওয়া এই কর্মকর্তা এখন গাজীপুরের কাপাসিয়া ও টঙ্গী সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে এক মূর্তিমান আতঙ্কে পরিণত হয়েছেন। স্থানীয় দলিল লেখক থেকে সাধারণ জনগণ সবাই তার ঘুষ বাণিজ্যের শিকার। বদলির আদেশ পেলেও ঘুষের টাকা খরচ করে পুনরায় কাঙ্ক্ষিত পদে ফিরে আসেন। একাধিক সূত্র জানায়, জেলা রেজিস্ট্রারের আত্মীয়তার সুযোগে ওসমান গনী নিজের ইচ্ছেমতো অফিস চালান। কালীগঞ্জ থেকে বদলি হয়ে প্রথমে কাপাসিয়া, পরে টঙ্গী অফিসের অতিরিক্ত দায়িত্বে যোগ দেন। রাত ৯টা পর্যন্ত দলিল রেজিস্ট্রি করার নামে সাধারণ জনগণের কাছ থেকে ঘুষ আদায় করা তার নিত্যদিনের ককর্মকান্ডে পরিণত হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দলিল লেখক সমিতির এক সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, “একটা দলিলের ভুল থাকলে সেটাকে অজুহাত করে ১০-১৫ হাজার টাকা না দিলে কাজ করে দেয় না। কথায় কথা বাড়লে হুমকি দেন, অফিস থেকে বের করে দেওয়ার।” আনোয়ার হোসেন নামে এক সেবাগ্রহীতা অভিযোগ করে বলেন, “আমার বাড়ির জমির দলিলের শ্রেণি পরিবর্তন করতে গিয়েছিলাম। নিয়মমাফিক ফি জমা দিয়েও তিন সপ্তাহ অফিসে ঘুরেছি। পরে এক কর্মচারীর কাছে শুনি, ‘উপরের স্যারকে’ কিছু দিতে হবে। না দিলে দলিল ঝুলে থাকবে।” এক প্রভাবশালী দলিল লেখক বলেন, “কাউকে পছন্দ না হলে সরাসরি অফিস থেকে বের করে দেয়। অনেক সময় দলিল বাতিল করে দেয় শুধু একটাই কারণ ‘টাকা দেওয়া হয়নি’। এই অফিসে এখন আইন না, চলে টাকার নিয়ম।” অভিযোগের পাহাড় ও সম্পদের সাম্রাজ্য দুর্নীতি দমন কমিশন ও আইন মন্ত্রণালয়ে ওসমান গনীর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও তার প্রভাব অটুট। অভিযোগ রয়েছে, ঢাকার উত্তরা, টঙ্গী, ধনবাড়ী, আশুলিয়া, ধানমণ্ডি, পূর্বাচল ও রংপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় তার নামে রয়েছে একাধিক বাড়ি, ফ্ল্যাট ও প্লট। একাধিক দলিল লেখক জানান, তার অশালীন আর কর্তৃত্ববাদী আচরণে তারা চরম অপমানের শিকার হন। ঘুষ না দিলে দলিল মারেন না এমন অভিযোগ নতুন নয়, প্রতিদিনের বাস্তবতা বলে জানায় স্থানীয় সূত্র। এ বিষয়ে ওসমান গনীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “রাত ৯টা পর্যন্ত দলিল করবোই। প্রতিদিন জেলা রেজিস্ট্রারকে ২ লাখ টাকা দেই, পার্টটাইম অফিস করছি। কে কী বললো সেটার চেয়ে বড় বিষয় আমি কাজ চালিয়ে যাবো।”

যেখানেই ওসমান গনীর পদায়ন, সেখানেই দুর্নীতির আগমন

গাজীপুরের সাব-রেজিস্ট্রার ওসমান গনী মণ্ডল এখন দুর্নীতির সমার্থক নাম। ঘুষ ছাড়া কোনো দলিল সই করেন না এমন অভিযোগই আজ মুখে মুখে। প্রতিদিন জেলা রেজিস্ট্রার মো. মিজানুর রহমানকে ২ লাখ টাকা

বিস্তারিত

পরে তাকে উদ্ধার করে নরসিংদী সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখান থেকে ঢাকার রাজারবাগ পুলিশ হাসপাতালে পাঠানো হয়। আহত আনোয়ার বলেন, সকালে নরসিংদী পৌর শহরে নিহমিত টহল চলছিল। আমি আরশিনগর এলাকা ক্রস করছিলাম। ওই সময় দুজন লোক যানবাহন থেকে টাকা তুলছিল। আমি তাদেরকে জিজ্ঞেস করলাম কিসের টাকা তোলা হচ্ছে। টাকা তুলতে তো হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা আছে বলে জানালাম। এরই মধ্যে ৩০/৩৫ জন লোক অতর্কিতভাবে আমার ওপর হামলা চালায়। তারা আমাকে কিল-ঘুষি মারা শুরু করে। পরে আমাকে লাঠি দিয়ে মাথায় আঘাত করে। আমি সঙ্গে সঙ্গে অচেতন হয়ে পড়ে যাই। পরে সঙ্গে থাকা পুলিশ সদস্যরা আমাকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে নিয়ে আসে। আমি চোখ খুলে দেখি আমি হাসপাতালে। এখানে প্রাথিমিক চিকিৎসা দিয়ে ঢাকার রাজারবাগ পুলিশ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

চাঁদাবাজদের হামলায় সড়কেই ঢলে পড়লেন পুলিশ কর্মকর্তা শামিম

সড়কে চাঁদাবাজির প্রতিবাদ করায় হামলার শিকার হয়েছেন নরসিংদীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আনোয়ার হোসেন। এতে তিনি গুরুতর আহত হয়েছেন। তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছেশনিবার (৪ অক্টোবর) দুপুরে নরসিংদী পৌর শহরের আরশিনগরে এ

বিস্তারিত

ছয় বছরের শিশু তাইয়েবা হারানোর পরও পরিবারের ভয়-উৎকন্ঠা থামছে না। থানায় মামলা তুলে নিতে ও নীরবতা বজায় রাখার জন্য বাদী পরিবারকে দফায় দফায় হুমকি দেওয়া হচ্ছে। মামলার প্রধান আসামি বলে পুলিশ অভিযুক্ত করে থাকা আয়েশা বেগমের পরিবারের লোকজন নিহতের পরিবারকে ভয় দেখাচ্ছে—এ কথা জানান নিহতের পরিবার ও প্রতিবেশিরা। সোমবার সকালে তাইয়েবার মা ডলি আক্তার এসব অভিযোগ তুলেছেন। তাইয়েবা টিটু সরদারের মেয়ে। তিনি ভেদরগঞ্জ উপজেলার সখিপুর থানাধীন ছৈয়ালকান্দি গ্রামের দারুণ নাজাত মাদ্রাসার নার্সারির ছাত্রী ছিলেন। গত বুধবার ওই স্কুলছাত্রী নিখোঁজ হন। বহু খোঁজাখুঁজির পর শুক্রবার প্রতিবেশী মেসবাহউদ্দীন মোল্লার বাড়ির সেপটিক ট্যাংক থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ও তদন্ত সূত্রে পুলিশ বলছে—পারিবারিক বিবাদ ও শত্রুতার জেরে অভিযোগভিত্তিক সন্দেহ করা হচ্ছে আয়েশা বেগমই শিশুটিকে হত্যা করেছেন। পুলিশ ঘটনার পর টিটু সরদারের বাদী হওয়া মামলায় চাচি আয়েশা বেগম, প্রতিবেশী নাসিমা ও রংমিস্ত্রি আসিফকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে যায়। আদালত আয়েশা বেগমের দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। অপরদিকে নিহতের পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, রোববার সকালে বাড়িতে এসে মামলা তুলে নিতে অভিযোগের প্রধান আসামি আয়েশার স্বামী সাহান সরদার, ছেলে আকিব সরদার, ননদ রিনা ও রুমা তাদের চাপ দিচ্ছেন। অভিযোগ অনুযায়ী আকিব ও রিনা বলেছে—“মামলা উঠাইয়া না নিলে তোর পোলারে খাইয়া ফালামু; তোর পোলারে শেষ দেখা দেইখা রাখিস। মাইয়ার তো লাশ পাইছোস, পোলার লাশ খুঁজে পাবি না।” এ ছাড়াও বিচার দাবিতে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদেরও নানা হুমকি দেয়া হয়েছে বলে পরিবার ও প্রতিবেশীরা জানায়। ডলি আক্তার কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “আমার মেয়েকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে। আমি ন্যায়বিচার চাই। কিন্তু এখন উল্টো আমাকে মামলা তুলে নিতে বলা হচ্ছে এবং বলা হচ্ছে আমার আরেক সন্তানকেও মেরে ফেলবে—আমি দিনরাত আতঙ্কে আছি। প্রশাসনের কাছে নিরাপত্তা চাই।” টিটু সরদারও বলেন, “আমরা এখন বাড়ি থেকে বের হতে ভয় পাই। ছেলে অনুভব করছে, স্কুলে ও বাড়ির বাইরে যেতে পারছে না। বিচার চাই—মরে গেলেও মেয়ের হত্যার বিচার চাই।” বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী শুক্রবার সকালে প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন ও পরে সখিপুর থানা ঘেরাও করে আসামিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করে। মানববন্ধনে অংশ নেওয়া দশম শ্রেণীর ছাত্রী লামিয়া জানান, আয়েশার স্বামী সাহান সরদার মানববন্ধনরতদের জানায়—“মানববন্ধন করলে লাশ মিলবে না।” তিনি বলেন, “তারা ভিডিও করে নিয়েছে, বলেছে কাউকে স্কুলে আসতে দেওয়া হবে না—তবুও আমরা আতঙ্কে থাকি না, তাইয়েবার হত্যার বিচার চাই।” প্রতিবেশী আবুল কাশেম মিয়া বলেন, “শিশুহত্যার মতো জঘন্য অপরাধের বিচার না হলে সমাজে ভয়ানক দৃষ্টান্ত তৈরি হবে। যদি বাদীকে এইভাবে হুমকি দেওয়া হয়, তাহলে আর কেউই মামলা করার সাহস পাবে না। প্রশাসন দ্রুত তদন্ত করে ঘটনার মূল আসামিদের গ্রেপ্তার করুক।” তিনি আরও যোগ করেন, হুমকিদাতাদেরও আইনের আওতায় আনা উচিত। সখিপুর থানার ওসি মো. ওবায়দুল হক বলেন, “হত্যাকাণ্ডে জড়িত সকল আসামিকে আইনের আওতায় আনা হবে। বাদী পরিবার যদি হুমকির বিষয়ে লিখিত অভিযোগ দেয়, পুলিশ তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেবে। তাদের নিরাপত্তা দেওয়ার ব্যাপারে পুলিশ প্রস্তুত আছে। হুমকিদাতাদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করা হবে।”

‘মাইয়ার তো লাশ পাইছোস, পোলার লাশ খুঁজে পাবি না’

ছয় বছরের শিশু তাইয়েবা হারানোর পরও পরিবারের ভয়-উৎকন্ঠা থামছে না। থানায় মামলা তুলে নিতে ও নীরবতা বজায় রাখার জন্য বাদী পরিবারকে দফায় দফায় হুমকি দেওয়া হচ্ছে। মামলার প্রধান আসামি বলে

বিস্তারিত

এস এন্ড এফ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

Developer Design Host BD